জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা ২০২৬ পালিত হবে ২৯ জুন, সোমবার — জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে। এই দিনে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রা ও সুদর্শন চক্রকে ১০৮ ঘড়া পবিত্র জলে স্নান করানো হয়। এটিকে জগন্নাথ দেবের জন্মতিথি বা আবির্ভাব দিবস বলে মানা হয়। স্নানের পরই শুরু হয় ১৫ দিনের ‘অনসর’ পর্ব, যখন মন্দির ভক্তদের জন্য বন্ধ থাকে — আর এর ঠিক ১৭ দিন পর, ১৬ জুলাই, আসে মহাসমারোহে রথযাত্রা।
জ্যৈষ্ঠের তীব্র গরমে যখন পুরীর আকাশ একটু একটু মেঘে ঢাকতে শুরু করে, তখনই সনাতন ধর্মের কোটি কোটি ভক্তের মনে একটাই প্রতীক্ষা থাকে — জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা। বছরে এই একটি দিনেই গর্ভগৃহ থেকে বের করে আনা হয় প্রভুকে, প্রকাশ্যে স্নান করানো হয়, আর তারপর তিনি চলে যান এক রহস্যময় নিভৃতবাসে।
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছেও এই দিনটির আবেগ আলাদা। ধামরাইয়ের যশোমাধব মন্দির থেকে শুরু করে ঢাকার ইসকন স্বামীবাগ আশ্রম, পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দির — সবখানেই স্নানযাত্রা ও তার পরের রথযাত্রা ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় সপ্তাহ আগে থেকেই। এই তথ্যগুলো আজই সেভ করে রাখুন, কারণ সামনেই আসছে পুরো উৎসব-মৌসুম।
স্নানযাত্রা কী এবং এর তাৎপর্য কী
স্নানযাত্রা (যাকে দেবস্নান পূর্ণিমা বা স্নান পূর্ণিমাও বলা হয়) হল হিন্দু পঞ্জিকার জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে আয়োজিত একটি বিশেষ উৎসব। এই দিনে ওড়িশার পুরী শহরের জগন্নাথ মন্দিরে জগন্নাথ, তাঁর অগ্রজ বলভদ্র, ভগিনী সুভদ্রা, সুদর্শন চক্র ও মদনমোহন বিগ্রহকে গর্ভগৃহ থেকে বের করে আনা হয় স্নানবেদীতে।
এই দিনটিকে ঘিরে বিশ্বাস করা হয়:
- এটি জগন্নাথ দেবের জন্মতিথি বা আবির্ভাব দিবস
- স্কন্দপুরাণ অনুযায়ী রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন প্রথমবার এই স্নান অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন
- এই দিন পুরীতে গিয়ে দর্শন করলে ভক্তরা পাপমুক্ত হতে পারেন
- এটি জগন্নাথ-সংস্কৃতির পুরো উৎসব-মৌসুমের সূচনা বিন্দু — এর ঠিক পরেই আসে অনসর ও রথযাত্রা
জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা ২০২৬: তারিখ ও সময়সূচি
| বিষয় | তারিখ / বিবরণ |
|---|---|
| স্নানযাত্রা ২০২৬ | ২৯ জুন, সোমবার (১৪ জ্যৈষ্ঠ) |
| পূর্ণিমা তিথি শুরু | ২৮ জুন রাতের শেষ ভাগে |
| পূর্ণিমা তিথি শেষ | ২৯ জুন ভোররাতে |
| অনসর পর্ব শুরু | ২৯ জুন (স্নানের সন্ধ্যা থেকেই) |
| মন্দির দর্শনে সীমাবদ্ধতা | ১ জুলাই – ১৫ জুলাই, ২০২৬ |
| রথযাত্রা ২০২৬ | ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার |
| উল্টোরথ (বাহুদা যাত্রা) | ২৪ জুলাই, শুক্রবার |
মনে রাখা ভালো: চান্দ্র তিথি অনুযায়ী পূর্ণিমা শুরু ও শেষের সময় বছরভেদে কিছুটা ওঠানামা করে, তাই স্থানীয় পঞ্জিকা বা মন্দির কর্তৃপক্ষের ঘোষণা মিলিয়ে নেওয়াই নিরাপদ।
স্নানযাত্রার পেছনের পুরাণকথা
কথিত আছে, রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন একদিন স্বপ্নে আদেশ পান জগন্নাথ দেবের বিগ্রহ স্থাপনের। দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা ছদ্মবেশে এসে কাঠ থেকে মূর্তি তৈরির কাজ শুরু করেন, এই শর্তে যে কেউ তাঁকে কাজ চলাকালীন বিরক্ত করতে পারবে না। কিন্তু কৌতূহলবশত রাজা তাঁকে মাঝপথে দেখে ফেলায় বিশ্বকর্মা কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে যান। এই কারণেই জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার মূর্তিতে আলাদাভাবে খোদাই করা হাত-পা দেখা যায় না — অসমাপ্ত, তবু পরিপূর্ণ এই রূপই আজও পূজিত হয়।
স্নানযাত্রার দিন এই অসমাপ্ত রূপকেই স্নান করানো হয় ভক্তি ও সমারোহের সাথে — যেন বছরের একটি দিন প্রভু সরাসরি ভক্তদের সামনে আসেন।
স্নানযাত্রার দিন ধাপে ধাপে কী ঘটে
১. পাহন্ডি বিজে (শোভাযাত্রা করে বের করে আনা)
ভোরবেলা গর্ভগৃহ থেকে বিগ্রহগুলোকে রাজকীয় শোভাযাত্রা সহকারে বের করে আনা হয় মন্দির চত্বরের স্নানবেদীতে। এই মুহূর্তটিকে ভক্তদের কাছে সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত বলে মানা হয়।
২. ১০৮ ঘড়া জলে অভিষেক
মন্দিরের উত্তর দিকের পবিত্র কূপ থেকে জল সংগ্রহ করে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে তা শুদ্ধ করা হয়। চন্দন, হলুদ, সুগন্ধি ফুল ও ভেষজ মিশিয়ে তৈরি হয় বিশেষ জল, যা ১০৮টি কলসে ভরে বিগ্রহগুলোর গায়ে ঢালা হয়।
৩. গজবেশ বা হাতি বেশ
স্নান শেষে সন্ধ্যায় জগন্নাথ ও বলভদ্রকে হাতির মুখাকৃতির মুখাবরণ পরিয়ে গণেশরূপে সাজানো হয়, যাকে বলা হয় ‘গজবেশ’ বা ‘হাতি বেশ’। সুভদ্রাকে সাজানো হয় পদ্মফুলের রূপে।
৪. নিভৃতবাসে যাওয়া
সন্ধ্যা শেষে বিগ্রহগুলোকে আবার মূল মন্দিরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়, আর শুরু হয় ‘অনসর’ — যে পর্বে ভক্তরা সরাসরি দর্শন পান না।
অনসর পর্ব: জগন্নাথের ‘অসুস্থতা’ ও মন্দির বন্ধ থাকার রহস্য
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এত জল দিয়ে স্নানের পর প্রভু জগন্নাথের জ্বর আসে। এই সময় তাঁকে রাজবৈদ্যের তত্ত্বাবধানে একটি সংরক্ষিত কক্ষে রাখা হয়, আর মূল মন্দির বন্ধ থাকে প্রায় ১৫ দিন। এই পর্যায়টিকে বলা হয় অনসর।
এই সময়ে যা ঘটে:
- ভক্তরা বিগ্রহের পরিবর্তে তিনটি পটচিত্র (পেইন্টিং) দর্শন করেন মন্দিরে
- অনেক ভক্ত ব্রহ্মগিরির অলরনাথ মন্দিরে যান, কারণ বিশ্বাস করা হয় অনসর পর্বে জগন্নাথ অলরনাথ রূপে অবস্থান করেন
- মন্দিরের ভেতরে শিল্পীরা গোপনে বিগ্রহ মেরামত ও রঙের কাজ (নবকলেবর-সংশ্লিষ্ট হলে) করেন
- অনসর শেষে ‘নেত্রউৎসব’-এর মাধ্যমে প্রভুর সুস্থতা ও পুনঃদর্শনের ঘোষণা হয়, আর এর পরই আসে রথযাত্রা
বাংলাদেশে স্নানযাত্রা ও সংশ্লিষ্ট উৎসব উদযাপন
বাংলাদেশে জগন্নাথ দেবের পূজা-আর্চা ও রথযাত্রা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব, এবং স্নানযাত্রা সেই উৎসব-পর্বের সূচনা হিসেবে গুরুত্ব পায়।
- ধামরাই, ঢাকা — প্রায় চারশো বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী যশোমাধব দেবের রথ উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ রথ। এর আগের প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় স্নানযাত্রার সময় থেকেই।
- ইসকন স্বামীবাগ আশ্রম, ঢাকা — দেশের ১২৮টিরও বেশি ইসকন মন্দির-আশ্রমে অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, কীর্তন ও অভিষেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জগন্নাথ-উৎসব পালিত হয়।
- তাঁতীবাজারের জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দির, পুরান ঢাকা ও জয়কালী রোডের রামসীতা মন্দির — এখানেও ভক্তরা পূজা-অর্চনায় অংশ নেন।
- সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় স্থানীয় জগন্নাথ মন্দিরগুলোতেও সংক্ষিপ্ত অভিষেক ও কীর্তনের আয়োজন হয়।
বাংলাদেশে স্নানযাত্রা প্রধানত মন্দির-কেন্দ্রিক অনুষ্ঠান হলেও, এর ঠিক ১৭ দিন পরের রথযাত্রা ঘিরেই হয় সবচেয়ে বড় গণজোয়ার — তাই অনেক ভক্ত পরিবার দুটো উৎসবকেই একসাথে স্মরণে রাখেন।
স্নানযাত্রা বনাম রথযাত্রা: পার্থক্য এক নজরে
| বিষয় | স্নানযাত্রা | রথযাত্রা |
|---|---|---|
| তারিখ ২০২৬ | ২৯ জুন | ১৬ জুলাই |
| তিথি | জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা | আষাঢ় শুক্লপক্ষ দ্বিতীয়া |
| মূল কাজ | বিগ্রহকে স্নান করানো | রথে চড়িয়ে গুন্ডিচা মন্দিরে যাত্রা |
| তাৎপর্য | জন্মতিথি / আবির্ভাব দিবস | মাসির বাড়িতে যাত্রা |
| পরবর্তী পর্ব | অনসর (১৫ দিন মন্দির বন্ধ) | গুন্ডিচায় ৯ দিন অবস্থান, পরে উল্টোরথ |
| জনসমাগম | তুলনামূলক কম, মন্দির-কেন্দ্রিক | বিশাল গণউৎসব, লাখো ভক্ত |
সাধারণ ভুল ধারণা
- ভুল: স্নানযাত্রা আর রথযাত্রা একই দিনে হয়। সঠিক: দুটো আলাদা তিথিতে, প্রায় দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে হয়।
- ভুল: অনসর পর্বে মন্দির পুরোপুরি বন্ধ থাকে, কোনো দর্শনই হয় না। সঠিক: মূল গর্ভগৃহ বন্ধ থাকলেও পটচিত্র দর্শনের ব্যবস্থা থাকে।
- ভুল: শুধু পুরীতেই স্নানযাত্রা পালিত হয়। সঠিক: বিশ্বজুড়ে ইসকন মন্দির ও বাংলাদেশ-ভারতের অসংখ্য জগন্নাথ মন্দিরে এই দিন উদযাপিত হয়।
কেন এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ
- এটি জগন্নাথ-সংস্কৃতির বার্ষিক উৎসব-মৌসুমের আনুষ্ঠানিক সূচনা
- ভক্তদের জন্য বছরের প্রথম প্রকাশ্য দর্শনের সুযোগ
- অনসর ও নেত্রউৎসবের মাধ্যমে রথযাত্রার আগের ধর্মীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়
- সম্প্রীতির বার্তা বহন করে — হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সব সম্প্রদায়ের মানুষ মেলা ও উৎসবে একসাথে শামিল হন
প্রায়জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
স্নানযাত্রা ও রথযাত্রার মধ্যে কত দিনের ব্যবধান থাকে? সাধারণত ১৫ থেকে ১৮ দিনের ব্যবধান থাকে। ২০২৬ সালে এই ব্যবধান ১৭ দিনের।
স্নানযাত্রার দিন জগন্নাথকে কেন স্নান করানো হয়? এই দিনটিকে জগন্নাথ দেবের জন্মতিথি বা আবির্ভাব দিবস মানা হয়, আর প্রতীকীভাবে দেবতাকে শুদ্ধ জলে অভিষিক্ত করার মধ্য দিয়ে ভক্তি প্রকাশ করা হয়।
অনসর পর্বে কেন মন্দির বন্ধ থাকে? বিশ্বাস করা হয়, স্নানের পর প্রভুর জ্বর আসে, তাই তাঁকে বিশ্রামে রাখতে গর্ভগৃহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
বাংলাদেশে স্নানযাত্রা কোথায় বড় করে পালিত হয়? ঢাকার ইসকন স্বামীবাগ আশ্রম, ধামরাইয়ের যশোমাধব মন্দির এবং পুরান ঢাকার জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দিরে এই উপলক্ষে অনুষ্ঠান হয়।
স্নানযাত্রার দিন কতটি ঘড়া জল দিয়ে স্নান করানো হয়? ১০৮টি কলস বা ঘড়া পবিত্র জল দিয়ে বিগ্রহগুলোকে অভিষেক করানো হয়।
হাতি বেশ বা গজবেশ কী? স্নানের সন্ধ্যায় জগন্নাথ ও বলভদ্রকে হাতির মুখাবরণ পরিয়ে সাজানো হয়, যা ‘গজবেশ’ বা ‘হাতি বেশ’ নামে পরিচিত।
২০২৬ সালে রথযাত্রা কখন? ২০২৬ সালের রথযাত্রা ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার।
প্রশ্ন: জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা ২০২৬ কখন? উত্তর: ২৯ জুন, ২০২৬, সোমবার — জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা তিথিতে।
প্রশ্ন: স্নানযাত্রা কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? উত্তর: মূল অনুষ্ঠান হয় ওড়িশার পুরী জগন্নাথ মন্দিরে, তবে বাংলাদেশ-ভারতের অসংখ্য জগন্নাথ ও ইসকন মন্দিরেও এই দিন পালিত হয়।
প্রশ্ন: স্নানযাত্রার পর কত দিন মন্দির বন্ধ থাকে? উত্তর: প্রায় ১৫ দিন, যাকে অনসর পর্ব বলা হয়।
প্রশ্ন: স্নানযাত্রার দিন কোন কোন বিগ্রহকে স্নান করানো হয়? উত্তর: জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রা, সুদর্শন চক্র ও মদনমোহন।
প্রশ্ন: এই দিনে অহিন্দু বা বিদেশি দর্শনার্থীরা কি প্রবেশ করতে পারেন? উত্তর: পুরীর মূল গর্ভগৃহে অহিন্দুদের প্রবেশের অনুমতি নেই, তবে রথযাত্রার দিন মন্দির চত্বর ও বাইরের আচার দেখার সুযোগ থাকে।
প্রশ্ন: বাড়িতে কীভাবে স্নানযাত্রা পালন করা যায়? উত্তর: ঘরের মন্দিরে বিগ্রহ বা ছবিকে পঞ্চামৃত বা চন্দনমিশ্রিত জলে অভিষেক করিয়ে, ভোগ নিবেদন করে ও আরতি করে এই দিনটি ঘরে বসেও স্মরণ করা যায়।
প্রশ্ন: স্নানযাত্রা আর দেবস্নান পূর্ণিমা কি একই উৎসব? উত্তর: হ্যাঁ, দুটোই একই উৎসবের আলাদা নাম।
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে উল্টোরথ কবে? উত্তর: ২৪ জুলাই, ২০২৬, শুক্রবার।
জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জুন, সোমবার, জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা তিথিতে। এই দিনে পুরী জগন্নাথ মন্দিরে জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রা ও সুদর্শন চক্রকে ১০৮ ঘড়া পবিত্র জলে স্নান করানো হয়, যা তাঁর জন্মতিথি বা আবির্ভাব দিবস হিসেবে পালিত হয়। স্নানের পর শুরু হয় ১৫ দিনের অনসর পর্ব, এই সময় মূল মন্দির বন্ধ থাকে। অনসর শেষে ১৬ জুলাই, ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হবে রথযাত্রা, আর ২৪ জুলাই উল্টোরথ। বাংলাদেশে ধামরাইয়ের যশোমাধব মন্দির ও ইসকন স্বামীবাগ আশ্রমসহ বিভিন্ন মন্দিরে এই উৎসব-পর্ব ঘিরে আনুষ্ঠানিকতা পালিত হয়।
Reference / Source List
- বাংলা উইকিপিডিয়া — স্নানযাত্রা ও রথযাত্রা সংক্রান্ত নিবন্ধ
- ইসকন বাংলাদেশের সরকারি ঘোষণা ও অনুষ্ঠানসূচি
- প্রথম আলো, সমকাল — রথযাত্রা ও জগন্নাথ উৎসব সংবাদ প্রতিবেদন
- পুরী জগন্নাথ মন্দির প্রশাসন কর্তৃক প্রকাশিত পঞ্জিকা তথ্য (স্কন্দপুরাণ-ভিত্তিক ঐতিহ্য)
সতর্কতা: চান্দ্র তিথির সূক্ষ্ম সময় (ঘড়ি-মিনিট) উৎসভেদে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সর্বশেষ ও নির্ভুল সময়সূচির জন্য স্থানীয় মন্দির বা পঞ্জিকা কর্তৃপক্ষের ঘোষণা যাচাই করে নেওয়া উত্তম।
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”
