অধিক মাস ২০২৬ কবে?
২০২৬ সালের অধিক মাস (Adhika Masa 2026) শুরু হচ্ছে ১৭ মে ২০২৬ (রবিবার) এবং শেষ হচ্ছে ১৫ জুন ২০২৬ (সোমবার)। এটি অধিক জ্যৈষ্ঠ মাস হিসেবে পরিচিত। এই বছর জ্যৈষ্ঠ মাস দুইবার আসবে — প্রথমটি অধিক জ্যৈষ্ঠ (Adhika Jyeshtha), দ্বিতীয়টি নিজ জ্যৈষ্ঠ (Nija Jyeshtha)। অধিক মাসকে পুরুষোত্তম মাস বা মল মাস-ও বলা হয়।
অধিক মাস কী?
হিন্দু পঞ্জিকা চাঁদের গতির উপর নির্ভর করে। একটি চান্দ্র বছরে ৩৫৪ দিন থাকে, কিন্তু সৌর বছরে থাকে ৩৬৫ দিন। প্রতি বছর প্রায় ১১ দিনের এই ফাঁক তৈরি হয়, এবং প্রায় ৩২–৩৩ মাস পর এই পার্থক্য একটি পূর্ণ চান্দ্রমাস (২৯–৩০ দিন) হয়ে যায়।
এই হিসাব ঠিক রাখতে হিন্দু পঞ্জিকায় একটি বাড়তি মাস যোগ করা হয় — এটিই অধিক মাস বা Adhika Masa।
সহজ করে বলতে গেলে: যখন কোনো চান্দ্রমাসে সূর্য রাশি পরিবর্তন করে না (অর্থাৎ কোনো সংক্রান্তি পড়ে না), সেই মাসকে অধিক মাস বলে গণ্য করা হয়।
২০২৬ সালের অধিক মাস — সম্পূর্ণ তারিখ ও পঞ্জিকা
| বিষয় | তারিখ |
|---|---|
| অধিক মাস শুরু | ১৭ মে ২০২৬ (রবিবার) |
| অধিক মাস শেষ | ১৫ জুন ২০২৬ (সোমবার) |
| অধিক জ্যৈষ্ঠ কৃষ্ণপক্ষ শুরু | ১৭ মে ২০২৬ |
| অধিক পূর্ণিমা (পুরুষোত্তম পূর্ণিমা) | ৩১ মে ২০২৬ (শনিবার ব্রত) / ১ জুন ২০২৬ (স্নান-দান) |
| অধিক অমাবস্যা | ১৫ জুন ২০২৬ (সোমবার) |
| নিজ জ্যৈষ্ঠ মাস শুরু | ১৬ জুন ২০২৬ |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: উত্তর ভারত, গুজরাত, মারাঠি, কন্নড় ও তেলেগু পঞ্জিকা অনুযায়ী অধিক মাসের তারিখ একই — ১৭ মে থেকে ১৫ জুন। তবে বাংলাদেশে এবং পশ্চিমবঙ্গে সৌরপঞ্জিকা (Solar Calendar) অনুসরণ করা হয়, তাই এখানে অধিক মাসের ধারণা হিন্দু চান্দ্রপঞ্জিকার মতো প্রযোজ্য নয়। তবে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় যাঁরা বৈদিক পঞ্জিকা মেনে চলেন, তাঁরা এই তারিখ অনুসরণ করেন।
অধিক মাস কেন হয়? — জ্যোতির্বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
হিন্দু পঞ্জিকা মূলত চান্দ্র-সৌর (Lunisolar) পদ্ধতিতে চলে। এর গাণিতিক কারণটি বোঝা সহজ:
- সৌর বছর: প্রায় ৩৬৫.২৫ দিন
- চান্দ্র বছর (১২ মাস): প্রায় ৩৫৪ দিন
- বার্ষিক পার্থক্য: প্রায় ১১ দিন
- ৩২–৩৩ মাসে জমা পার্থক্য: প্রায় ২৯–৩০ দিন (এক পূর্ণ মাসের সমান)
এই পার্থক্য পূরণ করতেই প্রতি প্রায় ৩ বছরে একবার (সঠিকভাবে বলতে গেলে ৩২.৫ মাসে একবার) একটি অতিরিক্ত মাস যোগ হয়। এটি না করলে উৎসব ও ঋতু ধীরে ধীরে পিছিয়ে যেত, যেমনটা হয় ইসলামিক হিজরি ক্যালেন্ডারে।
অধিক মাসের ধর্মীয় তাৎপর্য ও পৌরাণিক কাহিনি
পুরুষোত্তম মাসের গল্প — পদ্ম পুরাণ অনুযায়ী
পদ্ম পুরাণে বর্ণিত আছে, হিন্দু পঞ্জিকার বারোটি নিয়মিত মাসের প্রত্যেকটির একজন করে অধিষ্ঠাতা দেবতা ছিলেন। কিন্তু এই বাড়তি মাসটির কোনো দেবতা ছিল না। মানুষ একে “মল মাস” বা “অপবিত্র মাস” বলত এবং শুভকাজ থেকে বিরত থাকত।
দুঃখিত সেই অধিক মাস ভগবান বিষ্ণুর কাছে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল — “হে প্রভু, অন্য সব মাসের দেবতা আছে, আমি একা অনাথ।” তখন দয়ার সাগর বিষ্ণু সেই মাসকে আপন করে নিলেন এবং বললেন, “আজ থেকে তুমি আমার মাস — পুরুষোত্তম মাস।” তিনি আশীর্বাদ করলেন যে, এই মাসে যে কোনো পুণ্যকর্ম হাজার গুণ বেশি ফল দেবে।
এই কারণেই অধিক মাসকে পুরুষোত্তম মাস বলা হয়।
২০২৬ সালে কেন বিশেষ?
২০২৬ সালের অধিক মাস আরও বিশেষ কারণে উল্লেখযোগ্য। এই বছর জ্যৈষ্ঠ মাস দুইবার আসছে — এটি বেশ বিরল ঘটনা।
- প্রথম জ্যৈষ্ঠ: অধিক জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে – ১৫ জুন) — আধ্যাত্মিক সাধনার সময়
- দ্বিতীয় জ্যৈষ্ঠ: নিজ জ্যৈষ্ঠ (১৬ জুন থেকে) — স্বাভাবিক উৎসবের মাস
এছাড়াও, ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে অধিক অমাবস্যায় শনিচরী অমাবস্যার মহাসংযোগ তৈরি হচ্ছে। এই ধরনের বিরল মিলন দশকে একবারও হয় না।
২০২৬–২৭ হিন্দু সংবৎ বছরটি পরাভব নাম সম্বৎসর নামে পরিচিত।
অধিক মাসে কী করবেন?
অধিক মাসকে আধ্যাত্মিক উন্নতির সেরা সুযোগ মনে করা হয়। এই সময়ে নিচের কাজগুলো বিশেষভাবে ফলদায়ক বলে বিশ্বাস করা হয়:
নিয়মিত অনুশীলন:
- প্রতিদিন ব্রহ্মমুহূর্তে (ভোর ৪–৬টা) ঘুম থেকে উঠুন
- স্নানের পর রাধাকৃষ্ণ বা লক্ষ্মী-নারায়ণের পূজা করুন
- বিষ্ণু সহস্রনাম, ভগবত গীতা বা বিষ্ণু পুরাণ পাঠ করুন
- প্রতিদিন তুলসী গাছে প্রদীপ জ্বালান
বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান:
- পুরুষোত্তম মাস পূজা (রাধাকৃষ্ণ প্রতিমা স্থাপন)
- শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ
- সত্যনারায়ণ কথা — বিশেষত দুটি একাদশী ও পূর্ণিমায়
- মন্ত্র জপ (ওম নমো ভগবতে বাসুদেবায়)
দান-ধ্যান:
- খাদ্য, বস্ত্র ও ওষুধ দান করুন
- ব্রাহ্মণকে ৩৩টি মালপোয়া (মিষ্টি পিঠা) কাঁসার পাত্রে দিন — এটি পরিবারের সমৃদ্ধি আনে বলে মনে করা হয়
- মন্দিরে ৩৩টি প্রদীপ জ্বালান
পুরুষোত্তম পূর্ণিমায় (৩১ মে):
- সত্যনারায়ণ পূজা করুন
- পবিত্র নদীতে বা পুকুরে স্নান করুন
- দান করুন
অধিক মাসে কী করবেন না?
এই মাসটি বাহ্যিক উৎসবের জন্য নয়, বরং আধ্যাত্মিক সাধনার জন্য। তাই নিচের কাজগুলো এড়িয়ে চলা উচিত:
- বিবাহ, বিবাহ-সম্পর্কিত কোনো অনুষ্ঠান করবেন না — ১৫ জুনের পরে করুন
- গৃহপ্রবেশ (হাউসওয়ার্মিং) এড়িয়ে চলুন
- নামকরণ, অন্নপ্রাশন বা মুন্ডন অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিন
- নতুন ব্যবসা শুরু বা বড় বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকুন
- বিলাসিতা ও আমোদ-প্রমোদ কমিয়ে আনুন
- মাংস, মদ ও তামসিক খাবার পরিহার করুন
শাস্ত্র অনুযায়ী, এই মাসে বস্তুগত লক্ষ্যের কর্ম (ফলাকাম) নিষিদ্ধ। পরিবর্তে নিষ্কাম কর্ম — অর্থাৎ ফলের আশা ছাড়া সেবা করুন।
অধিক মাসের গুরুত্বপূর্ণ তিথি ও ব্রত — ২০২৬
| তিথি | তারিখ | গুরুত্ব |
|---|---|---|
| অধিক জ্যৈষ্ঠ শুরু | ১৭ মে ২০২৬ | কৃষ্ণপক্ষ প্রতিপদ |
| বিনায়কী চতুর্থী | ২০ মে ২০২৬ | গণেশ পূজার শুভ তিথি |
| গঙ্গা দশহরা | ২৬ মে ২০২৬ | গঙ্গাস্নান ও দান |
| কমলা একাদশী | ২৭ মে ২০২৬ | বিষ্ণু উপাসনার একাদশী |
| প্রদোষ ব্রত | ২৮ মে ২০২৬ | শিব পূজা |
| অধিক পূর্ণিমা ব্রত | ৩০ মে ২০২৬ (শনি) | সত্যনারায়ণ পূজা |
| পুরুষোত্তম পূর্ণিমা স্নান-দান | ৩১ মে ২০২৬ (রবি) | সবচেয়ে পুণ্যের দিন |
| শনিচরী অমাবস্যা | ১৫ জুন ২০২৬ (সোম) | বিরল মহাসংযোগ |
বাংলাদেশে অধিক মাসের প্রসঙ্গ
বাংলাদেশে বাংলা পঞ্জিকা মূলত সৌর (Solar) হওয়ায় এখানে অধিক মাসের প্রচলন নেই। বাংলাদেশের বাংলা পঞ্জিকা ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমি কর্তৃক সংস্কার করা হয়েছে এবং এটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তবে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় যাঁরা বৈদিক বা হিন্দু চান্দ্রপঞ্জিকা মেনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করেন, তাঁরা এই অধিক মাসকে অনুসরণ করেন। বিশেষত মন্দির-কেন্দ্রিক পূজা, একাদশী ব্রত এবং বিশেষ ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে এই মাসের তাৎপর্য রয়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ওড়িশা ও কেরালায় সৌরপঞ্জিকা অনুসরণ করা হয়, তাই সেখানেও এই মাস সেভাবে পালিত হয় না। কিন্তু উত্তর ভারত, গুজরাত, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও তেলেগু অঞ্চলে এটি বিশেষভাবে পালিত হয়।
অধিক মাসে উৎসবে কী পরিবর্তন আসে?
অধিক মাস যোগ হওয়ায় ২০২৬ সালে বেশ কিছু হিন্দু উৎসব প্রায় এক মাস পিছিয়ে যাবে:
- নাগ পঞ্চমী
- রক্ষাবন্ধন
- কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী
- অন্যান্য শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসের উৎসব
উৎসব-প্রিয় মানুষদের জন্য এটি মনে রাখা জরুরি, কারণ প্রতি বছরের তারিখের সাথে মেলানো ঠিক হবে না।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর
১. অধিক মাস ২০২৬ কবে শুরু ও শেষ হবে?
২০২৬ সালের অধিক মাস শুরু হবে ১৭ মে ২০২৬ (রবিবার) এবং শেষ হবে ১৫ জুন ২০২৬ (সোমবার)।
২. অধিক মাস ও পুরুষোত্তম মাসের মধ্যে পার্থক্য কী?
পার্থক্য নেই — এগুলো একই মাসের ভিন্ন নাম। “অধিক মাস” জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক নাম, “মল মাস” প্রাচীন লৌকিক নাম, আর “পুরুষোত্তম মাস” ভগবান বিষ্ণু কর্তৃক দেওয়া ধর্মীয় নাম।
৩. অধিক মাস কত বছর পর পর আসে?
অধিক মাস সাধারণত প্রায় ৩২–৩৩ মাস (প্রায় ২.৫ থেকে ৩ বছর) পর পর আসে। ঠিক প্রতি ৩ বছরে নয়, কারণ সূর্য ও চাঁদের গতির পার্থক্যের কারণে এটি ২৮তম থেকে ৩৬তম মাসের মধ্যে যেকোনো সময় পড়তে পারে।
৪. বাংলাদেশে কি অধিক মাস পালিত হয়?
বাংলাদেশের বাংলা পঞ্জিকা সৌর (Solar) ক্যালেন্ডার, তাই সরকারিভাবে এখানে অধিক মাস নেই। তবে বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাঁরা হিন্দু চান্দ্রপঞ্জিকা মেনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করেন, তাঁরা এই মাসটি পালন করেন।
৫. ২০২৬ সালে অধিক মাস কোন মাসে পড়েছে?
২০২৬ সালে অধিক মাস জ্যৈষ্ঠ মাসে পড়েছে। তাই এটিকে অধিক জ্যৈষ্ঠ মাস বলা হচ্ছে।
৬. অধিক মাসে কি বিবাহ করা যায়?
না। অধিক মাসে বিবাহ, গৃহপ্রবেশ, নামকরণ ও অন্যান্য মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান করা শাস্ত্রীয় দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ। এই অনুষ্ঠানগুলো ১৫ জুনের পরে করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
৭. অধিক মাসের সবচেয়ে পুণ্যের দিন কোনটি?
অধিক পূর্ণিমা বা পুরুষোত্তম পূর্ণিমা (৩১ মে ২০২৬) এই মাসের সবচেয়ে পুণ্যের দিন। শাস্ত্র অনুযায়ী এই দিনে জপ, তপ বা সত্যনারায়ণ পূজা করলে তিন বছরের পাপ ধুয়ে যায় এবং হাজার গুণ পুণ্য অর্জিত হয়।
৮. অধিক মাসে কি মন্দিরে যাওয়া উচিত?
হ্যাঁ, অবশ্যই। বিষ্ণু ও কৃষ্ণ মন্দিরে নিয়মিত দর্শন এই মাসে বিশেষভাবে ফলপ্রসূ বলে মনে করা হয়। মন্দিরে বিশেষ সেবা, কীর্তন ও অখণ্ড হরিনাম অনুষ্ঠিত হয়।
৯. শনিচরী অমাবস্যা ২০২৬ কবে?
১৫ জুন ২০২৬ (সোমবার) অধিক অমাবস্যায় শনিচরী অমাবস্যার বিরল মহাসংযোগ তৈরি হবে। এই ধরনের সংযোগ কয়েক দশকে একবার হয়।
১০. পরবর্তী অধিক মাস কবে?
২০২৬ সালের পরে পরবর্তী অধিক মাস আসবে ২০২৮ বা ২০২৯ সালে, হিন্দু পঞ্জিকার সূর্য-চাঁদের গতির উপর নির্ভর করে।
অধিক মাসের ইতিহাস ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি
অধিক মাসের ধারণা হাজার বছর ধরে হিন্দু জ্যোতির্বিজ্ঞানে (Vedic Jyotish) প্রতিষ্ঠিত। এটি কোনো কুসংস্কার নয় — বরং এটি একটি পরিশীলিত গণনা পদ্ধতি যা আধুনিক বিজ্ঞানেও স্বীকৃত।
এই একই পদ্ধতিতে চীনা ক্যালেন্ডার ও হিব্রু ক্যালেন্ডারেও অতিরিক্ত মাস যোগ করা হয়। পার্থক্য শুধু নামে ও ধর্মীয় অনুশীলনে।
অধিক মাসের পূর্ণ নাম নির্ধারণ হয় পরের নিয়মিত মাসের নামে। যেহেতু পরের মাসটি জ্যৈষ্ঠ, তাই এই অধিক মাসের নাম অধিক জ্যৈষ্ঠ।
শেষকথা
অধিক মাস ২০২৬ শুধু একটি ক্যালেন্ডারের অতিরিক্ত মাস নয় — এটি একটি বিরল আধ্যাত্মিক সুযোগ যা প্রতি তিন বছরে একবার আসে। ১৭ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত এই ৩০ দিন যদি সঠিকভাবে ধর্মীয় অনুশীলন, দান, ধ্যান ও সেবায় কাটানো যায়, তাহলে শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তার ফল বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য এই সময়টি বিশেষভাবে মূল্যবান। বড় বড় মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিয়ে এই মাসটিকে আত্মশুদ্ধি, ভক্তি ও পরিবারের কল্যাণের জন্য উৎসর্গ করুন।
তথ্যসূত্র ও যাচাইকৃত উৎস
- HinduPad.com — Adhik Maas 2026 তারিখ ও পঞ্জিকা বিবরণ
- India TV News — Adhik Maas 2026 Significance & Dos and Don’ts (প্রকাশ: এপ্রিল ২০২৬)
- HinduTone.com — Adhik Maas 2026 Dates & Purushottam Maas Rules
- Asianet News Bangla — মে ২০২৬ উৎসব তালিকা ও অধিক মাস শুরুর তারিখ
- DharmaRenaissance Blog — Adhik Maas 2026 astronomical explanation
- বাংলা উইকিপিডিয়া — হিন্দু পঞ্জিকা ও অধিক মাসের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
- SmartPuja.com — Adhik Maas Purnima 2026 Rituals
এই আর্টিকেলটি ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যগত পঞ্জিকা-তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। তিথি-সময় স্থানীয় সূর্যোদয় ও চাঁদের অবস্থানের উপর কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। নিশ্চিত তারিখের জন্য স্থানীয় পঞ্জিকা বা মন্দিরের পুরোহিতের পরামর্শ নিন।
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”


