অপরা একাদশী ২০২৬ | তারিখ, পারণ সময়, ব্রত বিধি ও মাহাত্ম্য

অপরা একাদশী ২০২৬ তারিখ, পারণ সময়, ব্রত বিধি ও মাহাত্ম্য

অপরা একাদশী হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে মহিমান্বিত একাদশীগুলোর একটি। এই ব্রত পালন করলে জীবনের সমস্ত পাপ মোচন হয়, ভগবান বিষ্ণুর কৃপা লাভ হয় এবং মোক্ষের পথ উন্মুক্ত হয় — এমনটাই বলা আছে পদ্মপুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে।

২০২৬ সালে অপরা একাদশী পড়েছে বুধবার, ১৩ মে। এই বছর জ্যেষ্ঠ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে ব্রতটি পালিত হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের লক্ষ লক্ষ ভক্ত এই দিনে উপবাস রেখে ভগবান বিষ্ণু তথা ত্রিবিক্রম রূপের আরাধনা করেন।

এই আর্টিকেলে আপনি পাবেন — সঠিক তারিখ, পারণের নির্দিষ্ট সময়, ব্রত পালনের ধাপে ধাপে বিধি, কী খাবেন ও কী খাবেন না, মাহাত্ম্য এবং সচরাচর জিজ্ঞাসা।

📅 অপরা একাদশী ২০২৬ (সঠিক তারিখ ও তিথি সময়)

হিন্দু চন্দ্রপঞ্জি অনুযায়ী প্রতি বছর জ্যেষ্ঠ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে অপরা একাদশী পালিত হয়। ২০২৬ সালে তিথির সময় নিচে দেওয়া হলো:

বিবরণসময় ও তারিখ
একাদশী তিথি শুরু১২ মে ২০২৬, মঙ্গলবার বিকাল ৩:২২ টা
একাদশী তিথি শেষ১৩ মে ২০২৬, বুধবার বিকাল ১:৫৯ টা
উপবাসের দিন (স্মার্তমতে)বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ মূল ব্রত
দশমীর খাবার (আগের দিন)মঙ্গলবার, ১২ মে — দুপুরে একবার আহার
পারণ তারিখবৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
পারণ সময় (ঢাকা, ISKCON মতে)ভোর ৫:১৭ AM – সকাল ৯:৪২ AM নিশ্চিত

📌 স্মার্ত ও বৈষ্ণব মতভেদ সম্পর্কে জানুন

স্মার্ত (সাধারণ হিন্দু গৃহস্থ), গোস্বামী ও নিম্বার্ক সম্প্রদায় মূলত একই দিনে ব্রত পালন করেন। ISKCON বা বৈষ্ণব সম্প্রদায় গৌরাব্দ পঞ্জিকা অনুসারে পারণ সময় একটু আলাদা হতে পারে। নিজের সম্প্রদায় ও স্থানীয় মন্দিরের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

🌸 অপরা একাদশী কী এবং কেন এটি বিশেষ?

সংস্কৃত শব্দ “অপরা” মানে “অপ্রতিম” বা “অতুলনীয়”। এই একাদশীর আরেক নাম অচলা একাদশী। ভাগবত পুরাণ ও পদ্মপুরাণে উল্লেখ আছে যে এই একাদশীর ব্রতফল সব পুণ্যকাজের চেয়ে বেশি।

পদ্মপুরাণের একটি বিখ্যাত কথোপকথনে যুধিষ্ঠির ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞেস করেন: “হে জনার্দন! জ্যেষ্ঠ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কী?” শ্রীকৃষ্ণ উত্তর দেন যে এই একাদশীর নাম ‘অপরা’ এবং এটি অত্যন্ত পুণ্যদায়ক ও মহাপাপনাশক।

অপরা একাদশীর তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য

  • এটি ভগবান বিষ্ণুর ত্রিবিক্রম রূপের আরাধনায় উৎসর্গীকৃত — যে রূপে তিনি তিন পদক্ষেপে সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড জয় করেছিলেন।
  • এই ব্রত পালনে ব্রহ্মহত্যা, গুরুহত্যাসহ মহাপাপও বিনষ্ট হয় বলে শাস্ত্রে বর্ণিত আছে।
  • এই ব্রত জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে করা পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবেও অত্যন্ত কার্যকর বলে বিশ্বাস করা হয়।

📖 অপরা একাদশীর ব্রত কথা

শাস্ত্রে উল্লিখিত ব্রত কথা অনুসারে — এক সময় মহিধ্বজ নামক এক রাজার পুত্র ছিলেন বজ্রধ্বজ। বজ্রধ্বজ ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অধার্মিক। ঈর্ষাবশত তিনি তার বড়ো ভাই মহিধ্বজকে হত্যা করেন এবং মরদেহ একটি পিপল গাছের নীচে কবর দেন।

মহিধ্বজের আত্মা সেই গাছে প্রেতযোনিতে আটকে পড়েন। একদিন ধৌম্য নামক এক মহর্ষি ওই পথে যাচ্ছিলেন। দিব্যদৃষ্টিতে তিনি সমস্ত ঘটনা বুঝতে পারেন এবং অপরা একাদশীর ব্রত পালন করে সেই ব্রতফল মহিধ্বজের আত্মাকে সমর্পণ করেন। ফলে মহিধ্বজের আত্মা প্রেতযোনি থেকে মুক্ত হয়ে বৈকুণ্ঠে গমন করেন।

এই কথার মর্ম হলো — অপরা একাদশীর ব্রতফল কেবল নিজের জন্য নয়, পূর্বপুরুষ ও আত্মীয়স্বজনের মুক্তির জন্যও ব্যবহার করা যায়।

🛕 অপরা একাদশী ব্রত পালনের নিয়ম

ব্রতটি সঠিকভাবে পালন করতে হলে তিন দিনের একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। নিচে পুরো বিধি দেওয়া হলো:

দশমীর দিন (১২ মে, মঙ্গলবার)

  1. ১ দুপুরের আগে একবার সাত্ত্বিক আহার করুন। রাতে আর কোনো খাবার খাবেন না। পেটে শস্য বা ভারী খাবার রাখা উচিত নয়, যাতে একাদশীর দিন পেট পরিষ্কার থাকে।
  2. ২ পরের দিনের পূজার সামগ্রী গুছিয়ে রাখুন — তুলসী পাতা, ফুল, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য (ফল), চন্দন, গঙ্গাজল।

একাদশীর দিন (১৩ মে, বুধবার)

  1. ব্রহ্মমুহূর্তে উঠুন (সূর্যোদয়ের আগে)। পরিষ্কার হয়ে স্নান করুন। পরিষ্কার বা নতুন পোশাক পরুন — হলুদ বা সাদা রঙ শুভ।
  2. সংকল্প নিন — মনে মনে বা মুখে বলুন: “আমি অপরা একাদশীর ব্রত পালন করছি, হে বিষ্ণু, আপনার কৃপায় এই ব্রত সম্পন্ন হোক।”
  3. পূজার আসন তৈরি করুন — পূর্ব দিকে হলুদ কাপড় বিছিয়ে ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি বা ছবি স্থাপন করুন। তুলসী পাতা অবশ্যই দেবেন।
  4. ষোড়শ উপচারে পূজা করুন — ফুল, চন্দন, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য অর্পণ করুন। বিষ্ণু সহস্রনাম বা “ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়” মন্ত্র জপ করুন।
  5. অপরা একাদশীর ব্রত কথা পাঠ করুন বা শ্রবণ করুন। সন্ধ্যায় পুনরায় আরতি করুন।
  6. সারাদিন উপবাস রাখুন। যারা নির্জলা রাখতে পারবেন না, তারা শুধু ফল, দুধ বা ফলাহার গ্রহণ করতে পারেন। রাতে ভগবানের নাম সংকীর্তন করুন।

দ্বাদশীর দিন (১৪ মে, বৃহস্পতিবার)

  1. ১ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পারণ (উপবাস ভঙ্গ) করুন। পারণের আগে ভগবান বিষ্ণুর নাম নিন।
  2. ২ যদি সম্ভব হয়, একজন ব্রাহ্মণ বা সাধুকে প্রসাদ ও দান করুন। দান করা এই দিনে বিশেষ পুণ্যদায়ক।

⏰ পারণের সময় — ঢাকা (বাংলাদেশ)

ভোর ৫:১৭ AM — সকাল ৯:৪২ AM

১৪ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার

উৎস: Drik Panchang (ঢাকা, ISKCON মতে) · চট্টগ্রাম, সিলেটের সময় সামান্য ভিন্ন হতে পারে

🍽️ একাদশীতে কী খাবেন ও কী খাবেন না?

একাদশী ব্রতের খাদ্যবিধি সঠিকভাবে মানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে স্পষ্ট তালিকা দেওয়া হলো:

✅ খাওয়া যাবে (ফলাহার)

  • সব ধরনের তাজা ফল
  • দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য
  • শাকসবজি (আলু, কচু ইত্যাদি)
  • সাবুদানা (সাগু)
  • সিঙারার আটা (Singhara atta)
  • কুটু (Kuttu) আটা
  • মাখানা (Lotus seeds)
  • বাদাম ও শুকনো ফল
  • রক সল্ট (সৈন্ধব লবণ)

❌ খাওয়া যাবে না

  • চাল ও যেকোনো শস্যজাত খাবার
  • গম ও আটা-ময়দার খাবার
  • ডাল ও বীন জাতীয় খাবার
  • পেঁয়াজ ও রসুন
  • তামাসিক খাবার ও মাংস
  • অ্যালকোহল ও তামাক
  • সাধারণ লবণ
  • মসলাযুক্ত ভারী খাবার

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: যাঁরা শারীরিকভাবে অসুস্থ, গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক ব্যক্তি বা শিশুরা যদি কঠোর উপবাস রাখতে না পারেন, তাঁরা ফলাহার করতে পারেন। উপবাসের চেয়ে ভক্তি ও মনোযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

🌟 অপরা একাদশীর আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য

পদ্মপুরাণে শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, অপরা একাদশীর ব্রত পালন করলে যে পুণ্যফল পাওয়া যায়, তা কাশী, প্রয়াগ বা নৈমিষারণ্যের তীর্থযাত্রার চেয়েও বেশি। শাস্ত্রে যে পাপগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে উল্লেখ আছে:

  • ব্রহ্মহত্যার মতো মহাপাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  • গুরুর প্রতি কৃতঘ্নতার পাপ মোচন হয়।
  • মিথ্যাসাক্ষ্য ও ধর্মঘাতক কাজের পাপ বিনষ্ট হয়।
  • অজ্ঞাতে বা জ্ঞাতে কৃত সমস্ত পাপ ক্ষয় পায়।
  • পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি ও মুক্তি লাভ সম্ভব হয়।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ

চন্দ্রের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে পৃথিবীর উপর চাঁদের মহাকর্ষীয় প্রভাব কম থাকে। এই সময় উপবাস রাখলে পাচনতন্ত্রের উপর চাপ কম পড়ে এবং কোষের মেরামত প্রক্রিয়া (অটোফ্যাজি) সক্রিয় হয় — বলছেন কিছু গবেষক। আয়ুর্বেদেও বলা হয়েছে, মাসে দুইবার উপবাস শরীরকে বিষমুক্ত রাখে।

📆 ২০২৬ সালে অপরা একাদশীর আগে ও পরের একাদশীসমূহ

অপরা একাদশীর আগে ও পরে এই বছর দুটি গুরুত্বপূর্ণ একাদশী রয়েছে — জানা থাকলে পুরো বছরের পরিকল্পনা সহজ হবে:

একাদশীর নামতারিখ (২০২৬)পক্ষ
মোহিনী একাদশী২৭ এপ্রিল, সোমবারবৈশাখ শুক্লপক্ষ
🔸 অপরা একাদশী১৩ মে, বুধবারজ্যেষ্ঠ কৃষ্ণপক্ষ
পদ্মিনী একাদশী (অধিকমাস)২৭ মে, বুধবারজ্যেষ্ঠ শুক্লপক্ষ
নির্জলা একাদশী২৫ জুন, বৃহস্পতিবারজ্যেষ্ঠ শুক্লপক্ষ

বিশেষ তথ্য: ২০২৬ সালে অধিকমাস (পুরুষোত্তম মাস) থাকায় এ বছর পদ্মিনীপরমা একাদশী নামের দুটি বিশেষ অধিকমাসের একাদশীও পালিত হবে — যা প্রতি বছর আসে না। এগুলো অত্যন্ত দুর্লভ ও পুণ্যদায়ক।

🕉️ অপরা একাদশীতে জপ করার মন্ত্র

মূল মন্ত্র

ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে

বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করা এই দিনে বিশেষভাবে শুভ। সম্ভব হলে ১০৮ বার মূল মন্ত্র জপ করুন।

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

অপরা একাদশী ২০২৬ কত তারিখে?

অপরা একাদশী ২০২৬ সালের ১৩ মে, বুধবার পালিত হবে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি জ্যেষ্ঠ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি।

অপরা একাদশীর পারণের সময় কখন?

ঢাকার জন্য পারণের সময় হলো ১৪ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ভোর ৫:১৭ AM থেকে সকাল ৯:৪২ AM-এর মধ্যে (ISKCON মতে)। এই সময়ের মধ্যেই উপবাস ভাঙতে হবে।

অপরা একাদশীতে কোন দেবতার পূজা করতে হয়?

অপরা একাদশী ভগবান বিষ্ণুর ত্রিবিক্রম রূপ-এর জন্য উৎসর্গীকৃত। তুলসী পাতা, ফুল ও গঙ্গাজল দিয়ে বিষ্ণুপূজা করাই প্রধান বিধি।

অপরা একাদশী ও অচলা একাদশী কি একই?

হ্যাঁ। অপরা একাদশীর আরেক প্রচলিত নাম হলো অচলা একাদশী। কোনো কোনো অঞ্চলে একে জ্যেষ্ঠ কৃষ্ণ একাদশীও বলা হয়। সবকটিই একই ব্রত।

যারা রোজা রাখতে পারেন না, তারা কী করবেন?

যাঁরা স্বাস্থ্যগত কারণে সম্পূর্ণ উপবাস রাখতে পারেন না, তাঁরা ফলাহার করতে পারেন — ফল, দুধ, সাবুদানা, মাখানা ইত্যাদি। গুরুত্বপূর্ণ হলো মনের ভক্তি ও বিষ্ণু স্মরণ।

অপরা একাদশীতে চাল খাওয়া যাবে?

না। একাদশীতে চাল, গম বা যেকোনো শস্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভুল করেও কেউ চাল খেলে সে একাদশীর পাপে ভাগী হন বলে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে।

অপরা একাদশীর ব্রত কথা কোথায় পাবো?

অপরা একাদশীর ব্রত কথা পদ্মপুরাণে বিস্তারিত আছে। এছাড়াও বাংলায় বিভিন্ন একাদশী ব্রত বিষয়ক বই ও অনলাইন সাইটে পাওয়া যায়।

২০২৬ সালে কয়টি একাদশী আছে?

২০২৬ সালে অধিকমাস থাকায় মোট ২৬টি একাদশী পালিত হবে (স্বাভাবিক বছরে ২৪-২৫টি হয়)। পদ্মিনী ও পরমা নামে দুটি বিশেষ অধিকমাসের একাদশীও এ বছর অনুষ্ঠিত হবে।

শেষকথা

অপরা একাদশী শুধু একটি উপবাস নয় — এটি একটি আত্মশুদ্ধির দিন। এই দিনে ভগবান বিষ্ণুর স্মরণ, নাম জপ, সৎ আচরণ এবং দানের মাধ্যমে আমরা আমাদের মন ও আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে পারি।

বাংলাদেশে যাঁরা এই ব্রত পালন করেন, তাঁদের জন্য মনে রাখার মূল তথ্যগুলো হলো — উপবাসের দিন ১৩ মে ২০২৬, পারণ করতে হবে ১৪ মে সকাল ৯:৪২-এর আগে। পঞ্জিকা ও স্থানীয় মন্দিরের সাথে মিলিয়ে নেওয়া সবসময় বুদ্ধিমানের কাজ।

হরে কৃষ্ণ 🙏 — ভগবান বিষ্ণু সকলের কল্যাণ করুন

তথ্যসূত্র: Drik Panchang (drikpanchang.com)

· Ekadashi Barta (ekadashibarta.com)

· নবযুগ পঞ্জিকা · Prokerala.com

· 99Pandit.com · সকল সময় ঢাকা, বাংলাদেশ স্থানীয় সময় অনুযায়ী

এই আর্টিকেলের সমস্ত তথ্য বিশ্বস্ত পঞ্জিকা ও ধর্মীয় সূত্র থেকে যাচাই করা হয়েছে।

Leave a Comment

Scroll to Top