হজ ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ২৫ মে ২০২৬ (৮ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি) এবং শেষ হবে ৩০ মে ২০২৬ (১৩ জিলহজ) পর্যন্ত।
- ইয়াওমুল আরাফাহ (আরাফাতের দিন): ২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার
- ঈদুল আজহা: ২৭ মে ২০২৬, বুধবার
- হজ সমাপ্তি: ৩০ মে ২০২৬
সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের চাঁদ দেখা কমিটি ১৭ মে ২০২৬ তারিখে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার নিশ্চয়তা দেয়। ফলে ১৮ মে ২০২৬ থেকে জিলহজ মাস শুরু হয় এবং হজের তারিখ চূড়ান্ত হয়।
হজ কী এবং কেন এটি প্রতিটি মুসলিমের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ?
হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। প্রতিটি সামর্থ্যবান ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের জন্য জীবনে একবার হজ পালন করা ফরজ।
হজ শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়। এটি আত্মশুদ্ধি, ক্ষমা প্রার্থনা এবং কোটি কোটি মুসলিমের ঐক্যের প্রতীক। হজরত ইব্রাহিম (আ.), তাঁর স্ত্রী হাজেরা এবং পুত্র ইসমাইল (আ.)-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই পালিত হয় এই মহাযাত্রা।
২০২৬ সালে বিশ্বের প্রায় ১৮ লাখেরও বেশি হজযাত্রী মক্কার পবিত্র ভূমিতে একত্রিত হয়েছেন।
হজ ২০২৬: দিনভিত্তিক সময়সূচি ও আচার-অনুষ্ঠান
হজ মূলত পাঁচ দিনের কার্যক্রম। প্রতিটি দিনের আলাদা গুরুত্ব এবং নির্দিষ্ট ইবাদত রয়েছে।
দিন ১ — ৮ জিলহজ (২৫ মে): ইয়াওমুত তারওয়িয়াহ
- মিকাত থেকে ইহরাম বেঁধে তালবিয়াহ পাঠ শুরু
- মক্কা থেকে মিনায় রওনা (প্রায় ৮ কিমি দূরে)
- মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়
- রাত মিনায় কাটানো, প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি
দিন ২ — ৯ জিলহজ (২৬ মে): ইয়াওমুল আরাফাহ — হজের কেন্দ্রবিন্দু
এই দিনটি হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “আল-হাজ্জু আরাফাহ” — অর্থাৎ হজ হলো আরাফাত।
- ফজরের পর মিনা থেকে আরাফাতের ময়দানে যাত্রা
- দুপুর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান ও দোয়া
- নিমরা মসজিদে খুতবা এবং জোহর ও আসর একসাথে আদায়
- সূর্যাস্তের পর মুজদালিফায় গমন
- মুজদালিফায় রাতযাপন, কঙ্কর সংগ্রহ
দিন ৩ — ১০ জিলহজ (২৭ মে): ঈদুল আজহা ও প্রধান আচার
- ফজরের পর মুজদালিফা থেকে মিনায় প্রত্যাবর্তন
- জামারাতুল আকাবায় ৭টি কঙ্কর নিক্ষেপ (শয়তানকে পাথর মারা)
- পশু কোরবানি
- মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা (হালক বা তাকসির) — ইহরাম থেকে আংশিক মুক্তি
- মক্কায় গিয়ে তাওয়াফুল ইফাদা ও সাঈ সম্পন্ন
দিন ৪ ও ৫ — ১১–১২ জিলহজ (২৮–২৯ মে): আইয়ামুত তাশরিক
- মিনায় অবস্থান
- তিনটি জামারাতে প্রতিদিন কঙ্কর নিক্ষেপ (২১টি করে)
- যারা তাড়াতাড়ি চলে যেতে চান, তারা ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করতে পারেন
হজের সমাপ্তি: তাওয়াফুল বিদা (বিদায়ী তাওয়াফ)
মক্কা ত্যাগের আগে কাবাকে সাতবার প্রদক্ষিণ করে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করতে হয়। এটি হজের সর্বশেষ ফরজ।
বাংলাদেশ থেকে হজ ২০২৬
বাংলাদেশের হজ কোটা ২০২৬
সৌদি সরকারের বরাদ্দ অনুযায়ী ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮,৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১৬ নভেম্বর ২০২৫-এর বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নিবন্ধিত হজযাত্রীরা সরকারি হজ পোর্টাল hajj.gov.bd-তে পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে তাদের তথ্য যাচাই করতে পারবেন।
হজ কল সেন্টার: ১৬১৩৬
হজ ২০২৬: সরকারি প্যাকেজ ও খরচ
বাংলাদেশ সরকার ২০২৬ সালের জন্য তিনটি সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে এ বছর খরচ কিছুটা কমানো হয়েছে।
সরকারি হজ প্যাকেজ ২০২৬
| প্যাকেজ | মক্কায় হোটেলের দূরত্ব | আনুমানিক খরচ |
|---|---|---|
| প্যাকেজ-১ (বিশেষ) | হারাম শরীফ থেকে ৭০০ মিটারের মধ্যে | ৬,৯০,৫৯৭ টাকা |
| প্যাকেজ-২ (স্ট্যান্ডার্ড) | হারাম থেকে ১.২–১.৮ কিমি | ৫,৫৮,৮৮১ টাকা |
| প্যাকেজ-৩ (সর্বনিম্ন) | আজিজিয়া এলাকায় আবাসন (৩ কিমি+) | ৪,৬৭,১৬৭ টাকা |
গুরুত্বপূর্ণ নোট: প্রাথমিক নিবন্ধনের ৩,৫০,০০০ টাকা এবং প্রাক-নিবন্ধনের ২৯,০০০ টাকা এই প্যাকেজ মূল্যের সাথে সমন্বয় করা হবে।
সৌদি আরবে অবস্থানকাল:
- সাধারণ প্যাকেজ: ৩৫–৪৭ দিন
- শর্ট প্যাকেজ: ২২–৩০ দিন
বেসরকারি (প্রাইভেট) হজ প্যাকেজ ২০২৬
বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে হজ করতে চাইলে প্যাকেজের ধরনভেদে খরচ আলাদা হয়:
- ইকোনমি প্যাকেজ: ৫,২০,০০০ – ৬,০০,০০০+ টাকা
- স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ: ৬,০০,০০০ – ৮,০০,০০০+ টাকা
- ভিআইপি/প্রিমিয়াম প্যাকেজ: ১০,০০,০০০ – ১৫,৫০,০০০+ টাকা
হজ ২০২৬ নিবন্ধন
ধাপ ১: প্রাক-নিবন্ধন (Pre-Registration)
প্রাক-নিবন্ধন হলো হজে যাওয়ার প্রথম ও বাধ্যতামূলক ধাপ।
সরকারি প্রাক-নিবন্ধন ফি: ৩০,০০০ টাকা (জনপ্রতি)
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) — উভয় পাশের স্ক্যান কপি
- বৈধ পাসপোর্টের রঙিন স্ক্যান কপি
- সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
- মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা
- পেশার তথ্য ও স্ত্রীর নাম (বিবাহিত হলে)
- মহরম তথ্য (মহিলাদের ক্ষেত্রে)
- শিশুদের জন্য: জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট ও অভিভাবকের তথ্য
প্রাক-নিবন্ধনের মেয়াদ: সাধারণত ২ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকে।
ধাপ ২: চূড়ান্ত নিবন্ধন ও অর্থ পরিশোধ
কোটা নিশ্চিত হওয়ার পর নির্বাচিত হজযাত্রীদের বাকি অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
ধাপ ৩: ভিসা আবেদন ও ডকুমেন্ট জমা
সৌদি আরব ২০২৬ সালের হজ ভিসা ইস্যু শুরু করেছিল ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে।
ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
- বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মেয়াদ থাকতে হবে)
- প্রাক-নিবন্ধন স্লিপ
- NID কপি
- স্বাস্থ্য সনদ ও টিকাদানের রেকর্ড (মেনিনজাইটিস ভ্যাকসিন বাধ্যতামূলক)
হজে যাওয়ার আগে যা জানা জরুরি
স্বাস্থ্য প্রস্তুতি
হজের সময় প্রচণ্ড গরম ও ভিড়ের কারণে শারীরিক সুস্থতা অত্যন্ত জরুরি।
- মেনিনজাইটিস ভ্যাকসিন: সৌদি সরকার কর্তৃক বাধ্যতামূলক
- প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সঙ্গে রাখুন
- ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ থাকলে আগে থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
- পানি পান করুন বেশি বেশি, ডিহাইড্রেশন এড়িয়ে চলুন
আর্থিক পরিকল্পনা
- প্যাকেজ মূল্যের বাইরে কেনাকাটা, খাবার ও ব্যক্তিগত খরচের জন্য আলাদা টাকা রাখুন
- সৌদি রিয়্যাল সঙ্গে নিন এবং ব্যাংক কার্ডের বিষয়ে এজেন্সি থেকে পরামর্শ নিন
আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি
- হজের নিয়ম, দোয়া ও আচার-অনুষ্ঠান আগে থেকে ভালোভাবে শিখে নিন
- বিশেষ করে আরাফাতের দোয়া, তালবিয়াহ ও তাওয়াফের নিয়ম মুখস্থ করুন
- ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিন
হজ ২০২৬: সৌদি আরবের প্রস্তুতি
সৌদি আরব ২০২৬ হজ মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু করেছিল ২০২৫ সালের জুন মাস থেকেই। এই বছর:
- হজ মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম Nusuk Masar চালু করা হয়েছে
- মক্কা ও মদিনায় হোটেল ও পরিবহন চুক্তি জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হজ অফিসগুলো থেকে তীর্থযাত্রীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে
হজের তিন ধরন: কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত?
হজ তিনভাবে পালন করা যায়:
১. হজে তামাত্তু (সবচেয়ে প্রচলিত) প্রথমে উমরাহ করে ইহরাম খুলুন, তারপর নতুনভাবে ইহরাম বেঁধে হজ করুন। বাংলাদেশিদের মধ্যে এই পদ্ধতি সবচেয়ে জনপ্রিয়।
২. হজে ইফরাদ শুধু হজের নিয়তে ইহরাম বাঁধুন এবং উমরাহ ছাড়াই হজ করুন।
৩. হজে কিরান হজ ও উমরাহ উভয়ের নিয়তে একসাথে ইহরাম বাঁধুন এবং একই ইহরামে দুটি ইবাদত সম্পন্ন করুন।
হজ ও উমরাহর পার্থক্য
| বিষয় | হজ | উমরাহ |
|---|---|---|
| সময়কাল | জিলহজ মাসে নির্দিষ্ট ৫ দিন | সারা বছর যেকোনো সময় |
| বাধ্যবাধকতা | সামর্থ্যবানের জন্য ফরজ | সুন্নাহ (ঐচ্ছিক) |
| আরাফাত | বাধ্যতামূলক | নেই |
| কোরবানি | প্রযোজ্য | প্রযোজ্য নয় |
| খরচ | বেশি | তুলনামূলক কম |
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
হজ ২০২৬-এ আরাফাতের দিন কবে?
আরাফাতের দিন (ইয়াওমুল আরাফাহ) ২০২৬ সালে পড়েছে ২৬ মে ২০২৬ (মঙ্গলবার)। এই দিনে হজযাত্রীরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করেন।
বাংলাদেশ থেকে হজ করতে কত টাকা লাগবে ২০২৬ সালে?
সরকারি সর্বনিম্ন প্যাকেজ (প্যাকেজ-৩) শুরু হচ্ছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা থেকে। বিশেষ প্যাকেজ (প্যাকেজ-১) এর খরচ ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৭ টাকা। বেসরকারি প্যাকেজ সর্বোচ্চ ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
হজ ২০২৬-এর নিবন্ধন কোথায় করবো?
বাংলাদেশের সরকারি হজ পোর্টাল hajj.gov.bd-তে নিবন্ধন করতে পারবেন। যেকোনো তথ্যের জন্য হজ কল সেন্টার: ১৬১৩৬।
২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে কতজন হজে যেতে পারবেন?
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৮,৫০০ জন হজ পালন করতে পারবেন।
হজে যেতে কী কী কাগজপত্র লাগে?
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে: বৈধ পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, প্রাক-নিবন্ধন স্লিপ, পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং স্বাস্থ্য সনদ (মেনিনজাইটিস টিকার প্রমাণ সহ)।
হজ ২০২৭ কবে হবে?
২০২৭ সালে হজ হবে আনুমানিক মে ১৩-১৮, ২০২৭ তারিখে (১৪ মে আরাফাত দিবস হওয়ার সম্ভাবনা)। তবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এটি ১ দিন আগে বা পরে হতে পারে।
হজের সময় ঢাকা থেকে সৌদি আরবের ফ্লাইট কোন এয়ারলাইনে পাওয়া যায়?
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং সৌদিয়া এয়ারলাইন্স সাধারণত হজযাত্রীদের ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।
মহিলারা একা হজে যেতে পারবেন?
শরিয়াহ মতে মহিলাদের জন্য মাহরাম (স্বামী বা নিকটাত্মীয় পুরুষ) সাথে থাকা বিধান রয়েছে। তবে সৌদি সরকার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছু শর্তে মহিলাদের গ্রুপে মাহরাম ছাড়া হজের অনুমতি দিচ্ছে — বিস্তারিত জানতে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সর্বশেষ নির্দেশনা নিন।
হজে যাওয়ার প্রস্তুতি চেকলিস্ট
নথিপত্র:
- [ ] বৈধ পাসপোর্ট (৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মেয়াদ)
- [ ] হজ ভিসা
- [ ] NID কপি
- [ ] প্রাক-নিবন্ধন স্লিপ
স্বাস্থ্য:
- [ ] মেনিনজাইটিস টিকা সম্পন্ন
- [ ] প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নেওয়া
- [ ] চিকিৎসকের ছাড়পত্র (বয়স্ক ও অসুস্থদের জন্য)
আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি:
- [ ] হজের দোয়া ও নিয়মাবলি শেখা
- [ ] ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ
- [ ] ইহরামের কাপড় ও পোশাক প্রস্তুত করা
অর্থ:
- [ ] সম্পূর্ণ প্যাকেজ মূল্য পরিশোধ
- [ ] ব্যক্তিগত খরচের জন্য সৌদি রিয়্যাল প্রস্তুত
সরকারি তথ্যসূত্র ও যোগাযোগ
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: www.mora.gov.bd
- সরকারি হজ পোর্টাল: www.hajj.gov.bd
- হজ কল সেন্টার: ১৬১৩৬
- সৌদি হজ মন্ত্রণালয়: www.haj.gov.sa
- নুসুক পোর্টাল (সৌদি): www.nusuk.sa
শেষকথা
হজ শুধু একটি ভ্রমণ নয় — এটি একটি জীবন পরিবর্তনকারী আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা। ২০২৬ সালে হজের সুযোগ পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পরিকল্পনা করছেন — যে অবস্থাতেই থাকুন, এখনই প্রস্তুতি শুরু করুন।
নিবন্ধন প্রক্রিয়া, কাগজপত্র প্রস্তুতি এবং আর্থিক পরিকল্পনা যত আগে শুরু করবেন, হজযাত্রা তত সহজ ও পরিকল্পিত হবে।
আল্লাহ সকল মুসলিমকে হজ পালনের তাওফিক দিন। আমিন।
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”


