শিয়া ও সুন্নিদের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো নেতৃত্ব ও খিলাফতের প্রশ্নে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ইন্তিকালের পর (৬৩২ খ্রিস্টাব্দে) কে মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন — এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে ইসলামে দুটি ধারার সূচনা হয়:
- সুন্নি মুসলিমরা বিশ্বাস করেন যে হযরত আবু বকর (রা.)-এর খলিফা হওয়া বৈধ এবং চার খলিফা (আবু বকর, উমার, উসমান ও আলি) সবাই ন্যায়সঙ্গতভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- শিয়া মুসলিমরা বিশ্বাস করেন যে নবী (সা.)-এর পরে নেতৃত্ব একমাত্র তাঁর পরিবার অর্থাৎ হযরত আলি (রা.) ও তাঁর বংশধরদের হাতে থাকা উচিত ছিল।
বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৮৫–৮৭% মুসলিম সুন্নি এবং ১৩–১৫% শিয়া।
আপনি যদি বাংলাদেশি মুসলিম হন এবং খবরে ইরাক, ইরান বা সিরিয়ায় “শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বের” কথা শুনে থাকেন — তাহলে স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে: শিয়া ও সুন্নি আসলে কারা? তাদের মধ্যে পার্থক্যটা ঠিক কোথায়?
এই আর্টিকেলে আমরা সেই প্রশ্নের পরিষ্কার, নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক উত্তর দেব — ইতিহাস, আকিদা (বিশ্বাস), ইবাদত পদ্ধতি ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ সহ।
শিয়া ও সুন্নি বিভাজনের ইতিহাস
৬৩২ খ্রিস্টাব্দ — বিভাজনের সূচনা
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইন্তিকাল করেন। তিনি কোনো পুত্রসন্তান না রেখে যাওয়ায় উত্তরসূরির প্রশ্নটি জটিল হয়ে পড়ে।
দুটি মত তৈরি হয়:
১. একটি দল মনে করল — মুসলিম উম্মাহর নেতা হবেন সবচেয়ে যোগ্য ও বিশ্বস্ত সাহাবি, যাকে সমাজ মনোনীত করবে। এই মত থেকেই পরে সুন্নি পরিচয় গড়ে ওঠে।
২. আরেকটি দল মনে করল — নবী (সা.)-এর পরিবার থেকেই নেতৃত্ব আসতে হবে, বিশেষভাবে তাঁর চাচাতো ভাই ও জামাতা হযরত আলি (রা.) থেকে। এই দলকে বলা হতো “শিয়াতু আলি” অর্থাৎ আলির অনুসারী — এখান থেকেই শিয়া শব্দের উৎপত্তি।
কারবালার ঘটনা — বিভাজন গভীর হয়
৬৮০ খ্রিস্টাব্দে ইরাকের কারবালার প্রান্তরে হযরত হুসাইন (রা.) — নবী (সা.)-এর নাতি — এবং তাঁর পরিবার ও সঙ্গীরা উমাইয়া শাসক ইয়াজিদের সেনাবাহিনীর হাতে শহীদ হন। এই ঘটনাটি শিয়া সম্প্রদায়ের জন্য একটি গভীর আধ্যাত্মিক ও আবেগময় ক্ষত হয়ে ওঠে, যা আজও প্রতি বছর আশুরার দিনে স্মরণ করা হয়।
শিয়া ও সুন্নিদের মধ্যে মূল পার্থক্য
খিলাফত ও নেতৃত্বের প্রশ্নে পার্থক্য
| বিষয় | সুন্নি বিশ্বাস | শিয়া বিশ্বাস |
|---|---|---|
| প্রথম খলিফা | হযরত আবু বকর (রা.) বৈধ খলিফা | হযরত আলি (রা.) হওয়া উচিত ছিলেন |
| নেতৃত্বের ভিত্তি | যোগ্যতা ও সমাজের সম্মতি | নবী পরিবারের রক্তের ধারাবাহিকতা |
| চার খলিফা | সবাই ন্যায়সঙ্গত | কেবল আলি (রা.) বৈধ ছিলেন |
ইমামতের ধারণায় পার্থক্য
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতভেদের একটি।
সুন্নি দৃষ্টিভঙ্গি:
- ইমাম মানে শুধু নামাজের ইমাম বা ধর্মীয় পণ্ডিত।
- কোনো মানুষ নবী (সা.)-এর পরে দৈবিক কর্তৃত্বের অধিকারী নন।
- ধর্মীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কুরআন, হাদিস, ইজমা (সম্মতি) ও কিয়াসের (যুক্তি) ভিত্তিতে।
শিয়া দৃষ্টিভঙ্গি (বিশেষত ১২ ইমামি শিয়া):
- ইমামরা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত এবং তাঁরা নিষ্পাপ।
- হযরত আলি (রা.) থেকে শুরু করে মোট ১২ জন ইমাম — যাদের প্রত্যেকেই দৈবিকভাবে পরিচালিত।
- ১২তম ইমাম মুহাম্মদ আল-মাহদি ৮৭৪ খ্রিস্টাব্দে “অদৃশ্য হন” এবং কিয়ামতের আগে ফিরে আসবেন বলে বিশ্বাস করা হয়।
হাদিস গ্রহণে পার্থক্য
সুন্নিরা বুখারি, মুসলিম, তিরমিযি, আবু দাউদ, নাসায়ি ও ইবনে মাজাহ — এই ছয়টি হাদিস গ্রন্থকে সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন।
শিয়ারা সাহাবিদের একাংশের বর্ণিত হাদিসকে গ্রহণ করেন না। তারা আলী (রা.) ও তাঁর বংশের বর্ণিত হাদিসকে প্রাধান্য দেন এবং আলাদা হাদিস সংকলন ব্যবহার করেন (যেমন: আল-কাফি)।
নামাজে পার্থক্য
সুন্নি ও শিয়া উভয়েই দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তবে পদ্ধতিতে কিছু পার্থক্য আছে:
সুন্নি:
- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পাঁচটি আলাদা সময়ে পড়া হয়।
- নামাজে হাত বুকের উপর বা নাভির নিচে বাঁধা হয় (মাজহাব অনুযায়ী ভিন্ন)।
- সেজদায় কপাল মাটিতে লাগানো হয়।
শিয়া:
- ফজর, যোহর+আসর একসাথে এবং মাগরিব+ইশা একসাথে পড়া যায় — মোট তিন ওয়াক্তেও পাঁচ নামাজ আদায় করা যায়।
- নামাজে হাত ছেড়ে (বুকে না বেঁধে) রাখা হয়।
- সেজদায় কপাল কারবালার মাটিতে তৈরি “তুরবা” বা মাটির পাটাতনে রাখা হয়।
আজানে পার্থক্য
সুন্নি আজান: “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ” বলার পর সরাসরি “হাইয়া ‘আলাস সালাহ” বলা হয়।
শিয়া আজান: অনেক শিয়া আজানে “হাইয়া আলা খায়রিল আমাল” (উত্তম কাজের দিকে আসো) যোগ করেন, যা সুন্নি আজানে নেই।
আশুরা পালনে পার্থক্য
সুন্নিরা আশুরার দিন (মুহাররমের ১০ তারিখ) রোজা রাখেন — কারণ এই দিনে আল্লাহ মুসা (আ.)-কে ফেরাউনের হাত থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন (হাদিস অনুযায়ী)।
শিয়ারা আশুরার দিন কারবালার শহীদদের স্মরণে শোক প্রকাশ করেন। অনেক দেশে মিছিল, মাতম ও কান্নার আয়োজন হয়।
মাজার ও কবর জিয়ারতে পার্থক্য
সুন্নি মত: সাধারণ দোয়ার উদ্দেশ্যে কবর জিয়ারত করা যায়, তবে মাজারে মান্নত করা বা কবরবাসীর কাছে সাহায্য চাওয়া নিষিদ্ধ বলে মনে করেন বেশিরভাগ সুন্নি আলেম।
শিয়া মত: ইমামদের মাজার জিয়ারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। নাজাফ, কারবালা, মাশহাদ ও সামারায় শিয়াদের প্রধান মাজার রয়েছে।
তাকিয়া (বিশ্বাস গোপন রাখা)
শিয়া মতে, বিপদ বা নিপীড়নের সময় নিজের ধর্মীয় পরিচয় গোপন রাখার অনুমতি আছে — একে “তাকিয়া” বলে।
সুন্নি মতে সাধারণত এই ধারণাটিকে অনুমোদন দেওয়া হয় না।
শিয়া ও সুন্নির মিলের দিক
উভয় সম্প্রদায়ের মৌলিক বিশ্বাস একই:
- কালিমা: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”
- কুরআন: একই পবিত্র কুরআন উভয়েই মানেন
- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
- রমজানের রোজা
- হজ ও যাকাত
- তাওহিদ (একেশ্বরবাদ), রিসালাত (নবুওয়াত) ও আখিরাত (পরকাল)-এ বিশ্বাস
বিশ্বের অধিকাংশ ধর্মতাত্ত্বিক মনে করেন, এই মৌলিক বিষয়গুলোতে মিল থাকায় উভয়ই ইসলামের অংশ।
বিশ্বে শিয়া ও সুন্নি কতজন কোথায়?
বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১৮০ কোটি মুসলিম রয়েছেন।
- সুন্নি মুসলিম: প্রায় ৮৫–৮৭% — সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান
- শিয়া মুসলিম: প্রায় ১৩–১৫% — ইরান, ইরাক, বাহরাইন, আজারবাইজান এবং লেবাননে শিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ বা উল্লেখযোগ্য সংখ্যালঘু
শিয়াদের প্রধান উপদল:
- বারো ইমামি (ইসনা আশারিয়া): সবচেয়ে বড় শিয়া দল, ইরান ও ইরাকে প্রধান
- ইসমাঈলি: আগা খানের অনুসারীরা এই দলের অংশ
- যায়দি: ইয়েমেনে প্রধান
সুন্নিদের প্রধান মাজহাব (ফিকহি মতপার্থক্য):
- হানাফি (বাংলাদেশে প্রধান)
- মালেকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি
বাংলাদেশে শিয়া ও সুন্নি প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের প্রায় ৯১% মুসলিম সুন্নি এবং তারা প্রধানত হানাফি মাজহাবের অনুসারী।
বাংলাদেশে শিয়া মুসলিমদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১–২%, যার মধ্যে বেশিরভাগ বিহারি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। ঢাকায় হোসেনি দালান ইমামবাড়া শিয়া ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যা মোগল আমলে নির্মিত।
বাংলাদেশে শিয়া-সুন্নি সম্পর্ক সাধারণত শান্তিপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের মতো তীব্র বিবাদ এখানে দেখা যায় না।
শিয়া ও সুন্নি বিরোধ কি ধর্মীয় নাকি রাজনৈতিক?
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
ঐতিহাসিক বিশ্লেষণে দেখা যায় — মূল বিভাজনটি ছিল রাজনৈতিক (কে নেতৃত্ব দেবেন)। পরে কয়েক শতাব্দীর মধ্যে তাতে ধর্মীয় ও আদর্শগত মাত্রা যোগ হয়েছে।
বর্তমানে ইরান (শিয়া)-সৌদি আরব (সুন্নি) দ্বন্দ্ব অনেকটাই ভূরাজনৈতিক আধিপত্যের লড়াই, যেখানে ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
বিশ্বের অধিকাংশ সাধারণ মুসলিম — সুন্নি বা শিয়া — শান্তিতে পাশাপাশি বাস করেন।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন
প্রশ্ন ১: শিয়া ও সুন্নি কি উভয়েই মুসলিম?
হ্যাঁ। উভয়েই এক আল্লাহ, মুহাম্মদ (সা.)-কে শেষ নবী এবং পবিত্র কুরআনকে মানেন। তারা ইসলামের মূল স্তম্ভে একমত। বেশিরভাগ মুসলিম স্কলার বলেন, মতভেদ থাকলেও উভয়ই ইসলামের বৃহত্তর পরিবারের অংশ।
প্রশ্ন ২: শিয়া শব্দের অর্থ কী?
“শিয়া” আরবি শব্দ “শিয়াতু আলি” থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো “আলির দল বা অনুসারী।” তারা মূলত বিশ্বাস করতেন যে হযরত আলি (রা.)-ই নবীর প্রকৃত উত্তরসূরি।
প্রশ্ন ৩: সুন্নি শব্দের অর্থ কী?
“সুন্নি” শব্দটি “আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ” থেকে সংক্ষিপ্ত হয়েছে, অর্থ হলো — “নবীর সুন্নাহ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের পথের অনুসারীরা।”
প্রশ্ন ৪: শিয়ারা কি আলাদা কুরআন মানে?
না। শিয়া ও সুন্নি উভয়েই একই পবিত্র কুরআন মানেন। এ বিষয়ে কোনো পার্থক্য নেই।
প্রশ্ন ৫: শিয়া ও সুন্নির মধ্যে বিয়ে কি বৈধ?
এ বিষয়ে আলেমদের মত ভিন্ন। অনেক সুন্নি আলেম বলেন, শিয়াদের কিছু আকিদা (বিশেষত চার খলিফার প্রথম তিনজনকে না মানা) ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক। তাই শিয়া-সুন্নি বিয়ের ব্যাপারে স্থানীয় আলেমের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রশ্ন ৬: কোন দেশগুলোতে শিয়া বা সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ?
শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ: ইরান, ইরাক, বাহরাইন, আজারবাইজান
সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ: সৌদি আরব, মিশর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়াসহ ৪০টিরও বেশি দেশ
প্রশ্ন ৭: শিয়া ও সুন্নির মধ্যে কি পুনর্মিলন সম্ভব?
অনেক আলেম ও চিন্তাবিদ এই বিভাজন কমানোর পক্ষে। আন্তঃধর্মীয় সংলাপে অনেক সময় উভয় পক্ষ একত্র হন। তবে মূল আকিদাগত পার্থক্যগুলো এখনো বিদ্যমান।
প্রশ্ন ৮: বাংলাদেশে শিয়া মুসলিমরা কোথায় বেশি?
বাংলাদেশে শিয়া মুসলিমরা মূলত ঢাকায় কেন্দ্রীভূত। ঢাকার হোসেনি দালান ও আশপাশের এলাকায় শিয়া সম্প্রদায়ের উপস্থিতি বেশি। বিহারি ক্যাম্পগুলোতেও শিয়া মুসলিমদের উপস্থিতি আছে।
শিয়া-সুন্নি বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখুন:
- ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সর্বদা বিশ্বস্ত ও যোগ্য আলেমের পরামর্শ নিন।
- সোশ্যাল মিডিয়ায় শিয়া-সুন্নি সংক্রান্ত উত্তেজক কনটেন্ট শেয়ার করার আগে যাচাই করুন।
- ঐতিহাসিক পার্থক্য জানুন, কিন্তু সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকুন।
- ইসলামের মূল শিক্ষা — তাওহিদ, রিসালাত ও আখিরাত — সবার জন্য এক।
শেষকথা
শিয়া ও সুন্নির পার্থক্য মূলত ইসলামের ইতিহাসের শুরু থেকে উদ্ভূত নেতৃত্বের প্রশ্ন থেকে। পরে এটি আকিদা, ইবাদত পদ্ধতি ও রাজনীতির বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে মূল বিশ্বাসের জায়গায় — আল্লাহর একত্ব, কুরআন, নবী মুহাম্মদ (সা.) ও পরকালে বিশ্বাস — তারা এক।
বাংলাদেশের মুসলিমরা প্রধানত সুন্নি এবং শান্তিপূর্ণভাবে এই বৈচিত্র্যের মধ্যে বাস করেন। জ্ঞান ও পারস্পরিক সম্মানই এই বিষয়ে সর্বোত্তম পন্থা।
তথ্যসূত্র ও নির্ভরযোগ্য উৎস
- Pew Research Center — “Mapping the Global Muslim Population” (আপডেটেড ডেটা)
- Council on Foreign Relations — “The Sunni-Shia Divide”
- History.com — “Islam’s Sunni-Shia Divide, Explained” (জুন ২০২৫ আপডেট)
- Business Standard — “From Karbala to Iran: How Shia Islam has evolved” (মার্চ ২০২৬)
- বাংলাদেশে ইসলাম — উইকিপিডিয়া বাংলা
- বাংলাদেশে শিয়া ইসলাম — উইকিপিডিয়া বাংলা
- LearnReligions.com — “Key Differences Between Shia and Sunni Muslims” (মে ২০২৪)
এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ তথ্যভিত্তিক ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। ধর্মীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সর্বদা যোগ্য আলেমের পরামর্শ নিন।


