প্রস্তাবিত পে স্কেল ২০২৬ কী এবং কবে থেকে কার্যকর হবে?
বাংলাদেশ সরকার ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু করবে। প্রথম ধাপে প্রস্তাবিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ দেওয়া হবে। গ্রেড সংখ্যা আগের মতোই ২০টি থাকবে। সর্বনিম্ন বেতন ২০তম গ্রেডে ১২,৩৭৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডে ১,১৭,০০০ টাকা (নির্ধারিত) নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরো বেতনকাঠামো তিনটি ধাপে তিন অর্থবছরে সম্পন্ন হবে।
কেন এই পে স্কেল এত গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশের প্রায় ১৫ লাখের বেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী দীর্ঘ ১১ বছর ধরে একই বেতনকাঠামোয় (অষ্টম পে স্কেল, ২০১৫) কাজ করছেন। এই সময়ে দ্রব্যমূল্য, বাড়িভাড়া এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণে বেড়েছে। ফলে নবম পে স্কেলের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি চাকরিজীবীদের কাছে সবচেয়ে প্রত্যাশিত বিষয় হয়ে উঠেছিল।
২০২৬ সালে এসে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিজেই নিশ্চিত করেছেন যে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন শুরু হবে।
প্রস্তাবিত পে স্কেল ২০২৬: গ্রেডভিত্তিক বেতন তালিকা (৫০% হারে)
নিচের তালিকাটি পে কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী ৫০% হারে প্রথম ধাপে প্রযোজ্য বেতন স্কেল দেখাচ্ছে:
| গ্রেড | বেতন স্কেল (টাকা) | গ্রেড | বেতন স্কেল (টাকা) |
|---|---|---|---|
| ০১ | ১,১৭,০০০/- (নির্ধারিত) | ১১ | ১৮,৭৫০ – ৪৫,৩৪৫ |
| ০২ | ৯৯,০০০ – ১,১৪,৭৩৫ | ১২ | ১৬,৯৫০ – ৪০,৯৫০ |
| ০৩ | ৮৪,৭৫০ – ১,১১,৬০০ | ১৩ | ১৬,৫০০ – ৩৯,৮৮৫ |
| ০৪ | ৭৫,০০০ – ১,০৬,৮০০ | ১৪ | ১৫,৩০০ – ৩৭,০২০ |
| ০৫ | ৬৪,৫০০ – ১,০৪,৭৭৫ | ১৫ | ১৪,৫৫০ – ৩৫,২৩৫ |
| ০৬ | ৫৩,২৫০ – ১,০০,৫১৫ | ১৬ | ১৩,৯৫০ – ৩৩,৭৩৫ |
| ০৭ | ৪৩,৫০০ – ৯৫,১১৫ | ১৭ | ১৩,৫০০ – ৩২,৭০০ |
| ০৮ | ৩৪,৫০০ – ৮৩,২০৫ | ১৮ | ১৩,২০০ – ৩১,৯৬৫ |
| ০৯ | ৩৩,০০০ – ৭৯,৫৯০ | ১৯ | ১২,৭৫০ – ৩০,৮৮৫ |
| ১০ | ২৪,০০০ – ৫৭,৯৬০ | ২০ | ১২,৩৭৫ – ৩০,০১৫ |
দ্রষ্টব্য: উপরের বেতন তালিকাটি পে কমিশনের প্রস্তাবিত পূর্ণ মূল বেতনের ৫০% হারে প্রথম ধাপে প্রযোজ্য। চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের পর সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
নবম পে স্কেলের মূল বৈশিষ্ট্য
সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?
- সর্বনিম্ন বেতন (২০তম গ্রেড): প্রস্তাবিত পূর্ণ স্কেলে ২০,০০০ টাকার বেশি (বর্তমান ৮,২৫০ টাকার তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বৃদ্ধি)
- সর্বোচ্চ বেতন (১ম গ্রেড): ১,৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত (নির্ধারিত)
- প্রথম ধাপে সর্বনিম্ন: ১২,৩৭৫ টাকা (২০তম গ্রেড)
- প্রথম ধাপে সর্বোচ্চ: ১,১৭,০০০ টাকা (১ম গ্রেড, নির্ধারিত)
গ্রেড সংখ্যা কি পরিবর্তন হচ্ছে?
না। অষ্টম পে স্কেলের মতোই ২০টি গ্রেড বহাল থাকছে।
বেতন বৃদ্ধির হার কত?
- গড় বৃদ্ধির হার: ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত (পূর্ণ বাস্তবায়নে)
- নিম্ন গ্রেড (১১–২০): শতভাগ বা তার বেশি বৃদ্ধির সম্ভাবনা
- উচ্চ গ্রেড (১–১০): তুলনামূলক কম হারে বৃদ্ধি (সমতা বিধানের স্বার্থে)
- প্রথম ধাপে (জুলাই ২০২৬): প্রস্তাবিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর
তিন ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা
সরকার একবারে পুরো পে স্কেল না দিয়ে তিনটি ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই পরিকল্পনায় নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন।
ধাপ ১: ২০২৬–২৭ অর্থবছর (১ জুলাই ২০২৬ থেকে)
- প্রস্তাবিত নতুন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে।
- এটিই প্রথম দৃশ্যমান পরিবর্তন যা কর্মচারীরা পাবেন।
ধাপ ২: ২০২৭–২৮ অর্থবছর
- মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ প্রদান করা হবে।
- অর্থাৎ পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর হবে।
ধাপ ৩: ২০২৮–২৯ অর্থবছর
- মূল বেতনের সাথে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ভাতা (যাতায়াত ভাতা, টিফিন ভাতা, ধোলাই ভাতা, ঝুঁকি ভাতাসহ) পুরোপুরি সমন্বয় করা হবে।
- পূর্ণাঙ্গ নবম পে স্কেল সম্পূর্ণরূপে চালু হবে।
অষ্টম ও নবম পে স্কেলের তুলনা
| বিষয় | অষ্টম পে স্কেল (২০১৫) | নবম পে স্কেল (২০২৬) |
|---|---|---|
| কার্যকর সাল | ২০১৫ | ২০২৬ (ধাপে ধাপে) |
| গ্রেড সংখ্যা | ২০ | ২০ |
| সর্বনিম্ন মূল বেতন | ৮,২৫০ টাকা | ~২০,০০০+ টাকা |
| সর্বোচ্চ মূল বেতন | ৭৮,০০০ টাকা | ~১,৬০,০০০ টাকা |
| সর্বোচ্চ-সর্বনিম্ন অনুপাত | ১:৯.৪ | আরও কম (সমতামুখী) |
| বাস্তবায়ন পদ্ধতি | ২ ধাপে | ৩ ধাপে |
| বাজেট বরাদ্দ | — | প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকা |
১৯৭৩ সালে প্রথম বেতন কমিশনে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ছিল ১:১৫.৪। ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে তা কমে ১:৯.৪ হয়। নবম পে স্কেলে এই অনুপাত আরও কমিয়ে আনা হচ্ছে — যা নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের জন্য ইতিবাচক।
কেন তিন ধাপে বাস্তবায়ন?
অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন:
- বাজেটের সীমাবদ্ধতা: একবারে পুরো বেতন বৃদ্ধি দিলে রাজস্ব ব্যয়ে অসাধারণ চাপ পড়বে।
- মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি: বেতন হঠাৎ অনেক বাড়লে বাজারে মুদ্রাস্ফীতি তীব্র হতে পারে।
- অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা: আইএমএফ-এর সাথে চলমান ঋণ কর্মসূচির শর্ত বিবেচনায় রেখে সতর্কতার সাথে এগোচ্ছে সরকার।
- পূর্ব নজির: ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলও দুই ধাপে বাস্তবায়ন হয়েছিল।
তবে সরকারি চাকরিজীবীদের একাংশ তিন ধাপে নয়, একবারেই পুরো পে স্কেল চাইছেন — যা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
বাজেটে কত টাকা বরাদ্দ হচ্ছে?
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নবম পে স্কেলের প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত। কেউ কেউ বলছেন ২২,০০০ থেকে ২৫,০০০ কোটি টাকাও হতে পারে — নির্ভর করবে চূড়ান্ত স্কেলের উপর।
কারা এই পে স্কেলের আওতায় পড়বেন?
নবম পে স্কেল মূলত নিচের শ্রেণির সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রযোজ্য:
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) সকল ক্যাডার কর্মকর্তা
- সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারী
- জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী
- সরকারি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা (সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত)
- সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী
- সরকারি আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মচারী
মনে রাখুন: বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এই পে স্কেলের সরাসরি আওতায় পড়বেন না।
পে স্কেলের ইতিহাস: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি পে স্কেল হয়েছে?
স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট আটটি জাতীয় পে স্কেল ঘোষিত হয়েছে। আসন্নটি হবে নবম।
| পে স্কেল | বছর |
|---|---|
| প্রথম | ১৯৭৩ |
| দ্বিতীয় | ১৯৭৭ |
| তৃতীয় | ১৯৮২ |
| চতুর্থ | ১৯৮৫ |
| পঞ্চম | ১৯৯১ |
| ষষ্ঠ | ১৯৯৭ |
| সপ্তম | ২০০৫ |
| অষ্টম | ২০১৫ |
| নবম | ২০২৬ (প্রস্তাবিত) |
সাধারন জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন: নবম পে স্কেল কবে থেকে কার্যকর হবে?
উত্তর: ১ জুলাই ২০২৬ থেকে প্রথম ধাপে নবম পে স্কেল কার্যকর হবে। এটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই বাস্তবায়ন শুরু হবে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তারিখ নিশ্চিত করেছেন।
প্রশ্ন: প্রস্তাবিত পে স্কেল ২০২৬-এ সর্বনিম্ন বেতন কত?
উত্তর: পূর্ণ বাস্তবায়নে (তিন ধাপ শেষে) সর্বনিম্ন বেতন ২০,০০০ টাকার উপরে হবে। তবে প্রথম ধাপে (জুলাই ২০২৬) ২০তম গ্রেডের কর্মচারী পাবেন ১২,৩৭৫ টাকা মূল বেতন।
প্রশ্ন: তিন ধাপে পে স্কেল দেওয়ার মানে কী?
উত্তর: তিন ধাপ মানে হলো — প্রথম বছরে (২০২৬-২৭) নতুন বেতনের ৫০%, দ্বিতীয় বছরে (২০২৭-২৮) বাকি ৫০% মূল বেতন এবং তৃতীয় বছরে (২০২৮-২৯) সব ভাতা সমন্বয় করে পূর্ণাঙ্গ স্কেল চালু হবে।
প্রশ্ন: অষ্টম পে স্কেলের চেয়ে নবম পে স্কেলে বেতন কতটা বাড়বে?
উত্তর: পূর্ণ বাস্তবায়নে গড়ে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাবেন কর্মচারীরা। নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের শতভাগ বা তার বেশি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশ্ন: পে কমিশন কে গঠন করেছিল এবং কমিশনের সুপারিশ কী ছিল?
উত্তর: ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার পে কমিশন গঠন করে। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে পুনর্গঠিত কমিটি কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে তিন ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেয়।
প্রশ্ন: পে স্কেল ২০২৬-এ কি ভাতা বাড়বে?
উত্তর: হ্যাঁ। যাতায়াত ভাতা, টিফিন ভাতা, ধোলাই ভাতা ও ঝুঁকি ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে, তবে তা তৃতীয় ধাপ অর্থাৎ ২০২৮-২৯ অর্থবছরে সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে।
প্রশ্ন: বেসরকারি শিক্ষকরা কি নবম পে স্কেল পাবেন?
উত্তর: সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সরাসরি পাবেন। এমপিওভুক্ত (সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত) বেসরকারি শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আলাদা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সম্পূর্ণ বেসরকারি শিক্ষকরা সরাসরি এই পে স্কেলের আওতাভুক্ত নন।
সাধারণ মানুষের উপর এই পে স্কেলের প্রভাব
নবম পে স্কেল শুধু সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন আনবে না, এটি দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলবে:
- ভোগ ব্যয় বাড়বে: বেতন বৃদ্ধি পেলে পণ্য ও সেবার চাহিদা বাড়বে, যা অর্থনীতি চাঙ্গা করতে পারে।
- মূল্যস্ফীতির সামান্য ঝুঁকি: হঠাৎ বেশি টাকা বাজারে এলে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে।
- বাড়িভাড়া বাড়তে পারে: বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বড় শহরগুলোতে।
- সরকারি সেবায় মনোযোগ বাড়তে পারে: সন্তোষজনক বেতন পেলে দুর্নীতি কমতে পারে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন।
কীভাবে নিজের নতুন বেতন হিসাব করবেন?
প্রথম ধাপে (জুলাই ২০২৬) আপনার বেতন হিসাব করার সহজ পদ্ধতি:
১. উপরের তালিকা থেকে আপনার গ্রেড খুঁজে নিন। ২. সেই গ্রেডের প্রস্তাবিত বেতনের নিম্ন সীমাটি দেখুন — এটিই প্রথম ধাপে প্রাপ্য মূল বেতন। ৩. মূল বেতনের সাথে বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা এবং অন্যান্য ভাতা যুক্ত হবে।
উদাহরণ: আপনি যদি ৯ম গ্রেডের কর্মচারী হন, তাহলে প্রথম ধাপে মূল বেতন পাবেন ৩৩,০০০ টাকা। এর সাথে প্রযোজ্য ভাতা যুক্ত হলে মোট বেতন আরও বেশি হবে।
বর্তমান অবস্থা: সর্বশেষ আপডেট (জুন ২০২৬)
- অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে বাস্তবায়নের তারিখ নিশ্চিত করেছেন।
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিন ধাপে বাস্তবায়নে নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন।
- ২০২৬-২৭ বাজেটে প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দের পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে।
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন কমিটি চূড়ান্ত রূপরেখা প্রস্তুতে কাজ করছে।
- গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির পর চূড়ান্ত গ্রেডভিত্তিক বেতন তালিকা প্রকাশিত হবে।
শেষকথা
প্রস্তাবিত পে স্কেল ২০২৬ বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন। ১১ বছর পর আসা এই বেতন বৃদ্ধি নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষভাবে সহায়ক হবে। তবে তিন ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তে কিছুটা হতাশাও রয়েছে কর্মচারীদের মধ্যে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো — এই পে স্কেলের পূর্ণাঙ্গ সুফল পেতে কর্মচারীদের ২০২৮-২৯ অর্থবছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের পর বিস্তারিত জানতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম অনুসরণ করুন।
বিশ্বাসযোগ্য সূত্রসমূহ
- অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার
- দৈনিক ইত্তেফাক (ittefaq.com.bd)
- ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা (bangla.dhakatribune.com)
- ওয়ান নিউজ বিডি (onenewsbd.com)
- বাংলাভিশন নিউজ (bvnews24.com)
- এডু ডেইলি ২৪ (edudaily24.com)
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”


