২০২৬ সালে নির্জলা একাদশী পালিত হবে ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের এই একাদশী তিথি শুরু হবে ২৪ জুন রাত ৮:০৯ মিনিটে এবং শেষ হবে ২৫ জুন রাত ৯:১৪ মিনিটে। উপবাস ভাঙা বা পারণ হবে পরদিন, ২৬ জুন শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৫:৪১ থেকে ৮:২৫-এর মধ্যে। এটি বছরের ২৪টি একাদশীর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন ও সবচেয়ে পুণ্যময় একাদশী, যা ভীমসেনী একাদশী বা পাণ্ডবা নির্জলা একাদশী নামেও পরিচিত।
নির্জলা একাদশী কী এবং কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
“নির্জলা” শব্দের অর্থ জলহীন। সাধারণত একাদশী ব্রতে অন্ন বর্জন করতে হয়, কিন্তু জল খাওয়া যায়। তবে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের এই একাদশীতে ভক্তরা সারাদিন জল পর্যন্ত স্পর্শ করেন না — অন্ন তো দূরের কথা। এই কারণেই এটি বছরের সবচেয়ে কঠিন উপবাস বলে বিবেচিত হয়।
সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, যিনি বিধি মেনে এই একটি একাদশী পালন করেন, তিনি সারা বছরের ২৪টি একাদশীর সমান পুণ্যফল লাভ করেন। তাই যারা ব্যস্ত জীবনে প্রতি মাসে দুটি একাদশী রাখতে পারেন না, তাদের জন্য এই একাদশী একরকম “শর্টকাট” হিসেবে শাস্ত্রে বর্ণিত হয়েছে।
ভীমসেনী একাদশীর পেছনের গল্প
মহাভারতের পাণ্ডবদের মধ্যে ভীম ছিলেন প্রবল ক্ষুধাসম্পন্ন মানুষ। মাতা কুন্তী, দ্রৌপদী, যুধিষ্ঠির, অর্জুন, নকুল ও সহদেব — সবাই নিয়মিত একাদশীর উপবাস পালন করতেন, কিন্তু ভীম ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে তা পারতেন না। তিনি ব্যাসদেবের কাছে গিয়ে এমন একটি উপায় জানতে চান, যাতে একটিমাত্র উপবাসেই সারা বছরের একাদশীর পুণ্য পাওয়া যায়।
ব্যাসদেব তখন তাঁকে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে সম্পূর্ণ নির্জলা থেকে উপবাস করার পরামর্শ দেন। সেদিন থেকে ভীম এই একাদশী পালন করতে শুরু করেন, এবং তাই এই তিথির নাম হয়ে যায় ভীমসেনী একাদশী বা পাণ্ডবা নির্জলা একাদশী।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুরুত্ব
বাংলাদেশে সনাতন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কাছে নির্জলা একাদশী বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, স্বামীবাগ ইসকন মন্দিরসহ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে এই দিন বিশেষ পূজা, কীর্তন ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়। জুন মাসের তীব্র গরমে সম্পূর্ণ জলহীন উপবাস শারীরিকভাবে বেশ কঠিন হয়ে ওঠে, তাই বাংলাদেশের আবহাওয়া বিবেচনায় শরীরের প্রতি সচেতন থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ — এই বিষয়ে বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
নির্জলা একাদশী ২০২৬: তারিখ ও সময়সূচি
| বিষয় | সময় |
|---|---|
| একাদশী তিথি শুরু | ২৪ জুন ২০২৬, রাত ৮:০৯ মিনিট |
| একাদশী তিথি শেষ | ২৫ জুন ২০২৬, রাত ৯:১৪ মিনিট |
| ব্রত পালনের দিন | ২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার |
| পারণ (উপবাস ভাঙার সময়) | ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, সকাল ৫:৪১ – ৮:২৫ |
| বাংলা তারিখ | ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ (আনুমানিক, পঞ্জিকাভেদে সামান্য তারতম্য হতে পারে) |
| অধিষ্ঠাত্রী দেবতা | ভগবান বিষ্ণু (ত্রিবিক্রম রূপে) |
| প্রচলিত নাম | ভীমসেনী একাদশী, পাণ্ডবা নির্জলা একাদশী |
মনে রাখবেন: স্মার্ত, গোস্বামী, নিম্বার্ক ও ইসকন সম্প্রদায়ভেদে পারণের সময়ে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। ব্রত শুরুর আগে আপনার পরিবারে অনুসৃত পঞ্জিকা বা স্থানীয় পুরোহিতের সাথে একবার সময়টা যাচাই করে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
শুভ মুহূর্তসমূহ
এই দিনে পূজা, জপ ও ধ্যানের জন্য নিচের সময়গুলো বিশেষ শুভ বলে বিবেচিত হয়:
- ব্রহ্ম মুহূর্ত: ভোর ৪:০৫ – ৪:৪৫
- অভিজিৎ মুহূর্ত: সকাল ১১:৫৬ – দুপুর ১২:৫২
- রবি যোগ: ভোর ৫:২৫ – বিকেল ৪:২৯
কারা এই ব্রত পালন করবেন, কারা সতর্ক থাকবেন
সম্পূর্ণ জলহীন উপবাস প্রত্যেকের শরীরের জন্য নিরাপদ নয়। শাস্ত্র নিজেই এই বিষয়ে নমনীয়তা দেখিয়েছে — যারা একদম জল ছাড়া থাকতে পারবেন না, তাদের জন্য ফলাহারী বা একভুক্ত উপবাসের বিকল্প রয়েছে।
বিশেষভাবে সতর্ক থাকা প্রয়োজন:
- গর্ভবতী নারী — সম্পূর্ণ নির্জলা থাকার পরিবর্তে ফল ও দুধ গ্রহণ করে উপবাস পালন করাই নিরাপদ।
- বয়স্ক ও দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি (কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ) — ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া পুরো দিন জল বর্জন না করাই ভালো।
- শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা — সাধারণত তাদের জন্য এই কঠোর উপবাস প্রযোজ্য নয়।
- জুন মাসের তীব্র গরমে যারা বাইরে কাজ করেন — হিট স্ট্রোক বা শরীরে পানিশূন্যতার ঝুঁকি এড়াতে ফলাহারী বিকল্প বেছে নেওয়া বিবেকসম্মত।
শারীরিক অসুস্থতা থাকলে ব্রত শুরুর আগে নিজের চিকিৎসকের সাথে কথা বলে নেওয়া উত্তম। ধর্ম পালনের চেয়ে শরীরের সুস্থতা অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত — এবং সনাতন ধর্মশাস্ত্রেও সামর্থ্য অনুযায়ী বিকল্প উপবাসের অনুমতি দেওয়া আছে।
নির্জলা একাদশী পালনের নিয়ম
- দশমীর দিন সতর্কতা: একাদশীর আগের দিন (দশমী তিথি) থেকেই হালকা ও সাত্ত্বিক আহার করুন। রাত ১২টার আগে খাবার সেরে ফেলুন।
- ভোরে স্নান ও সংকল্প: একাদশীর দিন ব্রাহ্মমুহূর্তে স্নান সেরে হাতে জল, চাল ও ফুল নিয়ে ব্রতের সংকল্প নিন। কোনো বিশেষ মনস্কামনা থাকলে সেটিও সংকল্পে উল্লেখ করুন।
- সম্পূর্ণ উপবাস: সূর্যোদয় থেকে পরদিন সূর্যোদয় পর্যন্ত অন্ন ও জল সম্পূর্ণ বর্জন করুন। সামর্থ্য না হলে ফল, দুধ বা সাবু দিয়ে উপবাস পালন করা যায়।
- বিষ্ণু পূজা: দিনের যেকোনো শুভ মুহূর্তে বিষ্ণু মূর্তি বা শালগ্রাম শিলায় পঞ্চামৃত স্নান করিয়ে ফুল, ধূপ, প্রদীপ দিয়ে আরতি করুন।
- জপ-কীর্তন ও রাত্রি জাগরণ: সারাদিন ভজন-কীর্তনে মনোনিবেশ করুন। সম্ভব হলে রাতে জেগে বিষ্ণু স্তব পাঠ করুন।
- দান-ধর্ম: এই দিনে বস্ত্র, খাদ্যশস্য, ছাতা, হাতপাখা, জলভরা কলসি দান করার বিশেষ রীতি প্রচলিত আছে।
- পরদিন পারণ: দ্বাদশী তিথিতে নির্ধারিত শুভ সময়ের মধ্যে স্নান সেরে প্রথমে তুলসী পাতা ও জল মুখে দিয়ে উপবাস ভাঙুন, তারপর হালকা আহার করুন।
কী খাবেন, কী খাবেন না
| গ্রহণযোগ্য | বর্জনীয় |
|---|---|
| ফল ও ফলের রস (পূর্ণ নির্জলা না থাকলে) | চাল, ডাল, গম, ভুট্টা |
| দুধ ও দুধজাত খাবার | পেঁয়াজ, রসুন |
| সাবু, বাদাম | মসুর/অন্য ডালজাত খাবার |
| তুলসী পাতা মেশানো জল (পারণের সময়) | চা, কফি, নেশাজাতীয় পানীয় |
| প্রসাদী ফলমূল | আমিষ ও তামসিক খাবার |
তুলসী সতর্কতা: একাদশীর দিন ভুলেও তুলসী গাছ থেকে পাতা ছেঁড়া উচিত নয়। পূজার জন্য প্রয়োজনীয় তুলসী পাতা আগের দিনই সংগ্রহ করে রাখুন।
একাদশী উপবাসের ধরন: নির্জলা বনাম অন্যান্য পদ্ধতি
সবাই যে সম্পূর্ণ নির্জলা থাকতে পারবেন, তা নয়। শাস্ত্রে সামর্থ্য অনুযায়ী চার ধরনের উপবাসের কথা বলা আছে:
| উপবাসের ধরন | নিয়ম | কাদের জন্য উপযোগী |
|---|---|---|
| নির্জলা | সারাদিন অন্ন ও জল সম্পূর্ণ বর্জন | শারীরিকভাবে সুস্থ, অভ্যস্ত ব্যক্তি |
| ক্ষীরভোজী | শুধু দুধ ও দুধজাত খাবার | মাঝারি সামর্থ্যবান ব্যক্তি |
| ফলাহারী | শুধু ফল, বাদাম, ফলের রস | বয়স্ক, অসুস্থ বা গর্ভবতী নারী |
| একভুক্ত | দিনে একবার একাদশী-সম্মত খাবার | যারা সম্পূর্ণ উপবাস করতে অপারগ |
সাধারণ যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
- আগের রাতে বেশি ভারী খাবার খাওয়া — এতে শরীরে অস্বস্তি হয় এবং উপবাস পালন কঠিন হয়ে পড়ে।
- পারণের সময় মিস করা — নির্ধারিত শুভ সময়ের পরে উপবাস ভাঙলে ব্রতের পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না বলে মনে করা হয়। আগের রাতেই অ্যালার্ম সেট করে রাখুন।
- অতিরিক্ত শারীরিক ঝুঁকি নেওয়া — অসুস্থ অবস্থায় বা প্রচণ্ড গরমে জোর করে সম্পূর্ণ নির্জলা থাকা উচিত নয়; বিকল্প উপবাসকে লজ্জার কিছু মনে করার প্রয়োজন নেই।
- তুলসী পাতা ছেঁড়া — একাদশীর দিন তুলসী গাছ থেকে পাতা সংগ্রহ না করে আগের দিনই তা করে রাখা উচিত।
- পারণের পর হঠাৎ ভারী খাবার খাওয়া — দীর্ঘ উপবাসের পর প্রথমে হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ভালো।
পিপল অলসো আস্ক
নির্জলা একাদশীতে কি একদমই জল খাওয়া যায় না? শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী নির্জলা একাদশীতে সম্পূর্ণ দিনের জন্য জল বর্জন করার কথা বলা হয়েছে। তবে শারীরিক অসুস্থতা থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য জল গ্রহণ করা যায়; ধর্মে শরীরকে অবহেলা করার নির্দেশ নেই।
নির্জলা একাদশী আর সাধারণ একাদশীর পার্থক্য কী? সাধারণ একাদশীতে অন্ন বর্জন করতে হয় কিন্তু জল খাওয়া যায়। নির্জলা একাদশীতে অন্নের পাশাপাশি জলও সম্পূর্ণ বর্জন করতে হয়, যা একে বছরের সবচেয়ে কঠিন একাদশী করে তোলে।
নির্জলা একাদশীকে ভীমসেনী একাদশী কেন বলা হয়? মহাভারতের পাণ্ডুপুত্র ভীম শুধুমাত্র এই একটি একাদশীই পালন করতেন, কারণ তিনি প্রতি মাসে দুটি একাদশী রাখতে পারতেন না। তাঁর নাম থেকেই এই একাদশীর নাম হয়েছে ভীমসেনী বা পাণ্ডবা নির্জলা একাদশী।
একটি নির্জলা একাদশী পালন করলে কি সত্যিই সারা বছরের সব একাদশীর ফল পাওয়া যায়? সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বিধি মেনে এই একাদশী পালন করলে বছরের ২৪টি একাদশীর সমান পুণ্যফল লাভ হয় — এটি শাস্ত্রীয় বিশ্বাসের বিষয়, বৈজ্ঞানিক দাবি নয়।
নির্জলা একাদশীর পারণ সময় মিস হয়ে গেলে কী করা উচিত? নির্ধারিত শুভ সময়ের মধ্যে পারণ করা সবচেয়ে উত্তম। কোনো কারণে মিস হয়ে গেলে দ্বাদশী তিথি শেষ হওয়ার আগে স্নান করে তুলসী পাতা ও জল মুখে দিয়ে উপবাস ভাঙা যায়; স্থানীয় পুরোহিতের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
গর্ভবতী নারী বা রোগীরা কি এই ব্রত পালন করতে পারবেন? সম্পূর্ণ নির্জলা থাকার পরিবর্তে তারা ফলাহারী বা ক্ষীরভোজী পদ্ধতিতে উপবাস পালন করতে পারেন। শাস্ত্রেও সামর্থ্য অনুযায়ী বিকল্প উপবাসের অনুমোদন রয়েছে।
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে নির্জলা একাদশী কবে? উত্তর: ২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার।
প্রশ্ন: নির্জলা একাদশীর পারণ কখন? উত্তর: ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, সকাল আনুমানিক ৫:৪১ থেকে ৮:২৫-এর মধ্যে। সম্প্রদায়ভেদে সময় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
প্রশ্ন: নির্জলা একাদশী কোন মাসে পড়ে? উত্তর: এটি জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে পড়ে, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডারে সাধারণত মে-জুন মাসের মধ্যে আসে।
প্রশ্ন: নির্জলা একাদশীর আরেক নাম কী? উত্তর: ভীমসেনী একাদশী এবং পাণ্ডবা নির্জলা একাদশী।
প্রশ্ন: এই দিনে কোন দেবতার পূজা করা হয়? উত্তর: ভগবান বিষ্ণুর ত্রিবিক্রম রূপের পূজা করা হয়।
প্রশ্ন: পূর্ণ নির্জলা থাকতে না পারলে কী করব? উত্তর: ফল, দুধ বা সাবু খেয়ে ফলাহারী পদ্ধতিতে উপবাস পালন করা যায়; এটি শাস্ত্রসম্মত বিকল্প।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে এই উপবাসের সময় কি ভারতের থেকে আলাদা? উত্তর: সময়ের সামান্য তফাত থাকতে পারে, তাই স্থানীয় পঞ্জিকা বা মন্দিরের পুরোহিতের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সময় যাচাই করে নেওয়া উত্তম।
প্রশ্ন: একাদশীর দিন তুলসী পাতা ছেঁড়া যায় কি? উত্তর: না, একাদশীর দিন তুলসী গাছ থেকে পাতা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। প্রয়োজনীয় পাতা আগের দিনই সংগ্রহ করে রাখা উচিত।
নির্জলা একাদশী ২০২৬ পালিত হবে ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার, জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষে। তিথি শুরু ২৪ জুন রাত ৮:০৯, শেষ ২৫ জুন রাত ৯:১৪। পারণ ২৬ জুন সকাল ৫:৪১–৮:২৫ এর মধ্যে। এটি বছরের ২৪টি একাদশীর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন উপবাস — সম্পূর্ণ দিন অন্ন ও জল বর্জন করতে হয়। মহাভারতের ভীম এই একাদশী পালন করতেন বলে এর নাম ভীমসেনী একাদশী। গর্ভবতী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা ফলাহারী বিকল্পে উপবাস পালন করতে পারেন।
এই তথ্যটি পরে দরকার হলে এখনই সেভ করে রাখুন বা পরিবারের সাথে শেয়ার করুন, যাতে কেউ ব্রতের সময় মিস না করেন। ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ একাদশী তালিকা ও পারণ সময় জানতে আমাদের সংশ্লিষ্ট গাইডটিও দেখে নিতে পারেন।
Reference / Source List
- নবযুগ পঞ্জিকা (একাদশী তিথি গণনা)
- স্থানীয় ও জাতীয় হিন্দু পঞ্জিকা প্রকাশনা
- প্রচলিত পুরাণকথা (ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ-ভিত্তিক ভীমসেন-ব্যাসসংবাদ আখ্যান)
- বিভিন্ন স্বীকৃত পঞ্জিকা ও ধর্মীয় তথ্য পোর্টালে প্রকাশিত ২০২৬ সালের একাদশী ক্যালেন্ডার
দ্রষ্টব্য: তিথি ও পারণের সময় পঞ্জিকা এবং সম্প্রদায়ভেদে (স্মার্ত, গোস্বামী, নিম্বার্ক, ইসকন) কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। ব্রত পালনের আগে নিজের পরিবারে অনুসৃত পঞ্জিকা বা স্থানীয় মন্দিরের পুরোহিতের সাথে একবার সময়টি যাচাই করে নেওয়াই সর্বোত্তম। এই লেখাটি সাধারণ তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি, এটি চিকিৎসা পরামর্শ নয় — শারীরিক অসুস্থতা থাকলে উপবাসের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”
