বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড ১২৩তম ড্র ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ / ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে। এই ড্র-এ ১ম পুরস্কার বিজয়ী নম্বর ০০০১০৩৫, ২য় পুরস্কার ০০৪৯৯৪৮। মোট ৩,৮৬৪টি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
১২৩তম প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| ড্র নম্বর | ১২৩তম |
| তারিখ | ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩) |
| স্থান | ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় |
| বন্ডের মূল্যমান | ১০০/- (একশত) টাকা |
| মোট সিরিজ | ৮৪টি (চুরাশি) |
| মোট পুরস্কার | ৩,৮৬৪টি |
| প্রতি সিরিজে পুরস্কার | ৪৬টি |
| সভাপতি | জনাব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার |
প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ এপ্রিল — বিজয়ী নম্বর সমূহ
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: নিচের নম্বরগুলো ০০০০০০১ থেকে ১০,০০,০০০ পর্যন্ত প্রতিটি সিরিজের জন্য প্রযোজ্য। আপনার প্রাইজবন্ডের নম্বর যদি নিচের যেকোনো নম্বরের সাথে মিলে যায়, তাহলে আপনি পুরস্কারের যোগ্য।
🥇 ১ম পুরস্কার — টাকা ৬,০০,০০০/=
প্রতিটি সিরিজে ১টি করে মোট ৮৪টি পুরস্কার
০০০১০৩৫
🥈 ২য় পুরস্কার — টাকা ৩,২৫,০০০/=
প্রতিটি সিরিজে ১টি করে মোট ৮৪টি পুরস্কার
০০৪৯৯৪৮
🥉 ৩য় পুরস্কার — প্রতিটি ১,০০,০০০/= টাকা | মোট ২টি
প্রতিটি সিরিজে ২টি করে মোট ১৬৮টি পুরস্কার
| নম্বর ১ | নম্বর ২ |
|---|---|
| ০৫৩৮২৮৯ | ০৬৯৫৩৮২ |
4️⃣ ৪র্থ পুরস্কার — প্রতিটি ৫০,০০০/= টাকা | মোট ২টি
প্রতিটি সিরিজে ২টি করে মোট ১৬৮টি পুরস্কার
| নম্বর ১ | নম্বর ২ |
|---|---|
| ০৪০০৮৫১ | ০৫৬৯৬৪৪ |
5️⃣ ৫ম পুরস্কার — প্রতিটি ১০,০০০/= টাকা | মোট ৪০টি
প্রতিটি সিরিজে ৪০টি করে মোট ৩,৩৬০টি পুরস্কার
| ০০২১৭৪৯ | ০২১৭৪১৯ | ০৪৬১৪৯২ | ০৫৮৮৯৬৬ | ০৭৪৯৭৪০ |
| ০০২২১৮১ | ০২৪৬০৪৫ | ০৪৬২০৫৬ | ০৫৯৬৩৪৬ | ০৭৫৯৯০৮ |
| ০০৫৬৩৯৮ | ০২৯৬৪০২ | ০৪৯৮০১৫ | ০৬০০৮৮০ | ০৭৭২৯৯৩ |
| ০০৯২৩০৬ | ০৩১১১৩০ | ০৪৮০০৬৯ | ০৬০৯০৪৯ | ০৮১৩৬৫৯ |
| ০১৪৪৫৬৭ | ০৩৫৬৯৪২ | ০৫১২০২৪ | ০৬০৯৩৬৭ | ০৮৪৮০৪৬ |
| ০১৫৫০৯৮ | ০৩৯৩২৯৭ | ০৫৫১২২১ | ০৬৪২০০২ | ০৮৪৯৬১৪ |
| ০১৫৫৯০৪ | ০৪১৩০৫১ | ০৫৪৪৯৬০ | ০৬৫০১১৯ | ০৯২২৫৯৭ |
| ০১৯৫৭৯২ | ০৪৫২৪৪৩ | ০৫৭৩০৬৫ | ০৬৮৮৭৯৩ | ০৯৪৯৭৬৫ |
পুরস্কারের সারসংক্ষেপ — ১২৩তম ড্র
| পুরস্কার | পরিমাণ | সংখ্যা (প্রতি সিরিজ) | মোট সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| ১ম পুরস্কার | ৬,০০,০০০ টাকা | ১টি | ৮৪টি |
| ২য় পুরস্কার | ৩,২৫,০০০ টাকা | ১টি | ৮৪টি |
| ৩য় পুরস্কার | ১,০০,০০০ টাকা | ২টি | ১৬৮টি |
| ৪র্থ পুরস্কার | ৫০,০০০ টাকা | ২টি | ১৬৮টি |
| ৫ম পুরস্কার | ১০,০০০ টাকা | ৪০টি | ৩,৩৬০টি |
| সর্বমোট | — | ৪৬টি | ৩,৮৬৪টি |
বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড কী?
বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড হলো সরকারি একটি সঞ্চয় পত্র, যা বাংলাদেশ জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয় করা যায়। এটি মূলত একটি লটারি-ভিত্তিক সঞ্চয় পদ্ধতি যেখানে:
- বন্ডের মূল্যমান মাত্র ১০০ টাকা
- প্রতি তিন মাস পরপর ড্র অনুষ্ঠিত হয়
- বিজয়ী হলে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার পাওয়া যায়
- মূল টাকা যেকোনো সময় ফেরত নেওয়া যায়
- এটি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত — বিনিয়োগ নিরাপদ
প্রাইজবন্ড কেন কিনবেন?
১. মূল অর্থ নিরাপদ: ১০০ টাকা বিনিয়োগ করলে সেই টাকা কখনো হারায় না।
২. বড় পুরস্কারের সুযোগ: প্রতি ড্র-এ ৩,৮৬৪টি পুরস্কার থাকে।
৩. সহজলভ্য: যেকোনো ব্যাংক ও পোস্ট অফিস থেকে কেনা যায়।
৪. সরকারি নিশ্চয়তা: সম্পূর্ণ সরকার-নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ।
প্রাইজবন্ড ড্র ২০২৬ — পুরস্কার দাবির নিয়ম
কীভাবে পুরস্কার দাবি করবেন?
আপনার প্রাইজবন্ড নম্বর বিজয়ী তালিকায় থাকলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
ধাপ ১: ড্র ঘোষণার তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
ধাপ ২: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন:
- মূল প্রাইজবন্ড (বিক্রয়ের তারিখ বাদ দিয়ে)
- জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
- দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- ব্যাংক একাউন্ট নম্বর
ধাপ ৩: নিকটস্থ জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো অফিসে যোগাযোগ করুন।
ধাপ ৪: পুরস্কারের উপর ২০% উৎসে কর কর্তন করা হবে (আয়কর আইন ২০২৩ এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী)।
উদাহরণ: ৬,০০,০০০ টাকার ১ম পুরস্কার পেলে ২০% কর কাটার পর হাতে পাবেন ৪,৮০,০০০ টাকা।
প্রাইজবন্ড ড্র কীভাবে পরিচালিত হয়?
বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড ড্র একক সাধারণ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়, অর্থাৎ:
- প্রতিটি সিরিজের জন্য একটিই নম্বর নির্বাচিত হয়
- একই নম্বর ৮৪টি সিরিজে থাকলে ৮৪টি বন্ড পুরস্কার পাবে
- ১ম পুরস্কার ঘোষিত হলে সেই নম্বরটি প্রতিটি সিরিজে ১ম পুরস্কার হিসেবে গণ্য হয়
- ড্র-এর তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে দাবি না করলে পুরস্কার বাতিল হয়
২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড ড্র সময়সূচি
| ড্র নম্বর | আনুমানিক তারিখ | বিভাগ |
|---|---|---|
| ১২৩তম | ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ✅ | ঢাকা |
| ১২৪তম | জুলাই ২০২৬ (প্রস্তাবিত) | — |
| ১২৫তম | অক্টোবর ২০২৬ (প্রস্তাবিত) | — |
নোট: প্রতি বছর সাধারণত জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই ও অক্টোবরে ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
প্রাইজবন্ড কোথায় কিনবেন ও বিক্রি করবেন?
ক্রয়ের স্থান:
- সোনালী ব্যাংক সকল শাখা
- বাংলাদেশ ডাকঘর (পোস্ট অফিস)
- জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো অফিস সমূহ
- অনুমোদিত বাণিজ্যিক ব্যাংক শাখা
বিক্রয়ের নিয়ম:
- যেকোনো সময় মূল মূল্যে বিক্রয় করা যায়
- ক্রয়ের তারিখ থেকে ৬০ দিন পর থেকে ড্র-এর জন্য যোগ্য
- ড্র চলাকালীন বিক্রি করলেও সেই ড্র-এর জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত
সাধারন জিজ্ঞাসা
❓ বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড ১২৩তম ড্র কবে হয়েছে?
উত্তর: ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে।
❓ ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের প্রাইজবন্ড ড্রের ১ম পুরস্কার কত টাকা?
উত্তর: ১ম পুরস্কার হলো ৬,০০,০০০ (ছয় লাখ) টাকা।
❓ প্রাইজবন্ড পুরস্কার পেতে কত দিন সময় আছে?
উত্তর: ড্র ঘোষণার তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে পুরস্কার দাবি করতে হবে। এর পরে দাবি করলে পুরস্কার পাওয়া যাবে না।
❓ প্রাইজবন্ড পুরস্কারে কি কর দিতে হয়?
উত্তর: হ্যাঁ। আয়কর আইন ২০২৩ এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী পুরস্কারের উপর ২০% উৎসে কর কর্তন করা হয়।
❓ ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কি এখনো পাওয়া যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, ১০০ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড বর্তমানেও কেনা যায় এবং এটি প্রচলনযোগ্য।
❓ ১২৩তম ড্র-এ মোট কতটি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে?
উত্তর: মোট ৩,৮৬৪টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে — প্রতিটি সিরিজে ৪৬টি করে মোট ৮৪টি সিরিজে।
❓ প্রাইজবন্ড সিরিজ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: প্রতিটি সিরিজে ০০০০০০১ থেকে ১০,০০,০০০ পর্যন্ত নম্বরের বন্ড থাকে। বর্তমানে ৮৪টি সিরিজ চালু আছে (ক ক, ক খ, ক গ… ইত্যাদি)।
❓ প্রাইজবন্ডের উদাহরণ ব্যাখ্যা কী?
উত্তর: ধরুন, ঘোষিত ১ম পুরস্কার নম্বর ০০০১০৩৫। আপনার কাছে “কক” সিরিজের ০০০১০৩৫ নম্বরের বন্ড থাকলে আপনি ১ম পুরস্কার পাবেন। একই নম্বর ৮৪টি সিরিজে থাকলে মোট ৮৪ জন ১ম পুরস্কার পাবেন।
প্রাইজবন্ড বনাম অন্যান্য সঞ্চয় পদ্ধতি
| বৈশিষ্ট্য | প্রাইজবন্ড | সঞ্চয়পত্র | ব্যাংক FD |
|---|---|---|---|
| ন্যূনতম বিনিয়োগ | ১০০ টাকা | ১০,০০০ টাকা | সাধারণত ১,০০০+ |
| মূল অর্থ নিরাপদ? | ✅ হ্যাঁ | ✅ হ্যাঁ | ✅ হ্যাঁ |
| নির্দিষ্ট সুদ? | ❌ না | ✅ হ্যাঁ | ✅ হ্যাঁ |
| বড় পুরস্কার সুযোগ | ✅ আছে | ❌ নেই | ❌ নেই |
| ঝুঁকি | শূন্য | শূন্য | শূন্য |
| সহজে বিক্রয়যোগ্য | ✅ হ্যাঁ | মেয়াদান্তে | মেয়াদান্তে |
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সতর্কতা
- সমস্ত প্রাইজবন্ড যা বিক্রয় হয়েছে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্র-এর আওতায় আসবে।
- ড্র-এর নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিন পূর্বে (বিক্রয়ের তারিখ ধরে) যে সমস্ত প্রাইজবন্ড বিক্রি হয়েছে, সেগুলো এই ড্র-এর আওতায় আসবে।
- পুরস্কার দাবির সময় মূল বন্ড অবশ্যই জমা দিতে হবে।
- বন্ড হারিয়ে গেলে ডুপ্লিকেট বন্ড তোলার সুযোগ আছে, তবে নিয়মিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
সঠিক ফলাফল যাচাইয়ের উপায়
আপনার প্রাইজবন্ড নম্বর সত্যিই বিজয়ী কিনা তা নিশ্চিত করতে:
- সরকারি গেজেট পড়ুন
- জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট চেক করুন
- ব্যাংক বা পোস্ট অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করুন
- স্থানীয় সঞ্চয় ব্যুরো অফিসে যান
শেষকথা
বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড ১২৩তম ড্র ২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই ড্র-এ মোট ৩,৮৬৪ জন বিজয়ী হয়েছেন এবং সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়েছেন ৬,০০,০০০ টাকা। আপনার প্রাইজবন্ড থাকলে অবশ্যই উপরের তালিকার সাথে মিলিয়ে দেখুন এবং বিজয়ী হলে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে পুরস্কার দাবি করুন।
প্রাইজবন্ড কেনা একটি বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত — মাত্র ১০০ টাকায় ৬ লাখ টাকা জেতার সুযোগ, আর মূল বিনিয়োগ সবসময় নিরাপদ।
📌 বিশ্বাসযোগ্য উৎস ও রেফারেন্স:
- বাংলাদেশ জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর
- ফরম নং-পিবি-৪৩ (আনুষ্ঠানিক প্রাইজবন্ড ড্র ফলাফল পত্র)
- ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়
- আয়কর আইন ২০২৩, ধারা ১১৮
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”
