আপনার দোকান বা ব্যবসা কি এই তালিকায় আছে? জেনে নিন এখনই — এবং প্রস্তুতি নিন সময়মতো।
২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে বাংলাদেশ সরকার ১৬টি ব্যবসায়িক খাতকে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)-এর সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে। এই খাতগুলো হলো:
১. মুদি দোকান ২. তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা ৩. কনফেকশনারি ৪. কসমেটিকসের দোকান ৫. প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য এবং জুতার দোকান ৬. হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা ৭. ডেকোরেটরস ৮. মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা ৯. পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং স্যানিটারি ও ফিটিংস ১০. টাইলসের দোকান ১১. ঢেউটিনের দোকান ১২. রড ও সিমেন্ট ১৩. ফার্নিচারের দোকান ১৪. বিউটি পার্লার ১৫. মিষ্টান্ন ভান্ডার ১৬. রেস্টুরেন্ট
এই তথ্য জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিজে ঘোষণা করেছেন।
আপনি কি একটি ছোট মুদি দোকান চালান? কিংবা বিউটি পার্লার? অথবা পাড়ার রেস্টুরেন্ট?
তাহলে এই তথ্যটি আপনার জন্যই — এবং এখনই জানা দরকার।
২০২৬-২৭ অর্থবছর শুরু হচ্ছে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে। আর এই বছর থেকেই বাংলাদেশের ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। সরকার পরিকল্পনা করছে দেশের ১৬টি ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের নির্দিষ্ট করের আওতায় নিয়ে আসতে।
এর মানে হলো — এই খাতের ব্যবসায়ীদের এখন থেকে নিয়মিত ভ্যাট দিতে হবে। এবং সেটি একটি সুনির্দিষ্ট হারে।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানব:
- কোন ১৬টি খাতে ভ্যাট আসছে
- কেন সরকার এই পদক্ষেপ নিচ্ছে
- ব্যবসায়ীদের কী করতে হবে
- সাধারণ মানুষের উপর কেমন প্রভাব পড়বে
কে ঘোষণা করলেন এবং কখন?
২৪ জুন ২০২৬, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে এক লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা প্রশ্ন করেছিলেন — গত অর্থবছরে ভ্যাট থেকে কত আয় হয়েছে এবং নতুন কোনো খাতকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে কিনা।
অর্থমন্ত্রীর জবাব: হ্যাঁ, পরিকল্পনা আছে। এবং সেই তালিকায় রয়েছে ১৬টি খাত।
১৬টি ভ্যাটের আওতাভুক্ত খাতের বিস্তারিত বিবরণ
১. মুদি দোকান (Grocery Stores)
পাড়ার প্রতিটি মুদি দোকান এখন ভ্যাটের আওতায় আসবে। চাল, ডাল, তেল, নুন বিক্রেতারাও এই নতুন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হবেন।
২. তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা (Garments & Cloth Sellers)
শাড়ি, থ্রিপিস, শার্ট, প্যান্ট বা যেকোনো তৈরি পোশাক বিক্রির দোকান এই তালিকায় আছে।
৩. কনফেকশনারি (Confectionery)
কেক, পেস্ট্রি, বিস্কুট, চকলেট বিক্রির দোকানগুলোও এই নতুন ভ্যাট ব্যবস্থার আওতায় আসবে।
৪. কসমেটিকসের দোকান (Cosmetics Shops)
ক্রিম, লিপস্টিক, পাউডার, স্কিনকেয়ার পণ্য বিক্রির দোকানে এখন ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।
৫. প্লাস্টিক ও সিরামিক গৃহস্থালি পণ্য এবং জুতার দোকান
রান্নাঘরের প্লাস্টিক পণ্য, সিরামিকের থালাবাটি এবং জুতার দোকানও এই তালিকায় রয়েছে।
৬. হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা (Hardware Shops)
নাটবল্টু, তার, পাইপ, সরঞ্জাম বিক্রির হার্ডওয়্যার ব্যবসা এখন ভ্যাটের আওতায়।
৭. ডেকোরেটরস (Decorators)
অনুষ্ঠান সাজানো, গেট ডেকোরেশন, ফুলের সাজসজ্জার ব্যবসাও তালিকাভুক্ত।
৮. মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও ইলেকট্রনিকস বিক্রেতা
মোবাইল শপ, ইলেকট্রনিকস শো-রুম — সব ধরনের ইলেকট্রনিকস বিক্রির জায়গা এই নতুন নিয়মের অধীনে আসবে।
৯. পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং স্যানিটারি ও ফিটিংস
রং, সিমেন্ট প্লাস্টার, বাথরুম ফিটিংস, পানির ট্যাপ বিক্রির ব্যবসায় ভ্যাট আসবে।
১০. টাইলসের দোকান (Tile Shops)
বাড়িঘর নির্মাণে ব্যবহৃত মেঝে ও দেয়ালের টাইলস বিক্রেতারাও এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত।
১১. ঢেউটিনের দোকান (Corrugated Iron Shops)
গ্রাম-শহর উভয় জায়গায় জনপ্রিয় ঢেউটিন বিক্রেতারাও ভ্যাটের আওতায় আসছেন।
১২. রড ও সিমেন্ট (Rods & Cement)
নির্মাণ সামগ্রীর মধ্যে রড ও সিমেন্ট বিক্রেতারাও তালিকায় রয়েছেন।
১৩. ফার্নিচারের দোকান (Furniture Shops)
আলমারি, চেয়ার, টেবিল, খাট — সব ধরনের আসবাবপত্রের দোকানে ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।
১৪. বিউটি পার্লার (Beauty Parlours)
মহিলা ও পুরুষ উভয়ের বিউটি পার্লার বা সেলুনও এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় আসছে।
১৫. মিষ্টান্ন ভান্ডার (Sweet Shops)
রসগোল্লা, সন্দেশ, চমচম — পাড়ার মিষ্টির দোকানগুলোও ভ্যাটের তালিকায়।
১৬. রেস্টুরেন্ট (Restaurants)
খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ইতোমধ্যে ভ্যাট ব্যবস্থার সাথে পরিচিত। এখন সুনির্দিষ্ট কর হারে তারাও অন্তর্ভুক্ত হবে।
কেন সরকার এই পদক্ষেপ নিচ্ছে?
রাজস্ব বাড়ানোর প্রয়োজন
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে ভ্যাট থেকে সরকারের মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। এটি মোট রাজস্বের প্রায় ৩৮ শতাংশ।
কিন্তু দেশে অনেক ব্যবসা এখনো ভ্যাটের বাইরে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী, দেশে অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ কোটি ১৭ লাখ। অথচ NBR-এর ভ্যাট নিবন্ধন মাত্র ৮ লাখ।
এই বিশাল ফাঁক বন্ধ করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিচ্ছে।
IMF-এর শর্ত
বাংলাদেশ IMF থেকে ঋণ নিয়েছে। IMF-এর শর্তের মধ্যে একটি হলো কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো এবং ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণ করা।
LDC গ্র্যাজুয়েশন
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে বের হওয়ার পথে রয়েছে। এই পরিবর্তনের পর আমদানি শুল্কে ছাড় কমে যাবে। তখন দেশীয় রাজস্বের উপর নির্ভরশীলতা আরও বাড়বে।
ব্যবসায়ীদের কী করতে হবে?
এই নতুন নিয়মে পড়লে আপনাকে যা করতে হবে:
ধাপ ১: BIN (Business Identification Number) নিন NBR-এর অনলাইন পোর্টালে গিয়ে ভ্যাট নিবন্ধন করুন এবং BIN নম্বর নিন।
ধাপ ২: ভ্যাট রিটার্ন সম্পর্কে জানুন ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হচ্ছে। NBR-এর e-VAT সিস্টেমে নিজেকে নিবন্ধিত করুন।
ধাপ ৩: মুশক ইনভয়েস (Mushak 6.3) ব্যবহার শুরু করুন ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত ইনভয়েস ইস্যু করতে হবে। এটি NBR নির্ধারিত ফর্ম্যাটে হতে হবে।
ধাপ ৪: হিসাব-নিকাশ ঠিকমতো রাখুন প্রতি মাসের ক্রয়-বিক্রয়ের হিসাব রাখুন। কারণ ভ্যাট রিটার্নে এই তথ্য লাগবে।
ধাপ ৫: ভ্যাট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন প্রথমবার হলে একজন যোগ্য ভ্যাট পরামর্শদাতার সাহায্য নিন।
সাধারণ মানুষের উপর কী প্রভাব পড়বে?
এই প্রশ্নটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — আমজনতার কী হবে?
মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা: কিছু পণ্য ও সেবার দাম বাড়তে পারে, কারণ ব্যবসায়ীরা ভ্যাটের অংশটি ক্রেতার কাছ থেকে নেবেন।
স্বচ্ছতা বাড়বে: ভ্যাট ব্যবস্থায় ইনভয়েস বাধ্যতামূলক হওয়ায় ক্রয়-বিক্রয়ে স্বচ্ছতা আসবে।
সরকারি সেবা উন্নত হবে: বেশি রাজস্ব আসলে সরকার রাস্তা, হাসপাতাল, শিক্ষায় বেশি বিনিয়োগ করতে পারবে।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপর চাপ: অনেক ছোট ব্যবসায়ী হিসাব রাখতে অভ্যস্ত নন। তাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
সাধারণ ভুল যা ব্যবসায়ীরা করেন
ভ্যাট নিয়ে অনেক ব্যবসায়ী কিছু সাধারণ ভুল করেন। এগুলো এড়িয়ে চলুন:
ভুল ১: ভ্যাট রিটার্ন না দেওয়া নিবন্ধন করলেই হবে না — প্রতি মাসে রিটার্নও দিতে হবে। না দিলে জরিমানা হবে।
ভুল ২: ভ্যাট পকেটে রাখা ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট নিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়া একটি বড় অপরাধ।
ভুল ৩: মুশক ইনভয়েস না দেওয়া প্রতিটি বিক্রয়ে নির্ধারিত ইনভয়েস দিতে হবে। না দিলে NBR অডিটে সমস্যায় পড়বেন।
ভুল ৪: পুরনো কাগজপত্র না রাখা NBR ৫ বছর পর্যন্ত পুরনো হিসাব চেক করতে পারে। তাই সব কাগজ সংরক্ষণ করুন।
ভুল ৫: সময়মতো রিটার্ন না দেওয়া প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে রিটার্ন দিতে হবে। দেরি হলে জরিমানা আছে।
তুলনামূলক চিত্র: আগে ও পরে
| বিষয় | আগে | ২০২৬-২৭ থেকে |
|---|---|---|
| মুদি দোকানে ভ্যাট | ছিল না | থাকবে |
| বিউটি পার্লারে ভ্যাট | অনির্দিষ্ট | সুনির্দিষ্ট হারে |
| রেস্টুরেন্টে ভ্যাট | কিছু ক্ষেত্রে ছিল | আরও বিস্তৃত |
| ভ্যাট রিটার্ন | কাগজে বা অনলাইনে | শুধু অনলাইনে |
| NBR নিবন্ধন | ঐচ্ছিক ছিল অনেকের জন্য | বাধ্যতামূলক হবে |
সাধারন জিজ্ঞাসা
১৬টি ব্যবসায়িক খাতে কত হারে ভ্যাট দিতে হবে?
সুনির্দিষ্ট হার এখনো সম্পূর্ণ স্পষ্ট করা হয়নি। তবে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, খুচরা দোকানিদের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কর নেওয়ার বিধান অর্থবিলে যুক্ত হয়েছে। সর্বশেষ আপডেটের জন্য NBR-এর ওয়েবসাইট দেখুন।
মুদি দোকানে ভ্যাট দিলে পণ্যের দাম বাড়বে?
কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা আছে। তবে এটি নির্ভর করবে সরকার কী হারে ভ্যাট নির্ধারণ করে এবং ব্যবসায়ীরা কীভাবে তা বাস্তবায়ন করেন তার উপর।
ছোট ব্যবসায়ীরা কি ভ্যাট থেকে ছাড় পাবেন?
বার্ষিক টার্নওভারের ভিত্তিতে ছাড় থাকতে পারে। ৩০ লাখ টাকার নিচে টার্নওভার হলে এনলিস্টমেন্ট, ৫০ লাখ পর্যন্ত টার্নওভার ট্যাক্স পদ্ধতি প্রযোজ্য হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট হার এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
ভ্যাট নিবন্ধন না করলে কী হবে?
জরিমানা ও আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে পারেন। NBR নিবন্ধনবিহীন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে পারে।
বিউটি পার্লারে ভ্যাট কীভাবে কাজ করবে?
সেবার মূল্যের উপর নির্ধারিত হারে ভ্যাট যোগ করে ক্লায়েন্টের কাছ থেকে নেওয়া হবে, এবং সেটি সরকারকে দিতে হবে।
রেস্টুরেন্টে ভ্যাট কি নতুন?
না, রেস্টুরেন্টে আগেও ভ্যাট ছিল। তবে এখন সুনির্দিষ্ট নিয়মে সব রেস্টুরেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা হচ্ছে।
অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন কীভাবে দেওয়া যাবে?
NBR-এর e-VAT পোর্টালে নিবন্ধন করে অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যাবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এটি বাধ্যতামূলক।
প্রশ্ন ১: এই ১৬টি খাতে ভ্যাট কবে থেকে কার্যকর হবে? উত্তর: ২০২৬-২৭ অর্থবছর অর্থাৎ ১ জুলাই ২০২৬ থেকে এটি কার্যকর হওয়ার পরিকল্পনা আছে।
প্রশ্ন ২: ভ্যাটের হার কত হবে? উত্তর: সুনির্দিষ্ট হার এখনো ঘোষণা করা হয়নি। সরকার খুচরা পর্যায়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কর নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। চূড়ান্ত হার NBR জানাবে।
প্রশ্ন ৩: আমার ব্যবসা কি এই তালিকায় পড়বে? উত্তর: উপরে উল্লেখিত ১৬টি খাতের যেকোনোটিতে আপনার ব্যবসা হলে, হ্যাঁ, আপনি এই নিয়মের আওতায় পড়বেন।
প্রশ্ন ৪: BIN নেওয়া কি কঠিন? উত্তর: না। NBR-এর অনলাইন পোর্টালে (nbr.gov.bd) গিয়ে আবেদন করা যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে অনলাইনেই BIN পাওয়া সম্ভব।
প্রশ্ন ৫: ভ্যাট পরামর্শদাতা কোথায় পাবো? উত্তর: ICAB বা ICMAB-এর সদস্য, অথবা নিবন্ধিত ভ্যাট এজেন্টদের সাহায্য নিতে পারেন। স্থানীয় চেম্বার অব কমার্সও সহায়তা করতে পারে।
প্রশ্ন ৬: অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দিতে না পারলে কী হবে? উত্তর: NBR জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ থেকে অনলাইন রিটার্ন বাধ্যতামূলক। তাই আগে থেকেই e-VAT সিস্টেমে পরিচিত হয়ে নিন।
প্রশ্ন ৭: ভ্যাট না দিলে কত জরিমানা? উত্তর: ভ্যাট আইন ২০১২ অনুযায়ী, ভ্যাট ফাঁকি দিলে বকেয়া অর্থের উপর সুদ, জরিমানা এবং কিছু ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা হতে পারে।
প্রশ্ন ৮: এই নিয়ম কি চূড়ান্ত হয়েছে? উত্তর: সংসদে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, এটি পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে এবং ২০২৬-২৭ বাজেটের অর্থবিলে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। চূড়ান্ত বিস্তারিত NBR প্রজ্ঞাপনে জানা যাবে।
Reference / Source List
- জাতীয় সংসদ বাংলাদেশ — ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ, বাজেট অধিবেশন, ২৪ জুন ২০২৬
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) — nbr.gov.bd
- বাংলাদেশ প্রতিদিন — “করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬ খাত”, ২৪ জুন ২০২৬
- NTV Online — “করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬ খাত”, ২৪ জুন ২০২৬
- ইত্তেফাক — “সুনির্দিষ্ট ভ্যাটের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লার”, ২৪ জুন ২০২৬
- যুগান্তর — “মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ ব্যবসায় কর বসাচ্ছে সরকার”, ২৪ জুন ২০২৬
- The Business Standard — “VAT goes to village: NBR eyes bringing small businesses under coverage”, মে ২০২৬
- BSS News — “NBR extends deadline for e-VAT return”, জুন ২০২৬
- VAT and Supplementary Duty Act, 2012 — Government of Bangladesh
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”
