আপনি কি জানেন, ২০২৬ সালের ১৫ জুনের সোমবতী অমাবস্যা কয়েক দশকে একবার আসা এক বিরল পুণ্যতিথি? এই দিনটি অধিক মাসে পড়ার কারণে এর ধর্মীয় গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে গেছে। যদি আপনি সনাতন ধর্মাবলম্বী হন এবং এই পুণ্যতিথির সুযোগ নিতে চান, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্যই।
সোমবতী অমাবস্যা কী এবং ২০২৬ সালে কবে?
সোমবতী অমাবস্যা হলো সেই অমাবস্যা তিথি যেটি সোমবারে পড়ে। হিন্দু ধর্মে এই তিথিকে অত্যন্ত পুণ্যময় মনে করা হয়। এই দিনে পবিত্র নদীতে স্নান, পিতৃতর্পণ, শিবপূজা ও দান-ধ্যান করলে বিশেষ পুণ্য লাভ হয় বলে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে।
২০২৬ সালের সোমবতী অমাবস্যার তারিখ:
| তারিখ | দিন | বিশেষত্ব |
|---|---|---|
| ১৫ জুন ২০২৬ | সোমবার | অধিক জ্যৈষ্ঠ মাস (মলমাস) + মিথুন সংক্রান্তি — অত্যন্ত বিরল যোগ |
| ৯ নভেম্বর ২০২৬ | সোমবার | কার্তিক মাস — মহালয়া অমাবস্যার পরদিন |
বিশেষ নোট: ১৫ জুনের সোমবতী অমাবস্যাটি অধিক মাস বা পুরুষোত্তম মাসে পড়েছে, যা প্রতি ৩ বছর অন্তর একবার আসে। এই দুই শুভযোগের মিলন কয়েক দশকে একবারই ঘটে — তাই এটি ২০২৬ সালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অমাবস্যাগুলোর একটি।
সোমবতী অমাবস্যা কী
হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী প্রতি মাসে একটি করে অমাবস্যা তিথি আসে — এই দিনে চাঁদ দেখা যায় না। কিন্তু যখন এই অমাবস্যা তিথিটি সোমবার পড়ে, তখন তাকে বলে সোমবতী অমাবস্যা।
সোমবার শিবের বার এবং অমাবস্যা পিতৃপুরুষদের তিথি — এই দুটির সংযোগে এই দিনটি ধর্মীয়ভাবে দ্বিগুণ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
সনাতন ধর্মের শাস্ত্রে বলা হয়েছে, সোমবতী অমাবস্যায় গঙ্গা বা পবিত্র নদীতে স্নান, পিতৃতর্পণ ও শিবপূজা করলে অশ্বমেধ যজ্ঞের সমান পুণ্য অর্জিত হয়। বিশেষ করে বিবাহিত মহিলারা স্বামীর দীর্ঘ জীবন ও সৌভাগ্যের জন্য এই দিনে ব্রত পালন করেন।
বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সম্প্রদায়ে এই তিথিটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালিত হয়। বুড়িগঙ্গা, মেঘনা, পদ্মা বা যমুনার মতো নদীর তীরে ভক্তরা ভোরবেলা থেকেই স্নানের জন্য জমা হন।
২০২৬ সালের সোমবতী অমাবস্যা কেন এত বিশেষ?
২০২৬ সালের ১৫ জুনের সোমবতী অমাবস্যাকে বিশেষজ্ঞরা “বিরল” বলছেন। কারণগুলো হলো:
১. অধিক মাস বা পুরুষোত্তম মাসে পড়েছে প্রতি ৩ বছরে একবার হিন্দু ক্যালেন্ডারে একটি অতিরিক্ত মাস যুক্ত হয়, যাকে অধিক মাস বা মলমাস বলে। এই মাসটি ভগবান বিষ্ণুর নামে নিবেদিত — পুরুষোত্তম মাস। এই মাসে দান, পূজা ও তীর্থস্নানের ফল সাধারণের তুলনায় বহুগুণ বেশি বলে বিশ্বাস করা হয়।
২. মিথুন সংক্রান্তির সাথে মিলন ১৫ জুন একই দিনে সূর্য বৃষ রাশি থেকে মিথুন রাশিতে প্রবেশ করবে — এটি মিথুন সংক্রান্তি। একই দিনে সোমবতী অমাবস্যা ও সংক্রান্তির মিলন অত্যন্ত শুভ যোগ।
৩. অধিক মাসে সোমবতী অমাবস্যার যোগ কয়েক দশকে একবার শুধু অধিক মাস নয়, সেই অধিক মাসে সোমবারে অমাবস্যা পড়া — এই দুইয়ের সংযোগ সত্যিই বিরল। জ্যোতিষাচার্যদের মতে, এমন যোগ কয়েক দশকে একবারই আসে।
সোমবতী অমাবস্যার মাহাত্ম্য (শাস্ত্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি)
বৈদিক শাস্ত্র ও পুরাণে সোমবতী অমাবস্যার বিশেষ উল্লেখ রয়েছে। মহাভারতে পিতামহ ভীষ্ম যুধিষ্ঠিরকে এই তিথির গুরুত্ব বলেছিলেন।
শাস্ত্র মতে এই দিনে:
- পিতৃতর্পণ করলে পূর্বপুরুষদের আত্মা শান্তি পায় এবং পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি আসে
- পবিত্র নদীতে স্নান করলে সমস্ত পাপ ধুয়ে যায়
- শিবলিঙ্গে জল অর্পণ করলে শিবের কৃপা লাভ হয়
- দান-ধ্যান করলে সাধারণ দিনের তুলনায় বহুগুণ পুণ্য সঞ্চিত হয়
- বিবাহিত মহিলারা বটবৃক্ষ পূজা করলে স্বামীর দীর্ঘায়ু নিশ্চিত হয় বলে বিশ্বাস
সোমবতী অমাবস্যা ব্রত ও পূজার নিয়ম
ধাপ ১: ব্রতের আগের দিন (১৪ জুন রাত)
- সন্ধ্যায় হালকা সাত্ত্বিক আহার করুন
- আমিষ, তামসিক খাবার ও মদ্যপান এড়িয়ে চলুন
- মনকে শান্ত রাখুন, অহিংসা মেনে চলুন
- পরদিনের পূজার উপকরণ আগে থেকে সংগ্রহ করে রাখুন
ধাপ ২: ভোরবেলা উঠুন (ব্রহ্মমুহূর্তে)
- সূর্যোদয়ের আগে উঠে মুখ ধুয়ে ইষ্টদেবের নাম নিন
- স্নানের আগে তিলযুক্ত জলে বা গঙ্গাজল মিশিয়ে স্নান করুন
- যদি কাছে নদী থাকে, সেখানে গিয়ে স্নান করা সর্বোত্তম
ধাপ ৩: পিতৃতর্পণ
- স্নানের পর পরিষ্কার কাপড় পরে নিন
- কালো তিল, জল ও কুশ ঘাস নিয়ে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করুন
- “ওঁ তৃপ্যন্তাম্ পিতরঃ” বলে জল অর্পণ করুন
ধাপ ৪: শিব পূজা
- শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল বা পবিত্র জল দিয়ে অভিষেক করুন
- বেলপাতা, ধুতুরা ফুল, আকন্দ ফুল অর্পণ করুন
- “ওঁ নমঃ শিবায়” মন্ত্র জপ করুন
- শিব-পার্বতীর আরতি করুন
ধাপ ৫: বটবৃক্ষ পূজা (বিবাহিত মহিলাদের জন্য)
- বটগাছের গোড়ায় জল ঢালুন
- সুতো দিয়ে বটগাছ প্রদক্ষিণ করুন — মনে মনে স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা করুন
- ফুল, চন্দন, ধূপ দিয়ে পূজা করুন
ধাপ ৬: দান-ধ্যান
- দুঃস্থ ও অভাবীদের চাল, ডাল, কালো তিল, বস্ত্র বা অর্থ দান করুন
- ব্রাহ্মণকে ডেকে ভোজন করান ও দক্ষিণা দিন
- গরু, পাখি ও পশুদের খাবার দিন
ধাপ ৭: উপবাস ও আহার
- এই দিনে পূর্ণ উপবাস বা একবার মাত্র সাত্ত্বিক আহার করুন
- ফল, দুধ, মিষ্টি খেতে পারেন
- রাতে সূর্যাস্তের পর ব্রত পারণ (ব্রত শেষ) করুন
সোমবতী অমাবস্যায় কী করবেন ও কী করবেন না
✅ যা করবেন
- ভোরে পবিত্র নদীতে বা তীর্থক্ষেত্রে স্নান করুন
- পিতৃতর্পণ ও পিন্ডদান করুন
- শিবলিঙ্গে জলাভিষেক করুন
- দুঃস্থদের দান করুন, অন্নদান করুন
- ইষ্টদেবের নাম জপ করুন, ধ্যান করুন
- পশু-পাখিদের খাবার দিন
- পরিবারের বড়দের সম্মান করুন
❌ যা করবেন না
- মাংস, মাছ বা তামসিক খাবার খাবেন না
- মদ বা নেশাদ্রব্য থেকে দূরে থাকুন
- বয়স্ক বা দুর্বলদের অপমান করবেন না
- রাতে নির্জন স্থানে যাবেন না
- অহঙ্কার ও ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলুন
সোমবতী অমাবস্যার মন্ত্র
পিতৃতর্পণের মন্ত্র:
ওঁ পিতৃভ্যো নমঃ। তৃপ্যন্তাম্ পিতরঃ স্বধা নমঃ।
শিব মন্ত্র:
ওঁ নমঃ শিবায়
মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র:
ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্। উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মামৃতাৎ।।
সামান্য অমাবস্যা মন্ত্র:
ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্বাবস্থাং গতোপি বা। যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।
বাংলাদেশে সোমবতী অমাবস্যা কীভাবে পালিত হয়
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা সোমবতী অমাবস্যায় স্থানীয় নদী, পুকুর বা তীর্থক্ষেত্রে স্নান করেন। ঢাকার বুড়িগঙ্গা তীর, চাঁদপুরের মেঘনা-পদ্মার মোহনা, সিলেটের সুরমা নদী তীর এবং পুরান ঢাকার বিভিন্ন মন্দিরে এই দিনে বিশেষ পূজার আয়োজন হয়।
ঢাকেশ্বরী মন্দির, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, এবং স্থানীয় কালীমন্দিরগুলোতে সকাল থেকে ভক্তদের ভিড় দেখা যায়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাধারণত এই দিনগুলোতে ভক্তদের সুষ্ঠু পালনের জন্য নির্দেশিকা প্রদান করে।
সোমবতী অমাবস্যা ব্রতের ফল ও উপকারিতা
শাস্ত্র ও বিশ্বাস অনুযায়ী সোমবতী অমাবস্যায় যথাযথ ব্রত পালন করলে যে ফল লাভ হয়:
- পূর্বপুরুষদের আত্মা শান্তি পায়, পিতৃদোষ থেকে মুক্তি মেলে
- পরিবারে সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি আসে
- বিবাহিত মহিলারা স্বামীর দীর্ঘ সুস্বাস্থ্য ও আয়ু কামনা পূরণ করতে পারেন
- শিবের কৃপায় মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয়
- পাপ ক্ষয় হয়, আত্মা পরিশুদ্ধ হয়
- দান-ধ্যানের ফলে সামাজিক কল্যাণের অনুভূতি জন্মে এবং মানসিক শান্তি আসে
২০২৬ সালের অমাবস্যার পূর্ণ তালিকা
| মাস | তারিখ | দিন | বিশেষত্ব |
|---|---|---|---|
| জানুয়ারি | ২৯ জানুয়ারি | বৃহস্পতিবার | মাঘী অমাবস্যা |
| ফেব্রুয়ারি | ১৭ ফেব্রুয়ারি | মঙ্গলবার | ফাল্গুনী অমাবস্যা |
| মার্চ | ১৮-১৯ মার্চ | বুধ-বৃহস্পতি | চৈত্র অমাবস্যা |
| জুন | ১৫ জুন | সোমবার | সোমবতী অমাবস্যা (অধিক মাস) |
| জুলাই | ১৪ জুলাই | মঙ্গলবার | আষাঢ়ী অমাবস্যা |
| নভেম্বর | ৮-৯ নভেম্বর | রবি-সোমবার | মহালয়া অমাবস্যা + সোমবতী |
| ডিসেম্বর | ৮ ডিসেম্বর | মঙ্গলবার | মার্গশীর্ষ অমাবস্যা |
সাধারণ ভুল যা এড়ানো উচিত
অনেকেই সোমবতী অমাবস্যা পালনে কিছু ভুল করেন। সেগুলো এড়িয়ে চলুন:
ভুল ১: সঠিক তিথি না জেনে পালন করা তিথির শুরু ও শেষ সময় পঞ্জিকা থেকে ভালো করে দেখে নিন। উদয় তিথি অনুযায়ী দিন গণনা করুন।
ভুল ২: স্নানের সময় তাড়াহুড়ো করা ব্রহ্মমুহূর্তে বা সূর্যোদয়ের আগে স্নান করলে বেশি পুণ্য পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস — সন্ধ্যার পর স্নান এড়িয়ে চলুন।
ভুল ৩: পিতৃতর্পণ না করা অমাবস্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পিতৃতর্পণ। অনেকে শুধু পূজা করেন কিন্তু তর্পণ বাদ দেন — এটি ঠিক নয়।
ভুল ৪: আমিষ খেয়ে পূজায় বসা এই দিনে আমিষ খেলে ব্রতের ফল নষ্ট হয়। সারাদিন নিরামিষ ও সাত্ত্বিক আহার করুন।
ভুল ৫: দানকে অবহেলা করা পূজার পাশাপাশি দান না করলে পুণ্যের একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। সামর্থ্য অনুযায়ী দান করুন।
সাধারন জিজ্ঞাসা
সোমবতী অমাবস্যা ২০২৬ কবে?
২০২৬ সালে সোমবতী অমাবস্যা দুটি — প্রথমটি ১৫ জুন ২০২৬ (সোমবার), যেটি অধিক মাসে পড়েছে এবং অত্যন্ত বিরল। দ্বিতীয়টি ৯ নভেম্বর ২০২৬ (সোমবার), কার্তিক মাসে।
সোমবতী অমাবস্যায় কী করতে হয়?
ভোরে পবিত্র নদীতে স্নান, পিতৃতর্পণ, শিব পূজা, বটবৃক্ষ পূজা (মহিলাদের জন্য), দুঃস্থদের দান এবং সারাদিন উপবাস বা সাত্ত্বিক আহার করতে হয়।
সোমবতী অমাবস্যায় উপবাস কীভাবে পালন করবেন?
সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্জলা বা ফলাহার করে উপবাস পালন করা যায়। সন্ধ্যায় পূজার পর ফল, দুধ বা হালকা সাত্ত্বিক খাবার দিয়ে ব্রত পারণ করা হয়।
সোমবতী অমাবস্যায় কী দান করা উচিত?
চাল, ডাল, কালো তিল, গুড়, বস্ত্র, জুতা, ছাতা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ দান করা শুভ। বিশেষত অন্নদান এই দিনে অত্যন্ত পুণ্যের কাজ।
অধিক মাসের সোমবতী অমাবস্যা কেন বিশেষ?
অধিক মাস (পুরুষোত্তম মাস) প্রতি ৩ বছরে একবার আসে এবং এই মাসে দান-পূজার ফল সাধারণ দিনের চেয়ে বহুগুণ বেশি হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। এই মাসে সোমবতী অমাবস্যার যোগ কয়েক দশকে একবারই ঘটে।
বাংলাদেশে সোমবতী অমাবস্যা কোথায় পালন করা হয়?
ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী তীর, চাঁদপুরের মেঘনা-পদ্মার মোহনা, ঢাকেশ্বরী মন্দির, রামকৃষ্ণ মঠ এবং সারা দেশের বিভিন্ন নদীতীর ও মন্দিরে এই তিথি পালিত হয়।
সোমবতী অমাবস্যায় বটগাছ পূজা কেন করা হয়?
বট গাছকে হিন্দু ধর্মে দীর্ঘজীবন ও অক্ষয়তার প্রতীক মনে করা হয়। সোমবতী অমাবস্যায় বিবাহিত মহিলারা বটগাছ প্রদক্ষিণ করে স্বামীর দীর্ঘায়ু ও পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধির কামনা করেন।
সোমবতী অমাবস্যা ও সাধারণ অমাবস্যার পার্থক্য কী?
সাধারণ অমাবস্যা যেকোনো বারে পড়তে পারে। কিন্তু সোমবতী অমাবস্যা শুধুমাত্র সোমবারে পড়ে। সোমবার শিবের বার হওয়ায় এই দিনের পূজা ও ব্রতের পুণ্য অনেক বেশি বলে মনে করা হয়।
সোমবতী অমাবস্যা হলো সেই অমাবস্যা তিথি যেটি সোমবারে পড়ে। হিন্দু ধর্মে এটি অত্যন্ত পবিত্র তিথি কারণ সোমবার শিবের বার এবং অমাবস্যা পিতৃপুরুষদের তিথি। ২০২৬ সালে দুটি সোমবতী অমাবস্যা আছে — ১৫ জুন ও ৯ নভেম্বর। ১৫ জুনটি বিশেষ কারণ এটি অধিক মাসে পড়েছে এবং একই দিনে মিথুন সংক্রান্তি আছে — এই বিরল যোগ কয়েক দশকে একবার আসে।
এই দিনে পালনীয় প্রধান কাজ: পবিত্র নদীতে স্নান, পিতৃতর্পণ, শিব পূজা, বটবৃক্ষ পূজা (বিবাহিত মহিলাদের), দুঃস্থদের দান ও উপবাস। বাংলাদেশে এই তিথি বুড়িগঙ্গা তীর, ঢাকেশ্বরী মন্দির সহ বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্রে পালিত হয়।
📌 এই তথ্যটি পরে দরকার হলে সেভ বা বুকমার্ক করে রাখুন। আপনার পরিবারের সাথেও শেয়ার করুন যাতে তারাও এই বিরল পুণ্যতিথির সুযোগ নিতে পারেন।
Reference / Source List
- Asianet News Bangla — জ্যোতিষ ও ধর্মীয় তিথি বিভাগ (bangla.asianetnews.com)
- Bangla Kathan — অমাবস্যা ২০২৬ বাংলাদেশ তালিকা (banglakathan.com)
- উজ্জয়নের জ্যোতিষাচার্য পণ্ডিত প্রবীণ দ্বিবেদী — তিথি ও যোগ বিশ্লেষণ
- হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্র — মহাভারত, পুরাণ (পিতৃতর্পণ ও অমাবস্যার মাহাত্ম্য প্রসঙ্গ)
- বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ (আনুষ্ঠানিক তারিখ যাচাইয়ের জন্য)
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”
