ছেলেদের আকিকা দেওয়ার নিয়ম

ছেলেদের আকিকা দেওয়ার নিয়ম

ছেলেদের আকিকা দেওয়ার নিয়ম কী?

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ছেলে সন্তানের জন্য আকিকায় দুটি ছাগল বা ভেড়া জবাই করতে হয়। সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে আকিকা করা সবচেয়ে উত্তম। এই দিনেই শিশুর মাথার চুল কামানো হয়, চুলের সমপরিমাণ ওজনের রুপা সদকা করা হয় এবং সুন্দর নাম রাখা হয়।

আকিকা হলো একটি সুন্নতে মুআক্কাদাহ অর্থাৎ নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর দৃঢ়ভাবে অনুমোদিত সুন্নত, যা সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই পালন করা উচিত।

আকিকা কী এবং কেন দেওয়া হয়?

আকিকা (আরবি: عَقِيقَة) শব্দের অর্থ হলো কাটা বা ছেদ করা। ইসলামি পরিভাষায়, সন্তান জন্মের পর শুকরিয়া হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবাই করার নামই আকিকা।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“প্রতিটি শিশু তার আকিকার বিনিময়ে বন্ধক থাকে। জন্মের সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে (পশু) জবাই করতে হবে, তার মাথা মুণ্ডন করতে হবে এবং তার নামকরণ করতে হবে।” — সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং ১৫২২; সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৮৩৮

আকিকার মূল উদ্দেশ্যগুলো হলো:

  • নতুন সন্তানের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায়
  • সন্তানের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য দোয়া
  • গরিব-দুঃখী মানুষদের মধ্যে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া
  • সমাজে সন্তানের পরিচয় ঘোষণা করা

ছেলেদের আকিকায় কয়টি ছাগল দিতে হয়?

ছেলে সন্তানের জন্য দুটি ছাগল বা ভেড়া আকিকা করা সুন্নত।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“ছেলের জন্য দুটি সমবয়সী ছাগল এবং মেয়ের জন্য একটি ছাগল।” — সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং ১৫১৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৮৩৫; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩১৬৩

তবে একটি ছাগল দিলেও আকিকা আদায় হয়ে যাবে বলে অনেক আলেম মত দিয়েছেন। কারণ নবী করীম ﷺ তাঁর নাতি হাসান ও হুসাইন রা.-এর জন্য একটি করে দুম্বা দিয়ে আকিকা করেছিলেন।

সংক্ষেপে:

সন্তানআদর্শ সংখ্যাসর্বনিম্ন
ছেলে২টি ছাগল/ভেড়া১টি
মেয়ে১টি ছাগল/ভেড়া১টি

ছেলেদের আকিকা দেওয়ার নিয়ম

ধাপ ১: সঠিক সময় নির্ধারণ করুন

আকিকার জন্য সবচেয়ে উত্তম সময় হলো সন্তান জন্মের সপ্তম দিন। দিন গণনার নিয়ম:

  • যদি শিশু সোমবার জন্ম নেয়, তাহলে সপ্তম দিন হবে রোববার
  • যেদিন জন্ম, সেটি প্রথম দিন হিসেবে গণনা করা হয়

সপ্তম দিনে সম্ভব না হলে পরবর্তী বিকল্প সময়:

  • চতুর্দশতম দিন (জন্মের ১৪ দিনে)
  • একবিংশতম দিন (জন্মের ২১ দিনে)
  • এরপরও সম্ভব না হলে যেকোনো সময়ে করা যাবে, তবে সাবালকত্বের আগেই উত্তম

ধাপ ২: পশু নির্বাচন করুন

আকিকার পশু নির্বাচনের ক্ষেত্রে কুরবানির মতোই শর্ত প্রযোজ্য। ত্রুটিমুক্ত সুস্থ পশু হওয়া আবশ্যক।

যে পশু দিয়ে আকিকা করা যাবে:

  • ছাগল (সর্বোত্তম)
  • ভেড়া বা দুম্বা
  • গরু (একটি গরুতে ৭ জন শরিক হওয়া যাবে, তবে বেশিরভাগ আলেম ছাগলকেই উত্তম মনে করেন)
  • উট (একটি উটে ৭ জন শরিক হওয়া যাবে)

পশুর বয়স (ন্যূনতম):

  • ছাগল ও ভেড়া: ১ বছর পূর্ণ হতে হবে
  • গরু: ২ বছর পূর্ণ হতে হবে
  • উট: ৫ বছর পূর্ণ হতে হবে

যে ত্রুটি থাকলে পশু চলবে না:

  • অন্ধ, কানা বা স্পষ্ট দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া
  • এক পা খোঁড়া বা স্পষ্টভাবে হাঁটতে অক্ষম
  • কান বা লেজ কাটা
  • এত দুর্বল বা শুকনো যে হাড়ে মজ্জা নেই

ধাপ ৩: জবাইয়ের সময় নিয়ত ও দোয়া

জবাইয়ের সময় বলুন:

بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُ أَكْبَر

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার

আকিকার নিয়তে বলুন:

اللَّهُمَّ هَذِهِ عَقِيقَةُ (اسم الطفل) دَمُهَا بِدَمِهِ وَلَحْمُهَا بِلَحْمِهِ وَعَظْمُهَا بِعَظْمِهِ اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا وِقَاءً لِ(اسم الطفل) مِنَ النَّارِ

বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা হাযিহি আকিকাতু (শিশুর নাম) দামুহা বিদামিহি ওয়া লাহমুহা বিলাহমিহি ওয়া আজমুহা বিআজমিহি, আল্লাহুম্মাজআলহা ওয়িকা-আল লি (শিশুর নাম) মিনান্নার।

অর্থ: হে আল্লাহ! এটি (শিশুর নাম)-এর আকিকা। এর রক্ত তার রক্তের পরিবর্তে, এর গোশত তার গোশতের পরিবর্তে এবং এর হাড় তার হাড়ের পরিবর্তে। হে আল্লাহ! এটিকে (শিশুর নাম)-এর জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষাকারী বানিয়ে দাও।

ধাপ ৪: মাথার চুল মুণ্ডন করুন

সপ্তম দিনে শিশুর মাথার সম্পূর্ণ চুল মুণ্ডন করা সুন্নত। মাথার অর্ধেক কামানো এবং অর্ধেক রাখা মাকরুহ।

চুলের সমপরিমাণ ওজনের রুপা সদকা:

  • কামানো চুলের ওজন মেপে নিন
  • সেই ওজনের সমপরিমাণ রুপা (চাঁদি) বা তার বাজারমূল্য গরিব-মিসকিনদের দান করুন
  • বর্তমানে বাজারে রুপার দাম প্রতি ভরি আনুমানিক ১,২০০–১,৫০০ টাকা (২০২৫ সাল অনুযায়ী, বাজারদর পরিবর্তনশীল)

ধাপ ৫: সুন্দর নাম রাখুন

সপ্তম দিনেই ইসলামি নামকরণ করা সুন্নত। ছেলেদের জন্য আল্লাহর দাসত্ব বোঝানো নাম যেমন আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান ইত্যাদি সবচেয়ে পছন্দনীয়।

নবী ﷺ বলেছেন:

“আল্লাহর কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয় নাম হলো আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান।” — সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২১৩২

আকিকার মাংস বণ্টনের নিয়ম

আকিকার মাংস বণ্টনের বিষয়ে ইসলামে নমনীয়তা রয়েছে। পণ্ডিতদের মতামতের ভিত্তিতে সর্বোত্তম পদ্ধতি:

তিনভাগে ভাগ করা উত্তম:

  • এক-তৃতীয়াংশ — পরিবারের জন্য নিজে রাখুন
  • এক-তৃতীয়াংশ — আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের দিন
  • এক-তৃতীয়াংশ — গরিব-মিসকিনদের দান করুন

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

  • আকিকার মাংস কাঁচা অবস্থায়ও দেওয়া যায়, রান্না করেও দেওয়া যায়
  • হাড় না ভেঙে কাটা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়) — এটি সন্তানের সুস্বাস্থ্যের প্রতীক হিসেবে পূর্ববর্তী আলেমরা উল্লেখ করেছেন
  • গর্ভবতী মায়েরাও আকিকার মাংস খেতে পারবেন (এটি নিষিদ্ধ মর্মে কোনো বিশুদ্ধ হাদিস নেই)
  • যে ব্যক্তি আকিকা দেবেন তিনিও খেতে পারবেন

আকিকা না দিতে পারলে কী করবেন?

যদি আর্থিক সংকটের কারণে আকিকা সপ্তম দিনে সম্ভব না হয়, তাহলে:

১. সামর্থ্য হলে যেকোনো দিনে আকিকা করা যাবে

২. সাবালক হওয়ার আগে করাই উত্তম, তবে পরেও করা যায়

৩. কেউ কেউ বলেন, একজন নিজের আকিকা নিজেও দিতে পারেন — যদি বাবা-মা ছেলেবেলায় দিতে না পারেন

৪. আকিকা দিতে না পারলে গুনাহ হবে না, কারণ এটি ফরজ নয়, বরং সুন্নত

আকিকার ফজিলত ও গুরুত্ব

আকিকার কিছু উল্লেখযোগ্য ফজিলত:

  • সন্তানের মুক্তি: হাদিস অনুযায়ী প্রতিটি শিশু তার আকিকার বিনিময়ে বন্ধকরূপে থাকে — আকিকার মাধ্যমে সে “মুক্ত” হয়
  • বিপদ থেকে সুরক্ষা: আকিকা শিশুকে বিপদ ও বালামুসিবত থেকে রক্ষা করে বলে বিশ্বাস করা হয়
  • আল্লাহর নৈকট্য: পশু জবাইয়ের মাধ্যমে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় হয়
  • সামাজিক বন্ধন: গরিব ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া

বাংলাদেশে আকিকার খরচ ও বর্তমান বাজারদর

বাংলাদেশে আকিকার জন্য সাধারণত ছাগল বা খাসি ব্যবহার করা হয়। ২০২৬ সালের আনুমানিক বাজারদর:

  • একটি ছাগল/খাসি: ১২,০০০ – ২৫,০০০ টাকা (আকার ও মান অনুযায়ী)
  • ছেলের আকিকার জন্য দুটি: ২৪,০০০ – ৫০,০০০ টাকা আনুমানিক
  • গরুতে শরিক হলে: প্রতিটি শরিকের জন্য ১০,০০০ – ১৮,০০০ টাকা (এলাকা ও গরুর ধরন অনুযায়ী)

বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাজারদর পরিবর্তনশীল। স্থানীয় পশুবাজার বা বিশ্বস্ত বিক্রেতার কাছ থেকে দাম নিশ্চিত করুন।

আকিকা সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর

ছেলের আকিকায় কি একটি ছাগল দিলে হবে?

হ্যাঁ, সর্বনিম্ন একটি ছাগল দিলেও আকিকা আদায় হয়ে যাবে। তবে দুটি দেওয়া সুন্নত। অনেক হাদিসে ছেলের জন্য দুটির কথা এসেছে, তবে নবী ﷺ তাঁর নাতিদের জন্য একটি করে দিয়েছিলেন মর্মেও বর্ণনা রয়েছে। তাই একটি দিলেও আকিকা সহীহ হবে।

আকিকা কি সপ্তম দিনের পরে করা যাবে?

হ্যাঁ, সপ্তম দিন না পারলে ১৪তম, ২১তম বা যেকোনো সময়ে করা যাবে। মূল বিষয় হলো সামর্থ্য থাকলে আকিকা করা। অনেক আলেম বলেছেন, সন্তান সাবালক হওয়ার আগে যেকোনো সময় করা জায়েজ।

আকিকার গোশত কি মায়েরা খেতে পারবেন?

হ্যাঁ, আকিকার গোশত মায়েরা, গর্ভবতী নারীরা — সবাই খেতে পারবেন। এটি নিষিদ্ধ মর্মে কোনো বিশুদ্ধ দলিল নেই। এই বিষয়ে প্রচলিত ধারণাটি ভুল।

আকিকার জন্য গরু বা মহিষ দেওয়া কি জায়েজ?

হ্যাঁ, গরু বা মহিষ দিয়েও আকিকা করা জায়েজ। একটি গরু বা মহিষে সাতজন শরিক হতে পারবেন। তবে ছাগল বা ভেড়াকেই আকিকার জন্য সুন্নত পশু হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আকিকার হাড় কি ভাঙা যাবে?

হাড় না ভেঙে কাটা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)। তবে হাড় ভাঙলে আকিকা বাতিল হয় না। পূর্ববর্তী আলেমরা হাড় না ভাঙাকে সন্তানের সুস্থতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তবে এটি ফরজ বা ওয়াজিব নয়।

আকিকা না দিলে কি গুনাহ হবে?

আকিকা সুন্নতে মুআক্কাদাহ, ফরজ নয়। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও না দিলে ইহানত বা অবহেলা হবে, কিন্তু ফরজ ছাড়ার মতো কঠিন গুনাহ নয়। তবে সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই দেওয়া উচিত।

আকিকার দিন কি রোজা রাখা যাবে?

হ্যাঁ, আকিকার দিন রোজা রাখলে কোনো সমস্যা নেই। আকিকার সঙ্গে রোজার কোনো বিরোধ নেই।

জন্মের আগে কি আকিকার পশু কেনা যাবে?

হ্যাঁ, আগে থেকে পশু কিনে রাখা যাবে, তবে নিয়ত পরিষ্কার থাকতে হবে। সন্তান জন্মের পর সপ্তম দিনে আকিকার জন্য জবাই করতে হবে।

মৃত সন্তানের জন্য কি আকিকা করতে হবে?

জন্মের পর যদি শিশু কিছু সময় জীবিত থাকে এবং মারা যায়, তাহলে আকিকা করা মুস্তাহাব। তবে যদি মৃত সন্তান জন্ম নেয়, তাহলে আকিকার প্রয়োজন নেই।

আকিকার ক্ষেত্রে প্রচলিত ভুল ধারণা

বাংলাদেশে কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে যা সংশোধন করা দরকার:

ভুল ধারণা ১: “আকিকার গোশত গর্ভবতী মা খেতে পারবেন না।”

সঠিক তথ্য: এটি সম্পূর্ণ ভুল। গর্ভবতী মা খেতে পারবেন।

ভুল ধারণা ২: “আকিকার হাড় ভাঙলে সন্তান ভেঙে পড়বে।”

সঠিক তথ্য: এটি কুসংস্কার। হাড় না ভাঙা মুস্তাহাব, তবে ভাঙলে কোনো ক্ষতি নেই।

ভুল ধারণা ৩: “আকিকা শুধু ধনীদের জন্য।”

সঠিক তথ্য: একটি ছাগলও যথেষ্ট। সামর্থ্য অনুযায়ী করুন।

ভুল ধারণা ৪: “৭ দিনের পরে আর আকিকা করা যাবে না।”

সঠিক তথ্য: পরেও করা যাবে, সপ্তম দিন শুধু সবচেয়ে উত্তম।

ছেলের আকিকার জন্য কী কী করবেন

  • [ ] সপ্তম দিনের তারিখ হিসাব করুন
  • [ ] দুটি সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত ছাগল/ভেড়া সংগ্রহ করুন
  • [ ] বিসমিল্লাহ ও আকিকার দোয়া বলে জবাই করুন
  • [ ] শিশুর মাথার চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে নিন
  • [ ] চুলের ওজনের সমান রুপা বা তার মূল্য সদকা করুন
  • [ ] ইসলামি ও অর্থবহ নাম রাখুন
  • [ ] মাংস পরিবার, আত্মীয় ও গরিবদের মধ্যে ভাগ করুন

শেষ কথা

ছেলেদের আকিকা একটি পবিত্র ইসলামিক সুন্নত যা সন্তানের জীবনের শুরুতে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুন্দর উপায়। এটি পারিবারিক আনন্দ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও আধ্যাত্মিক বরকতের সমন্বয়। সামর্থ্য অনুযায়ী সঠিক নিয়মে আকিকা দেওয়ার চেষ্টা করুন এবং কোনো সন্দেহ হলে স্থানীয় বিশ্বস্ত আলেমের পরামর্শ নিন।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স:

  • সহীহ বুখারী, কিতাবুল আকিকা
  • সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং ১৫১৩, ১৫২২
  • সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৮৩৫, ২৮৩৮
  • সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩১৬৩
  • ফিকহুস সুন্নাহ — সাইয়্যেদ সাবেক
  • আল-মুগনি — ইবনে কুদামা
  • ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রকাশিত ফিকহ গ্রন্থসমূহ

এই আর্টিকেলের তথ্য কুরআন, সহীহ হাদিস ও বিশ্বস্ত ইসলামিক গ্রন্থের ভিত্তিতে তৈরি। ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার স্থানীয় আলেম বা মুফতির সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Leave a Comment

Scroll to Top