২০২৬ সালের চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ

২০২৬ সালের চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ

২০২৬ সালে মোট চারটি গ্রহণ ঘটবে — দুটি সূর্যগ্রহণ (১৭ ফেব্রুয়ারি ও ১২ আগস্ট) এবং দুটি চন্দ্রগ্রহণ (৩ মার্চ ও ২৮ আগস্ট)। এর মধ্যে মাত্র একটি গ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান — ৩ মার্চ ২০২৬-এর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ, যা বাংলাদেশ সময় (BST) বিকেল ৫টা ৫৯ মিনিটে শুরু হয় এবং রাত ৮টা ২৩ মিনিটে শেষ হয়।

২০২৬ সালের সব গ্রহণের এক নজরে তালিকা

#তারিখগ্রহণের ধরনবাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান?
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণনা
৩ মার্চ ২০২৬পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (আংশিক দৃশ্যমান)হ্যাঁ
১২ আগস্ট ২০২৬পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণনা
২৮ আগস্ট ২০২৬আংশিক চন্দ্রগ্রহণনা

৩ মার্চ ২০২৬ — বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান চন্দ্রগ্রহণ (সম্পূর্ণ সময়সূচি)

এই গ্রহণটি কেন বিশেষ?

৩ মার্চ ২০২৬-এর চন্দ্রগ্রহণটি বিশ্বের বিভিন্ন অংশে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ হিসেবে দেখা যাবে। তবে বাংলাদেশ থেকে এটি আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হিসেবে দৃশ্যমান হবে, কারণ চন্দ্রোদয়ের সময় পূর্ণগ্রাস পর্যায় শেষ হয়ে গেছে।

এই গ্রহণে চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার গভীরে প্রবেশ করবে এবং লালচে-কমলা রং ধারণ করবে — যা ব্লাড মুন (Blood Moon) নামেও পরিচিত। গ্লোবাল ম্যাগনিচিউড ১.১৪ এবং পূর্ণগ্রাসের স্থায়িত্ব ৫৭ মিনিট ২৭ সেকেন্ড।

ঢাকায় সম্পূর্ণ সময়সূচি (BST)

গ্রহণের পর্যায়সময় (বাংলাদেশ সময় / BST)
উপচ্ছায়া গ্রহণ শুরুদুপুর ২:৪৪ মিনিট
আংশিক গ্রহণ শুরুদুপুর ৩:৫০ মিনিট
পূর্ণগ্রাস শুরু (বৈশ্বিক)বিকাল ৫:০৪ মিনিট
সর্বোচ্চ পর্যায় (বৈশ্বিক)বিকাল ৫:৩৩ মিনিট
পূর্ণগ্রাস শেষ (বৈশ্বিক)সন্ধ্যা ৬:০৩ মিনিট
ঢাকায় গ্রহণ দৃশ্যমান শুরুসন্ধ্যা ৫:৫৯ মিনিট
ঢাকায় সর্বোচ্চ দৃশ্যমান মুহূর্তসন্ধ্যা ৬:০৯ মিনিট
আংশিক গ্রহণ শেষরাত ৭:১৭ মিনিট
উপচ্ছায়া গ্রহণ সম্পূর্ণ শেষরাত ৮:২৩ মিনিট

নোট: ঢাকায় মোট দৃশ্যমান গ্রহণকাল প্রায় ২ ঘণ্টা ২৩ মিনিট। উপচ্ছায়া পর্যায় খালি চোখে ততটা স্পষ্ট না হলেও, আংশিক ও পরবর্তী পর্যায়টি সহজেই দেখা যাবে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে গ্রহণের সর্বোচ্চ দৃশ্যমান সময়

শহরসর্বোচ্চ সময় (BST)
ঢাকাসন্ধ্যা ৬:০৯ মিনিট
চট্টগ্রামবিকেল ৫:৫৬ মিনিট
সিলেটবিকেল ৫:৫৪ মিনিট
রাজশাহীসন্ধ্যা ৬:০৮ মিনিট
খুলনাসন্ধ্যা ৬:০৫ মিনিট
বরিশালসন্ধ্যা ৬:০২ মিনিট
ময়মনসিংহসন্ধ্যা ৬:০০ মিনিট
রংপুরসন্ধ্যা ৬:০৫ মিনিট

তথ্যসূত্র: TimeAndDate.com ও TechZoom.tv (বাংলাদেশ সময় BST = UTC+6)

কোথা থেকে এই চন্দ্রগ্রহণটি পূর্ণভাবে দেখা যাবে?

পূর্ণগ্রাস পর্যায়টি দেখার জন্য সেরা স্থানগুলো হলো পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর আমেরিকার পশ্চিমাংশ।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ

এই গ্রহণটি কী এবং কোথায় দেখা যাবে?

এটি একটি বলয়গ্রাস (Annular) সূর্যগ্রহণ, যেখানে চাঁদ সূর্যের সামনে দিয়ে গেলেও সম্পূর্ণ ঢেকে ফেলতে পারে না — ফলে সূর্যের চারপাশে একটি উজ্জ্বল “আগুনের আংটি” (Ring of Fire) দেখা যায়।

  • তারিখ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মঙ্গলবার)
  • ধরন: বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ
  • দৃশ্যমান অঞ্চল: অ্যান্টার্কটিকা, আর্জেন্টিনা ও চিলির দক্ষিণাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকা
  • বাংলাদেশে দৃশ্যমান? না — বাংলাদেশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।
  • বলয়গ্রাসের স্থায়িত্ব: ৬ মিনিটেরও বেশি

১২ আগস্ট ২০২৬ — পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ

২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় মহাজাগতিক ঘটনা

এটি ২০২৬ সালের সবচেয়ে আলোচিত গ্রহণ। মহাকাশপ্রেমীদের কাছে এটি বছরের সেরা ঘটনা।

  • তারিখ: ১২ আগস্ট ২০২৬ (বুধবার)
  • ধরন: পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (Total Solar Eclipse)
  • সর্বোচ্চ পূর্ণগ্রাসের স্থায়িত্ব: ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড
  • গ্রহণপথের প্রস্থ: ২৯৪ কিলোমিটার
  • UTC সর্বোচ্চ সময়: বিকাল ৫:৪৭ (UTC)
  • দৃশ্যমান অঞ্চল: গ্রিনল্যান্ড → আইসল্যান্ড → উত্তর স্পেন (বিলবাও, জারাগোজা) → পর্তুগালের উত্তরাংশ
  • আংশিক গ্রহণ: ইউরোপের বেশিরভাগ অংশ, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, উত্তর আমেরিকার কিছু অংশ
  • বাংলাদেশে দৃশ্যমান? না — এই সময় বাংলাদেশে রাত থাকবে।

বিশেষ তথ্য: এটি ১৯৯৯ সালের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপের মূল ভূখণ্ড থেকে দেখা যাওয়া পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। স্পেন ও আইসল্যান্ড থেকে এটি খালি চোখে দেখার সুযোগ মিলবে।

২৮ আগস্ট ২০২৬ — আংশিক চন্দ্রগ্রহণ

  • তারিখ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ (শুক্রবার)
  • ধরন: আংশিক চন্দ্রগ্রহণ (Partial Lunar Eclipse)
  • ম্যাগনিচিউড: ০.৯৩১৯ (প্রায় পূর্ণগ্রাসের কাছাকাছি)
  • আংশিক গ্রহণের স্থায়িত্ব: ৩ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ৭ সেকেন্ড
  • দৃশ্যমান অঞ্চল: উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা
  • বাংলাদেশে দৃশ্যমান? না — বাংলাদেশ ও ভারত থেকে এটি দেখা যাবে না।

গ্রহণ কীভাবে হয়? সহজ বাংলায় বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

চন্দ্রগ্রহণ কী?

চন্দ্রগ্রহণ ঘটে যখন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে। এটি সবসময় পূর্ণিমায় ঘটে।

চন্দ্রগ্রহণ তিন ধরনের:

  • পূর্ণগ্রাস (Total Lunar Eclipse): চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর ছায়ায় (আম্বরা) ঢুকে পড়ে এবং লালচে রং ধারণ করে।
  • আংশিক (Partial Lunar Eclipse): চাঁদের একটি অংশ আম্বরায় প্রবেশ করে।
  • উপচ্ছায়া (Penumbral Lunar Eclipse): চাঁদ শুধু পৃথিবীর বাইরের ছায়ায় আসে, সামান্য ম্লান হয় মাত্র।

সূর্যগ্রহণ কী?

সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে আসে। এটি সবসময় অমাবস্যায় ঘটে।

সূর্যগ্রহণ তিন ধরনের:

  • পূর্ণগ্রাস (Total Solar Eclipse): চাঁদ সম্পূর্ণ সূর্যকে ঢেকে দেয়, দিনে রাতের মতো অন্ধকার হয়।
  • বলয়গ্রাস (Annular Solar Eclipse): চাঁদ সূর্যকে পুরো ঢাকতে পারে না, চারপাশে আগুনের রিং দেখা যায়।
  • আংশিক (Partial Solar Eclipse): সূর্যের একটি অংশ ঢেকে যায়।

চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ দেখার সঠিক উপায়

সূর্যগ্রহণ দেখার সময় অবশ্যই মেনে চলুন

সূর্যগ্রহণ খালি চোখে কখনো দেখবেন না — এটি স্থায়ী দৃষ্টিক্ষতির কারণ হতে পারে।

সঠিক উপায়গুলো হলো:

  • ISO 12312-2 সার্টিফাইড সোলার ইক্লিপস চশমা ব্যবহার করুন।
  • পিনহোল ক্যামেরা বা বাক্স প্রজেক্টর ব্যবহার করতে পারেন।
  • সাধারণ সানগ্লাস, ধোঁয়াটে কাচ বা এক্স-রে ফিল্ম ব্যবহার করবেন না — এগুলো যথেষ্ট সুরক্ষা দেয় না।
  • সোলার ফিল্টার লাগানো টেলিস্কোপ বা বাইনোকুলার ব্যবহার করতে পারেন।

চন্দ্রগ্রহণ দেখার উপায়

চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখেই নিরাপদে দেখা যায় — কোনো বিশেষ চশমার দরকার নেই।

সেরা দেখার টিপস:

  • শহরের আলো থেকে দূরে খোলা জায়গায় যান।
  • দূরবিন বা টেলিস্কোপ হলে আরো ভালো দেখা যাবে।
  • ৩ মার্চের গ্রহণটি পূর্ব দিগন্তে দেখতে হবে — পূর্ব দিক ফাঁকা এমন জায়গা বেছে নিন।
  • গ্রহণের আগে-পরে ছবি তোলার জন্য ট্রাইপড ও ম্যানুয়াল মোডে DSLR বা স্মার্টফোন ক্যামেরা ব্যবহার করুন।

ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ

ইসলাম ধর্মে গ্রহণ

ইসলামে সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণকে আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গ্রহণের সময় সালাতুল কুসুফ (সূর্যগ্রহণের নামাজ)সালাতুল খুসুফ (চন্দ্রগ্রহণের নামাজ) পড়া সুন্নত। তবে ইসলামে গ্রহণকে কোনো অশুভ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয় না — বরং এটি আল্লাহর সৃষ্টির মহিমার স্মারক।

হিন্দু ধর্মে গ্রহণ

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে গ্রহণকালীন সময়ে সুতককাল পালন করা হয়। মন্দির বন্ধ থাকে এবং খাওয়া-দাওয়া, ঘুম ইত্যাদি পরিহার করা হয়। গর্ভবতী মায়েদের বিশেষ সতর্কতা পালনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

২০২৭ ও ২০২৮ সালে বাংলাদেশ-সংক্রান্ত গ্রহণের সংক্ষিপ্ত পূর্বাভাস

আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশ থেকে যেসব গ্রহণ দেখা যেতে পারে তার একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:

  • ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৭: উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ (বাংলাদেশে সম্ভাব্য আংশিক দৃশ্যমান)
  • ২ আগস্ট ২০২৭: আংশিক সূর্যগ্রহণ (বাংলাদেশে আংশিক দৃশ্যমান হতে পারে)
  • ৬ জুলাই ২০২৮: আংশিক চন্দ্রগ্রহণ
  • ৩১ ডিসেম্বর ২০২৮: পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ

বাংলাদেশে পরবর্তী পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২১১৪ সালের ৬ মার্চ — অর্থাৎ প্রায় ৯০ বছর পরে।

গ্রহণ লাইভ দেখবেন কীভাবে?

যদি আকাশ মেঘলা থাকে বা সরাসরি দেখার সুযোগ না হয়, তাহলে এই অফিশিয়াল চ্যানেলগুলোতে লাইভ স্ট্রিম দেখতে পারবেন:

  • NASA Live: youtube.com/NASA
  • TimeAndDate.com Live Streams: timeanddate.com
  • Virtual Telescope Project: virtualtelescope.eu

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন: ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে কতটি গ্রহণ দেখা যাবে?

উত্তর: ২০২৬ সালে মোট চারটি গ্রহণের মধ্যে মাত্র একটি — ৩ মার্চের চন্দ্রগ্রহণ — বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে, তবে আংশিকভাবে।

প্রশ্ন: ৩ মার্চ ২০২৬ সালের চন্দ্রগ্রহণ কত মিনিট স্থায়ী হবে বাংলাদেশে?

উত্তর: ঢাকা থেকে গ্রহণটি সন্ধ্যা ৫:৫৯ মিনিট থেকে রাত ৮:২৩ মিনিট পর্যন্ত দৃশ্যমান হবে — মোট প্রায় ২ ঘণ্টা ২৩ মিনিট।

প্রশ্ন: ২০২৬ সালের সূর্যগ্রহণ কি বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে?

উত্তর: না। ২০২৬ সালের দুটি সূর্যগ্রহণের কোনোটিই বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান হবে না। ১৭ ফেব্রুয়ারিরটি দক্ষিণ গোলার্ধে এবং ১২ আগস্টেরটি ইউরোপে দেখা যাবে।

প্রশ্ন: ২০২৬ সালের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ কি লাল দেখাবে?

উত্তর: হ্যাঁ, ৩ মার্চের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে চাঁদ লালচে-কমলা রং ধারণ করবে — এটি “ব্লাড মুন” নামে পরিচিত। তবে বাংলাদেশ থেকে চাঁদ ওঠার সময় পূর্ণগ্রাস পর্যায় শেষ হয়ে যাওয়ায় এই লাল চাঁদ সরাসরি দেখা সম্ভব হবে না।

প্রশ্ন: চন্দ্রগ্রহণ দেখতে কোনো বিশেষ যন্ত্রপাতি লাগে কি?

উত্তর: না, চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখেই নিরাপদে দেখা যায়। তবে দূরবিন বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে আরো বিস্তারিত দেখা যাবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে পরবর্তী পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ কবে হবে?

উত্তর: বাংলাদেশে পরবর্তী পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২১১৪ সালের ৬ মার্চ। বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২০৬৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি।

প্রশ্ন: ২০২৬ সালের ১২ আগস্টের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে?

উত্তর: স্পেন (বিলবাও, জারাগোজা), আইসল্যান্ড ও গ্রিনল্যান্ড থেকে সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে। স্পেনে সর্বোচ্চ ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড পর্যন্ত সম্পূর্ণ অন্ধকার অনুভব করা যাবে।

প্রশ্ন: গ্রহণের সময় কি কোনো বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব আছে?

উত্তর: হ্যাঁ। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময় বিজ্ঞানীরা সূর্যের করোনা, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন এবং প্রাণীদের আচরণ নিয়ে গবেষণা করেন। চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের তাপমাত্রা দ্রুত পরিবর্তন হয়, যা মহাজাগতিক গবেষণার জন্য মূল্যবান।

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ

২০২৬ সালের গ্রহণের ক্যালেন্ডার বাংলাদেশের জন্য সীমিত হলেও, ৩ মার্চের চন্দ্রগ্রহণটি একটি চমৎকার মহাজাগতিক অভিজ্ঞতা। সন্ধ্যার আকাশে পূর্ব দিগন্তে উঠতে থাকা আংশিকভাবে গ্রহণে পড়া চাঁদ দেখা অবশ্যই মনে রাখার মতো অভিজ্ঞতা হবে।

মেঘমুক্ত আকাশের প্রত্যাশায় থাকুন এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে মিলে এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করুন।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স:

  • TimeAndDate.com — Eclipse in Bangladesh, Dhaka (2026)
  • NASA Eclipse Portal — eclipse.gsfc.nasa.gov
  • DrikPanchang.com — Lunar Eclipse 2026, Dhaka
  • Wikipedia — Solar eclipse of August 12, 2026; August 2026 lunar eclipse
  • The Old Farmer’s Almanac — Eclipses 2026
  • BBC Sky at Night Magazine — Total solar eclipse August 2026
  • solar-eclipse.info — Bangladesh solar eclipse history

এই নিবন্ধটি বৈজ্ঞানিক উৎস থেকে যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে রচিত। গ্রহণের সময়সূচি BST (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টাইম, UTC+6) অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে।

Leave a Comment

Scroll to Top