কোরবানির গোশত বন্টনের নিয়ম হলো মোট গোশতকে তিন ভাগে ভাগ করা: ১ ভাগ নিজের পরিবারের জন্য, ১ ভাগ আত্মীয়-বন্ধু-প্রতিবেশীর জন্য এবং ১ ভাগ গরিব-মিসকিনদের জন্য। এটি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত এবং অধিকাংশ ইসলামিক স্কলার একে মুস্তাহাব (উত্তম কাজ) বলেছেন।
কোরবানির গোশত বন্টন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ঈদুল আযহার দিন কোরবানি করার পর শুধু পশু জবাই করাই যথেষ্ট নয়। সেই গোশত সঠিকভাবে বন্টন করাও ইবাদতের অংশ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন —
📖 কোরআনুল কারিম — সূরা হজ, আয়াত ২৮
“তোমরা খাও এবং অভাবগ্রস্ত দরিদ্র লোকদের খাওয়াও।”
📖 কোরআনুল কারিম — সূরা হজ, আয়াত ৩৬
“তা থেকে তোমরা আহার করো এবং আহার করাও — যে কিছু চায় না তাকে এবং যে চায় তাকেও।”
এই আয়াত থেকে পরিষ্কার যে কোরবানির গোশত তিন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ভাগ করা ইসলামের একটি মূল শিক্ষা। এটি শুধু নিজের জন্য নয়, সমাজের দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত মানুষের অধিকার সুনিশ্চিত করার জন্যও।
বাংলাদেশে প্রতি বছর কোরবানির ঈদে লক্ষাধিক পশু কোরবানি হয়। সঠিকভাবে গোশত বন্টন হলে দেশের গরিব ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষরাও এই ঈদের আনন্দে শামিল হতে পারেন।
তিন ভাগের নিয়ম — কোরআন ও হাদিসের দলিল
রাসুলুল্লাহ ﷺ কোরবানির গোশত কীভাবে ভাগ করতেন তা একাধিক বিশুদ্ধ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
📜 হাদিস — আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণিত
“রাসুলুল্লাহ ﷺ কোরবানির মাংস এক ভাগ নিজের পরিবারকে খাওয়াতেন, এক ভাগ গরিব প্রতিবেশীদের দিতেন এবং এক ভাগ গরিব-মিসকিনদের দিতেন।”
— ইবনে মাসঊদ (রা.) সূত্রেও একই বর্ণনা পাওয়া যায়
ইমাম ইবনে মাসঊদ (রা.) নিজেও কোরবানির গোশত তিন ভাগ করতেন — এক ভাগ নিজেরা খেতেন, এক ভাগ যাকে চাইতেন তাকে খাওয়াতেন এবং এক ভাগ ফকির-মিসকিনকে দিতেন।
🏠
১/৩
নিজের পরিবার
নিজে ও পরিবারের সদস্যরা এই অংশ খাবেন
🤝
১/৩
আত্মীয় ও বন্ধু
আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের হাদিয়া
🫶
১/৩
গরিব-মিসকিন
ফকির, মিসকিন ও ইয়াতিমদের জন্য দান
⚠️ জরুরি জানুন
অধিকাংশ ইসলামিক স্কলার গোশত তিন ভাগে ভাগ করাকে মুস্তাহাব (উত্তম কাজ) বলেছেন — ফরজ বা ওয়াজিব নয়। তবে কেউ যদি পুরো গোশত একাই রেখে দেন, কোরবানি বৈধ হবে কিন্তু এটি নববী শিক্ষার পরিপন্থী এবং বখিলতার পরিচয়।
ধাপে ধাপে গোশত বন্টনের সঠিক পদ্ধতি
কোরবানির গোশত বন্টনের সময় নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
গোশত পরিষ্কার ও ওজন করুন
জবাইয়ের পর গোশত ভালো করে পরিষ্কার করে মোট ওজন নির্ধারণ করুন। ওজন জানা থাকলে সমান ভাগ সহজ হয়।
তিন সমান ভাগে বিভক্ত করুন
মোট গোশতকে মোটামুটি তিন সমান ভাগে ভাগ করুন। সামান্য কম-বেশি হলে সমস্যা নেই, নিয়তের বিশুদ্ধতাই মূল।
গরিব-মিসকিনের ভাগ আগে আলাদা করুন
গরিব মানুষদের অংশটি প্রথমে আলাদা করে রাখুন যাতে পরে ভুলে না যান। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের কাছে পৌঁছে দিন।
আত্মীয়-বন্ধুদের ভাগ বিতরণ করুন
দ্বিতীয় ভাগটি আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের মধ্যে ভাগ করুন। সম্পর্ক মজবুত রাখার এটি একটি সুযোগ।
তৃতীয় ভাগ নিজের পরিবারের জন্য রাখুন
বাকি এক ভাগ নিজের পরিবারের জন্য রাখুন। প্রয়োজনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারবেন।
কে কতটুকু পাবে — বিস্তারিত ব্যাখ্যা
| ভাগ | পরিমাণ | কাদের দেবেন | বিধান |
|---|---|---|---|
| নিজের পরিবার | ১/৩ অংশ | নিজে ও পরিবারের সদস্যরা | মুস্তাহাব |
| আত্মীয়-বন্ধু | ১/৩ অংশ | আত্মীয়, প্রতিবেশী, বন্ধু (ধনী হলেও দেওয়া যাবে) | মুস্তাহাব |
| গরিব-মিসকিন | ১/৩ অংশ | ফকির, মিসকিন, ইয়াতিম, অসহায় ব্যক্তি | অত্যন্ত জরুরি |
গরিব-মিসকিনের অংশ নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা
- গরিব ব্যক্তিকে কাঁচা গোশত দেওয়াই উত্তম, যাতে তিনি নিজের মতো রান্না করতে পারেন।
- রান্না করা গোশতও দেওয়া যাবে, তবে পরিমাণে কম হয়ে যায়।
- এলাকার চেনা গরিব মানুষদের অগ্রাধিকার দিন।
- এতিমখানা বা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরও দেওয়া যেতে পারে।
- নিজের পরিচিত অভাবী প্রতিবেশীকে অবশ্যই মনে রাখুন।
কোন মাযহাবে কী বলা হয়েছে?
হানাফি, মালিকি, হাম্বলি মাযহাব অনুযায়ী তিন ভাগে বন্টন করা মুস্তাহাব। শাফেয়ী মাযহাবে পুরো গোশত নিজের জন্য রেখে দেওয়া বা সম্পূর্ণ দান করা জায়েজ, তবে তিন ভাগে বন্টন করাকেই মুস্তাহাব বলা হয়েছে।
ভাগে (শরিক) কোরবানি ও গোশত ভাগের নিয়ম
বাংলাদেশে অনেক পরিবার একসাথে গরু কিনে ভাগে কোরবানি দেন। এই ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলতে হবে।
📜 হাদিস — জাবের (রা.) বর্ণিত (সহিহ মুসলিম: ১৩১৮)
“আমরা নবীজি ﷺ-এর সঙ্গে হজ করেছিলাম, তখন আমরা সাতজন করে একটি উট এবং একটি গরুতে শরিক হয়ে কোরবানি করেছি।”
ভাগে কোরবানির মূল নিয়মগুলো
- গরু, মহিষ ও উটে সর্বোচ্চ ৭ জন শরিক হতে পারবেন। ৭ জনের বেশি হলে কারও কোরবানি শুদ্ধ হবে না। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৭)
- ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দিয়ে শুধুমাত্র একজনই কোরবানি দিতে পারবেন। এগুলোতে ভাগে কোরবানি জায়েজ নয়।
- প্রত্যেক শরিকের অংশ সমান হতে হবে। কারও আধা ভাগ, কারও দেড় ভাগ হলে কোনো শরিকের কোরবানি শুদ্ধ হবে না।
- প্রতিটি শরিকের নিয়ত বিশুদ্ধ হতে হবে। কেউ যদি শুধু গোশত খাওয়ার নিয়তে অংশ নেন (আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়ত না থাকে), তাহলে সকলের কোরবানিই বাতিল হয়ে যাবে।
- শরিকানা কোরবানিতে গোশত ওজন করে সমান ভাগে ভাগ করা জরুরি। অনুমান করে ভাগ করলে সমস্যা হতে পারে।
⚠️ সতর্কতা — গোশতের বদলে টাকা নেওয়া
ভাগে কোরবানিতে কেউ গোশতের বদলে টাকা নিতে পারবেন না। প্রত্যেক শরিক নিজের অংশের গোশত পাবেন। টাকা নিলে শরিকানায় সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কোরবানির চামড়ার বিধান
কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি থাকে। ইসলামিক শরিয়া অনুযায়ী এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
চামড়ার ব্যাপারে করণীয়
- চামড়া নিজে ব্যবহার করা যাবে: জায়নামায, মশক, জুতা ইত্যাদি তৈরির জন্য নিজে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বৈধ।
- চামড়া বিক্রির টাকা নিজে রাখা যাবে না: চামড়া বিক্রি করলে সেই টাকা গরিব-মিসকিন বা জনকল্যাণমূলক কাজে দান করতে হবে। নিজের কাজে খরচ করা বৈধ নয়। (বাদায়েউস সানায়ে ৪/২২৪)
- কসাইকে পারিশ্রমিক হিসেবে চামড়া দেওয়া যাবে না: রাসুলুল্লাহ ﷺ স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন — চামড়া বা গোশতের বিনিময়ে কসাইকে মজুরি দেওয়া যাবে না। কসাইয়ের পারিশ্রমিক নগদ টাকায় দিতে হবে।
- চামড়া এতিমখানা বা মাদ্রাসায় দেওয়া যাবে: এটি উত্তম এবং সওয়াবের কাজ।
📜 তথ্যসূত্র — বাদায়েউস সানায়ে ৪/২২৪, সহিহ মুসলিম ২/১৫৯
কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার না করে গরিব-দুস্থ ও ইসলামিক জনকল্যাণমূলক কাজে দান করতে হবে।
বাংলাদেশে ২০২৬ সালে চামড়ার নির্ধারিত মূল্য
সরকার ২০২৬ সালে কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করেছে। লবণযুক্ত গরুর চামড়ার সর্বনিম্ন মূল্য ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুটে নির্ধারিত এবং ঢাকায় তুলনামূলক বেশি। তড়িঘড়ি করে চামড়া না বিক্রি করে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কোরবানির গোশত সংরক্ষণের হুকুম
অনেকে ভাবেন কোরবানির গোশত বেশি দিন রাখা যাবে না। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
📜 হাদিস — সহিহ বুখারি (হা: ৫৫৬৯), সহিহ মুসলিম (হা: ১৯৭১)
“রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন: আমি তোমাদের তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমাদেরকে অনুমতি দিচ্ছি — তোমরা খাও, প্রয়োজনমতো জমা রাখো।”
অন্য বর্ণনায়: “খাও, সদকা কর এবং জমা রাখো।”
- কোরবানির গোশত ফ্রিজে রাখা এবং সংরক্ষণ করা সম্পূর্ণ জায়েজ।
- ইসলামের প্রাথমিক যুগে তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা পরে রহিত হয়ে গেছে।
- আধুনিক প্রযুক্তিতে ফ্রিজে দীর্ঘ সময় গোশত সংরক্ষণ করা বৈধ।
- তবে বেশি গোশত ঘরে রেখে গরিব মানুষদের বঞ্চিত করা উচিত নয়।
সাধারণ ভুলগুলো — যা এড়িয়ে চলবেন
চামড়ার টাকা নিজে রেখে দেওয়া
অনেকে চামড়া বিক্রির টাকা নিজের খরচে ব্যবহার করেন, যা শরিয়ত সম্মত নয়। এই টাকা গরিবদের হক।
কসাইকে গোশত বা চামড়া পারিশ্রমিক দেওয়া
কসাইয়ের মজুরি সবসময় নগদ টাকায় দিতে হবে — গোশত, চামড়া বা রশি দিয়ে নয়।
ভাগে কোরবানিতে ৭ জনের বেশি শরিক নেওয়া
গরু বা মহিষে ৭ জনের বেশি শরিক হলে সকলের কোরবানিই শুদ্ধ হবে না।
গোশত অনুমান করে ভাগ করা
ভাগে কোরবানিতে ওজন না করে অনুমানে ভাগ করলে এক শরিক বেশি বা কম পেতে পারেন, যা ঝগড়ার কারণ হতে পারে।
গরিব মানুষদের সম্পূর্ণ বঞ্চিত করা
পুরো গোশত নিজে রেখে দেওয়া বৈধ হলেও এটি ইসলামের মানবিক শিক্ষার বিরোধী। গরিব-মিসকিনের হক মনে রাখুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কোরবানির গোশত কি তিন ভাগ করা ফরজ?
না, তিন ভাগে বন্টন করা ফরজ বা ওয়াজিব নয়। অধিকাংশ ইসলামিক স্কলার এটিকে মুস্তাহাব (উত্তম ও পছন্দনীয় কাজ) বলেছেন। কেউ পুরো গোশত নিজে রাখলেও কোরবানি বৈধ হবে, তবে এটি নববী শিক্ষার পরিপন্থী।
অমুসলিম প্রতিবেশীকে কি কোরবানির গোশত দেওয়া যাবে?
হ্যাঁ, অমুসলিম প্রতিবেশীকেও কোরবানির গোশত দেওয়া জায়েজ, বিশেষত আত্মীয়-প্রতিবেশীর ভাগ থেকে। এতে সম্পর্ক মধুর হয় এবং ইসলামের সৌন্দর্য প্রকাশ পায়।
ছাগলের কোরবানিতে কি একাধিক পরিবার শরিক হতে পারবে?
না। ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দিয়ে একমাত্র একজনই কোরবানি দিতে পারবেন। এসব পশুতে একাধিক ব্যক্তি শরিক হওয়া বৈধ নয়।
কোরবানির গোশত বিক্রি করা যাবে কি?
না। কোরবানির গোশত বিক্রি করা সম্পূর্ণ হারাম। এটি খাওয়া, হাদিয়া বা দান করা যাবে, তবে বিক্রি করা যাবে না।
কোরবানির রশি, কাঠ ও অন্যান্য উপকরণের কী হবে?
কোরবানির পশুকে বাঁধার রশি, জুয়াল বা অন্য কোনো উপকরণ বিক্রি করা বা কসাইকে মজুরি হিসেবে দেওয়া জায়েজ নয়। এগুলো সদকা করে দেওয়া উত্তম।
কোরবানির গোশত কতদিন রাখা যাবে?
কোরবানির গোশত ফ্রিজে বা অন্য পদ্ধতিতে যতদিন ইচ্ছা সংরক্ষণ করা সম্পূর্ণ বৈধ। ইসলামের প্রাথমিক যুগে তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা পরবর্তীতে রহিত হয়ে গেছে। (সহিহ বুখারি: ৫৫৬৯)
কোরবানির গোশত না দিলে কি গুনাহ হবে?
তিন ভাগে বন্টন করা মুস্তাহাব, ফরজ নয়। তাই না দিলে সরাসরি গুনাহ নেই। তবে গরিব মানুষদের বঞ্চিত করা ইসলামের মানবিক শিক্ষার বিরোধী এবং এটি নববী আদর্শ থেকে বিচ্যুতি।
কোরবানির গরুর মাথা, পা ও ভুঁড়ির হুকুম কী?
মাথা, পা, ভুঁড়ি — পশুর সব অংশ গোশতের মতোই। এগুলোও তিন ভাগে বন্টন করা যায় অথবা গরিবদের দেওয়া যায়। এগুলো বিক্রি করা যাবে না।
ভাগে কোরবানিতে এক শরিক মারা গেলে কী হবে?
কোরবানির আগে কোনো শরিক মারা গেলে তার ওয়ারিশরা সম্মত হলে কোরবানি বৈধ হবে। তবে জবাইয়ের সময় মৃত ব্যক্তির নামে নিয়ত করে কোরবানি দেওয়া যায়।
কোরবানির মাংস কি দূরে পাঠানো যাবে?
হ্যাঁ, কোরবানির মাংস দূরের আত্মীয়, বন্ধু বা গরিব মানুষদের কাছে পাঠানো সম্পূর্ণ বৈধ এবং সওয়াবের কাজ। এমনকি অন্য শহরে বা দেশে পাঠানো যাবে।
কোরবানির পশুর দুধ কি খাওয়া যাবে?
কোরবানির পশুকে নির্ধারিত করার পর সেটির দুধ পান করা বা বিক্রি করা মাকরুহ। যদি বাচ্চা থাকে তাহলে বাচ্চার জন্য প্রয়োজনীয় দুধ রেখে বাকি দুধ সদকা করে দেওয়া উত্তম।
📚 তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স
- পবিত্র কোরআন — সূরা হজ, আয়াত ২৮ ও ৩৬
- সহিহ বুখারি — হাদিস নং ৫৫৬৯
- সহিহ মুসলিম — হাদিস নং ১৩১৮, ১৯৭১
- বাদায়েউস সানায়ে — ৪/২০৭, ৪/২২৪
- মুয়াত্তা মালেক — ১/৩১৮
- ইলাউস সুনান — ১৭/২৭০
- আজকের পত্রিকা — ড. আবু সালেহ মুহাম্মদ তোহা, জুন ২০২৫
- ঢাকা পোস্ট — কোরবানির গোশত যেভাবে বন্টন করবেন, জুলাই ২০২৩
- খবরের কাগজ — কোরবানির গোশত বণ্টন করার সঠিক পদ্ধতি
এই আর্টিকেলটি কোরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে তৈরি। কোনো জটিল মাসআলার জন্য স্থানীয় বিশ্বস্ত আলেমের পরামর্শ নিন।
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”
