জিলহজ্জ মাসের আমল: ফজিলত, রোজা, কোরবানি ও করণীয়

জিলহজ্জ মাসের আমল ফজিলত, রোজা, কোরবানি ও করণীয়

জিলহজ্জ মাসের আমল হলো সেই বিশেষ ইবাদতসমূহ যা এই মাসে পালন করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। প্রধান আমলগুলো হলো:

  • প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা (বিশেষত ৯ জিলহজ্জ আরাফার রোজা)
  • বেশি বেশি তাকবির, তাহমিদ ও তাহলিল পড়া
  • তাওবা-ইস্তেগফার করা
  • দান-সদকা করা
  • চুল ও নখ না কাটা (কোরবানিদাতার জন্য)
  • কোরবানি করা
  • হজ পালন করা (সামর্থ্যবান হলে)

জিলহজ্জ মাস কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

আরবি বারো মাসের মধ্যে জিলহজ্জ হলো সর্বশেষ এবং অন্যতম সম্মানিত মাস। এটি বছরের চারটি হারাম বা সম্মানিত মাসের একটি। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেন:

“নিশ্চয়ই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাস ১২টি, আসমান ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত।” — (সুরা তাওবা: ৩৬)

হাদিসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ওই চারটি সম্মানিত মাস হলো জিলকদ, জিলহজ্জ, মহররম ও রজব। এছাড়া আল্লাহ তাআলা সুরা ফজরে জিলহজ্জের প্রথম দশ রাতের কসম করে বলেছেন:

“শপথ প্রভাতের। শপথ দশ রাতের।” — (সুরা ফজর: ১-২)

তাফসিরবিদদের মতে, এই দশ রাত বলতে জিলহজ্জের প্রথম দশককেই বোঝানো হয়েছে।

২০২৬ সালে জিলহজ্জ মাস কবে শুরু?

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ও সম্ভাব্য তারিখ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশে ঈদুল আজহা সম্ভাব্যভাবে ২৭ বা ২৮ মে উদযাপিত হবে (১০ জিলহজ্জ ১৪৪৭ হিজরি)।

গুরুত্বপূর্ণ নোট: চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করে চাঁদ দেখার উপর। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনের ফজিলত

প্রথম দশক কেন সর্বশ্রেষ্ঠ?

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

“পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ দিনসমূহ হলো জিলহজের প্রথম ১০ দিন।” — (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব: ১৭৮৫)

আরেকটি হাদিসে এসেছে:

“জিলহজের প্রথম দশকের নেক আমল আল্লাহর কাছে যত প্রিয়, আর কোনো দিনের আমল তত প্রিয় নয়। এ দিনগুলোর এক দিনের রোজা এক বছরের রোজার সমতুল্য এবং এক রাতের ইবাদত শবে কদরের ইবাদততুল্য।” — (তিরমিজি: ১/১৫৮)

সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, জিহাদও কি এর চেয়ে উত্তম নয়? নবীজি বললেন, না— শুধুমাত্র সেই ব্যক্তি ছাড়া, যে নিজের জান ও মাল নিয়ে জিহাদে বেরিয়ে গেল এবং কিছুই ফিরিয়ে আনল না। (সহিহ বুখারি: ৯৬৯)

এই তুলনা থেকেই বোঝা যায়, জিলহজ্জের প্রথম দশক কতটা অতুলনীয় মর্যাদার।

জিলহজ্জ মাসের আমল সমূহ — বিস্তারিত

১. রোজা রাখা (বিশেষত আরাফার রোজা)

জিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা সুন্নত। উম্মুল মোমেনিন হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) চারটি আমল কখনো ছাড়তেন না। তার একটি ছিলো জিলহজ্জের প্রথম দশকের রোজা। (আবু দাউদ: ২১০৬)

আরাফার রোজা (৯ জিলহজ্জ) বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ:

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

“আরাফার দিনের রোজা পূর্বের এক বছরের এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহের কাফ্ফারা হবে।” — (সহিহ মুসলিম)

মনে রাখুন: যারা হজে আছেন, তারা ৯ জিলহজ্জ রোজা রাখবেন না। এই রোজা শুধু যারা হজে নেই তাদের জন্য।

২. তাকবির, তাহমিদ ও তাহলিল পাঠ

জিলহজ্জের প্রথম দশকে বেশি বেশি এই জিকির পড়া উচিত:

  • তাকবির: আল্লাহু আকবার (اللَّهُ أَكْبَرُ)
  • তাহলিল: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ)
  • তাহমিদ: আলহামদুলিল্লাহ (الْحَمْدُ لِلَّهِ)
  • তাসবিহ: সুবহানাল্লাহ (سُبْحَانَ اللَّهِ)

নবীজি (সা.) বলেছেন: “এ দিবসগুলোতে তোমরা বেশি তাকবির, তাহলিল ও তাহমিদ পড়ো।” (মুসনাদে আহমাদ: ৭/২২৪)

ইবনে ওমর (রা.) ও আবু হুরায়রা (রা.) এই দশ দিন তাকবির বলতে বলতে বাজারে যেতেন। মানুষেরাও তাদের দেখে তাকবির বলত। (সহিহ বুখারি)

৩. তাওবা ও ইস্তেগফার

জিলহজ্জের মতো মর্যাদাপূর্ণ মাসে সত্যিকারের তওবা করার বিশেষ তাৎপর্য আছে। আল্লাহ তাআলা বলেন:

“কিন্তু যারা তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গুনাহগুলোকে নেকি দিয়ে পরিবর্তন করে দেবেন।” — (সুরা ফুরকান: ৭০)

আলেমরা পরামর্শ দেন, মাসের শুরুতেই আন্তরিক তাওবা করে নিজেকে পবিত্র করে নেওয়া উচিত।

৪. দান-সদকা করা

জিলহজ্জ মাসে দান-সদকা করার সওয়াব অনেক বেশি। বিশেষ সময়ে নেক কাজের প্রতিদান আল্লাহ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেন। আল্লাহ বলেন:

“যারা নিজের সম্পদ দিনে বা রাতে প্রকাশ্যে অথবা গোপনে আল্লাহর পথে খরচ করে, তাদের পুরস্কার তাদের প্রতিপালকের কাছে আছে।” — (সুরা বাকারা: ২৭৪)

৫. চুল ও নখ না কাটা (কোরবানিদাতার জন্য)

যারা কোরবানি করবেন, তাদের জন্য জিলহজ্জের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি করার আগ পর্যন্ত চুল, নখ ও গোঁফ না কাটা সুন্নত।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

“তোমাদের মধ্যে যারা কোরবানি করবে, তারা যেন চুল ও নখ না কাটে।” — (সহিহ মুসলিম: ৫০১১; ইবনে মাজাহ)

তবে মনে রাখুন:

  • জিলহজ্জের চাঁদ ওঠার আগেই নখ, গোঁফ ও প্রয়োজনীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সেরে রাখুন।
  • কোরবানির পর ওই দিনের মধ্যে নখ-চুল কাটা সুন্নত।
  • যারা কোরবানি করবেন না বা পরিবারের অন্য সদস্যরা, তাদের এই বিধান প্রযোজ্য নয়।

৬. কোরবানি করা

কোরবানি হলো জিলহজ্জ মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

“কোরবানির দিনের আমলসমূহের মধ্য থেকে পশু কোরবানি করার চেয়ে কোনো আমল আল্লাহ তাআলার নিকট অধিক প্রিয় নয়। কিয়ামতের দিন এই কোরবানিকে তার শিং, পশম ও ক্ষুরসহ উপস্থিত করা হবে।” — (জামে তিরমিজি: ১৪৯৩)

কোরবানির নিসাব: যার কাছে ১০ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১২ জিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপা বা সমপরিমাণ অর্থ আছে, তার উপর কোরবানি ওয়াজিব।

কোরবানির সময়: ১০ জিলহজ্জ ঈদের নামাজের পর থেকে ১২ জিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

৭. তাকবিরে তাশরিক পড়া

৯ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রতিটি ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব:

اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

৮. ঈদুল আজহার দিনের বিশেষ আমল

ঈদের দিন (১০ জিলহজ্জ) যা করবেন:

ধাপে ধাপে:

  1. ভোর থেকে না খেয়ে থাকুন (কোরবানির গোশত দিয়ে প্রথম আহার করা সুন্নত)
  2. গোসল করুন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হন
  3. ভালো পোশাক পরুন
  4. যথাসম্ভব পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যান
  5. যাওয়ার পথে তাকবির পড়ুন
  6. ঈদগাহে নামাজ আদায় করুন
  7. এক পথে যান, অন্য পথে আসুন
  8. পরস্পর দেখা হলে বলুন: تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ (তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)
  9. নিজের কোরবানি নিজে করা মুস্তাহাব
  10. কোরবানির গোশত তিন ভাগ করুন — নিজের জন্য, আত্মীয়দের জন্য, গরিবদের জন্য

৯. হজ পালন করা

জিলহজ্জ মাসের সবচেয়ে বড় ইবাদত হলো হজ। সামর্থ্যবান প্রতিটি মুসলমানের উপর জীবনে একবার হজ ফরজ।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “মকবুল হজের একমাত্র প্রতিদান হলো জান্নাত।” (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)

১০. নফল ইবাদত বৃদ্ধি করা

জিলহজ্জের প্রথম দশকে নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, দরুদ পড়া, ও রাতে ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

আইয়ামে তাশরিক — ১১, ১২ ও ১৩ জিলহজ্জের করণীয়

ঈদের পরের তিন দিনকে আইয়ামে তাশরিক বলা হয়। এই দিনগুলোতে:

  • রোজা রাখা নিষিদ্ধ
  • বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করুন
  • প্রতি ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়ুন (১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত)
  • মিনার দিন (হজে থাকলে) নুসুক সম্পন্ন করুন

জিলহজ্জ মাসের বিশেষ দিনগুলো এক নজরে

তারিখবিশেষত্ব
১–৮ জিলহজ্জরোজা রাখা, জিকির ও নফল ইবাদত
৮ জিলহজ্জইয়াওমুত তারবিয়া (হজের প্রস্তুতির দিন)
৯ জিলহজ্জআরাফার দিন — সর্বোত্তম রোজা
১০ জিলহজ্জঈদুল আজহা ও কোরবানি
১১–১৩ জিলহজ্জআইয়ামে তাশরিক

যে ভুলগুলো আমরা করি

অনেকেই জিলহজ্জ মাস এলে শুধু কোরবানির প্রস্তুতিতেই ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু এই মাসের প্রথম দশকের রোজা, জিকির ও তাওবার বিষয়টি অনেকেই জানেন না বা ভুলে যান। মনে রাখবেন:

  • শুধু কোরবানি করলেই এই মাসের পূর্ণ ফজিলত পাওয়া যায় না।
  • প্রথম দশকের আমলে অবহেলা করা উচিত নয়।
  • আরাফার রোজা ছেড়ে দেওয়া বড় ক্ষতি।
  • তাকবিরে তাশরিক না পড়া উচিত নয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জিলহজ্জ মাসের প্রস্তুতি

বাংলাদেশে জিলহজ্জ মাস এলে ঈদুল আজহার উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। তবে ইবাদতের দিক থেকে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:

চাঁদ দেখার আগেই করুন:

  • নখ, চুল, গোঁফ কেটে পরিষ্কার হন
  • জিলহজ্জ শুরুর আগেই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা সম্পন্ন করুন

কোরবানির পশু নির্বাচনে:

  • হালাল পশু নিশ্চিত করুন
  • পশুর বয়স ও শর্ত জেনে নিন
  • ভ্যাটেরিনারি সার্টিফিকেট দেখুন

গোশত বিতরণে:

  • অন্তত এক তৃতীয়াংশ গরিব-দুঃখীদের দিন
  • প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের কথা মনে রাখুন

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর

জিলহজ্জ মাসের রোজা কতটি রাখা যায়?

জিলহজ্জের ১ তারিখ থেকে ৯ তারিখ (আরাফার দিন) পর্যন্ত মোট ৯টি রোজা রাখা যায়। ১০ তারিখ (ঈদের দিন) ও পরের তিন দিন (আইয়ামে তাশরিক) রোজা রাখা নিষিদ্ধ।

আরাফার রোজা না রাখলে কি গুনাহ হবে?

আরাফার রোজা ফরজ নয়, এটি সুন্নত ও নফল। না রাখলে গুনাহ নেই, তবে দুই বছরের গুনাহ মাফের এত বড় সুযোগ হাতছাড়া করা বিবেকমান মুসলমানের উচিত নয়।

জিলহজ্জ মাসে চুল ও নখ না কাটার বিধান কি সবার জন্য?

না। এই বিধান শুধু যারা কোরবানি করবেন তাদের জন্য। পরিবারের যেসব সদস্য কোরবানি করবেন না, তাদের এই বিধান প্রযোজ্য নয়। (সহিহ মুসলিম: ৫০১১)

কোরবানি না দিতে পারলে কী করব?

যার সামর্থ্য নেই, সে কোরবানি না দিলে গুনাহ নেই। তবে তিনি ১০ তারিখ চুল, নখ ও গোঁফ কেটে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারেন। আবু দাউদের বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ (সা.) একজনকে বলেছিলেন: চুল, নখ ও গোঁফ কেটে নিজেকে পরিষ্কার করাই তোমার কোরবানি।

ঈদুল আজহার দিন কী দিয়ে প্রথম খাবেন?

সুন্নত হলো কোরবানির গোশত রান্না না হওয়া পর্যন্ত ভোর থেকে না খেয়ে থাকা এবং কোরবানির গোশত দিয়েই প্রথম আহার করা।

তাকবিরে তাশরিক কখন থেকে কখন পর্যন্ত পড়তে হয়?

৯ জিলহজ্জ ফজরের নামাজের পর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসরের নামাজের পর পর্যন্ত। মোট ২৩টি ফরজ নামাজের পর।

জিলহজ্জ মাসে ওমরাহ করা যাবে?

হ্যাঁ, তবে হজের মৌসুমে সৌদি সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। হজ মৌসুমে ওমরাহর সুযোগ সীমিত থাকে।

কুরবানির পশুর বয়স কত হতে হবে?

  • গরু/মহিষ: কমপক্ষে ২ বছর
  • ছাগল/ভেড়া: কমপক্ষে ১ বছর (দুম্বা ৬ মাস)
  • উট: কমপক্ষে ৫ বছর

শেষ কথা

জিলহজ্জ মাস প্রতি বছর আসে একটি বার্তা নিয়ে — ত্যাগ, তাওবা, ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের অপূর্ব সুযোগ। শুধু কোরবানির আনন্দে মেতে না থেকে এই মাসের প্রথম দশকের রোজা, জিকির, দান-সদকা ও নফল ইবাদতে মনোযোগ দিন।

বাংলাদেশের লাখো মুসলমানের জন্য এই মাস শুধু উৎসবের নয়, বরং আত্মশুদ্ধির মৌসুম। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে জিলহজ্জ মাসের পূর্ণ ফজিলত অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স

  • সহিহ বুখারি (হাদিস: ৯৬৯)
  • সহিহ মুসলিম (হাদিস: ৫০১১, ৫০১৩)
  • জামে তিরমিজি (১/১৫৮; ১৪৯৩)
  • সুনানে আবু দাউদ (২১০৬)
  • মুসনাদে আহমাদ (৭/২২৪)
  • সহিহ ইবনে হিববান (২৮৪২)
  • আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব (১৭৮৫)
  • তাফসিরে ইবনে কাসির (৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৫৩৫)
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

এই আর্টিকেলটি বিশ্বস্ত হাদিস গ্রন্থ ও স্বীকৃত ইসলামিক স্কলারদের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি। যেকোনো মাসআলায় স্থানীয় আলেম বা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাথে পরামর্শ করুন।

Leave a Comment

Scroll to Top