বাসন্তী পূজা ২০২৬ কবে?
২০২৬ সালের বাসন্তী পূজা (চৈত্র দুর্গাপূজা) শুরু হচ্ছে ২৪ মার্চ (মহাষষ্ঠী) এবং শেষ হচ্ছে ২৮ মার্চ (বিজয়াদশমী)। মহাষ্টমী ও সন্ধিপূজা পড়েছে ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার। সন্ধিপূজার শুভ মুহূর্ত: দুপুর ২টা ০৬ মিনিট থেকে ২টা ৫৪ মিনিট। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি ৯ থেকে ১৩ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ।
বসন্তের উষ্ণ হাওয়া, পলাশ–কৃষ্ণচূড়ার লালিমা আর ঢাকের বাদ্যি — এই তিন মিলিয়েই জেগে ওঠে বাংলার প্রাচীনতম দুর্গোৎসব: বাসন্তী পূজা। শারদীয়া দুর্গাপূজার চেয়েও প্রাচীন এই পূজাকে বলা হয় আদি দুর্গাপূজা। ২০২৬ সালে এই পবিত্র উৎসব মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই আর্টিকেলে আপনি পাবেন সম্পূর্ণ তারিখ, সঠিক সময়, পূজার পদ্ধতি, ইতিহাস এবং বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য প্রাসঙ্গিক সব তথ্য।
বাসন্তী পূজা ২০২৬ তারিখ ও সময়সূচি (Basanti Puja 2026 Dates)
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বাসন্তী পূজার মূল চার দিনের নির্ঘণ্ট নিচে দেওয়া হলো:
| পূজার দিন | বাংলা তারিখ | ইংরেজি তারিখ | বার |
|---|---|---|---|
| মহাষষ্ঠী (বোধন) | ৯ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৪ মার্চ ২০২৬ | মঙ্গলবার |
| মহাসপ্তমী | ১০ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৫ মার্চ ২০২৬ | বুধবার |
| মহাষ্টমী ও সন্ধিপূজা ⭐ | ১১ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৬ মার্চ ২০২৬ | বৃহস্পতিবার |
| মহানবমী | ১২ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৭ মার্চ ২০২৬ | শুক্রবার |
| বিজয়াদশমী (বিসর্জন) | ১৩ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৮ মার্চ ২০২৬ | শনিবার |
💡 দ্রষ্টব্য: চৈত্র নবরাত্রি শুরু হয় ১৯ মার্চ ২০২৬ থেকে। বাসন্তী পূজার মূল চার দিন অর্থাৎ ষষ্ঠী থেকে দশমী পড়েছে ২৪–২৮ মার্চ।
তিথি ও বিশেষ মুহূর্তের বিস্তারিত (Tithi Details 2026)
ষষ্ঠী তিথি (Shashthi Tithi)
- শুরু: ২৩ মার্চ ২০২৬, রাত্রি ৯টা ৩৭ মিনিট
- শেষ: ২৪ মার্চ ২০২৬, সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিট
- মূল কার্যক্রম: দেবীর বোধন ও আমন্ত্রণ, ষষ্ঠী পূজা
সপ্তমী তিথি (Saptami Tithi)
- শেষ: ২৫ মার্চ ২০২৬, বিকেল ৪টা ৪৯ মিনিট
- মূল কার্যক্রম: নবপত্রিকা স্নান, মহাসপ্তমী পূজা, পুষ্পাঞ্জলি
অষ্টমী তিথি ও সন্ধিপূজা (Ashtami & Sandhi Puja 2026)
- মহাষ্টমী: ২৬ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার
- কুমারী পূজা ও অঞ্জলির দিন
⏰ সন্ধিপূজার মাহেন্দ্রক্ষণ ২০২৬
দুপুর ২:০৬ – ২:৫৪ মিনিট
২৬ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) — মোট ৪৮ মিনিটের এই বিশেষ মুহূর্তে সন্ধিপূজা সম্পন্ন করতে হবে।
নবমী তিথি (Navami Tithi)
- শেষ: ২৭ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১২টা ২১ মিনিট
- মূল কার্যক্রম: মহানবমী পূজা, হোম যজ্ঞ
বিজয়াদশমী (Bijaya Dashami 2026)
- তারিখ: ২৮ মার্চ ২০২৬, শনিবার (১৩ চৈত্র, ১৪৩২)
- মূল কার্যক্রম: দেবী বিসর্জন, সিঁদুর খেলা, বিজয়া সম্মিলন
দেবীর আগমন ও গমনের বাহন এবং ফলাফল
প্রতি বছর পূজার তিথি ও বার অনুযায়ী দেবী দুর্গার আগমন ও গমনের বাহন নির্ধারিত হয়। বিভিন্ন পঞ্জিকা অনুযায়ী ২০২৬ সালে দুটি মত প্রচলিত আছে:
🚣 প্রথম মত (নৌকায় আগমন)
বুধবার সপ্তমী হওয়ায় শাস্ত্রমতে দেবীর আগমন নৌকায়। নৌকায় আগমনের ফল — শস্যবৃদ্ধি ও সুবৃষ্টি। তবে অতিবৃষ্টি ও বন্যার সম্ভাবনাও থাকে।
🪑 দ্বিতীয় মত (পালকিতে আগমন)
অন্য পঞ্জিকার মতে দেবীর আগমন পালকিতে। পালকিতে আগমনের ফল — মড়ক বা রোগব্যাধির আশঙ্কা, সামাজিক অস্থিরতার ইঙ্গিত।
🐘 গমনের বাহন: গজ (হাতি)
একটি মতে দেবীর গমন হাতিতে (গজে)। গজে গমনের ফল — অতিবৃষ্টি ও শস্যহানির সম্ভাবনা।
🐎 গমনের বাহন: ঘোটক (ঘোড়া)
আরেকটি মতে গমন ঘোড়ায়। শনিবার দশমী হওয়ায় ঘোড়ায় গমন। এর ফল — রাজনৈতিক বা সামাজিক বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা।
🔔 মনে রাখুন: আগমন ও গমনের বাহনভিত্তিক ফলাফল শাস্ত্রীয় প্রতীকী ব্যাখ্যা মাত্র। বিভিন্ন পঞ্জিকায় গণনাপদ্ধতির পার্থক্যের কারণে মত ভিন্ন হতে পারে। স্থানীয় পণ্ডিত বা পঞ্জিকা অনুসরণ করাই শ্রেয়।
বাসন্তী পূজার ইতিহাস ও পৌরাণিক কাহিনী
বাসন্তী পূজা আসলে শারদীয়া দুর্গাপূজার চেয়েও প্রাচীন। হিন্দু শাস্ত্রে এটিকে বলা হয় “আদি দুর্গাপূজা”। চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে এই পূজা পালিত হয় বলে একে চৈত্র নবরাত্রি বা চৈত্র দুর্গাপূজাও বলা হয়।
রামায়ণের সাথে সংযোগ
পুরাণে বলা আছে — রাবণ বধের আগে শ্রীরামচন্দ্র দেবী দুর্গার আশীর্বাদ চেয়েছিলেন। কিন্তু দুর্গাপূজার মূল সময় শরৎকাল। রাম তখন চৈত্র মাসে অকালে দেবীকে আহ্বান করলেন। সেজন্য শারদীয়া দুর্গাপূজাকে বলা হয় “অকাল বোধন”। আর চৈত্রের এই পূজাই আসলে মূল সময়ের পূজা — যা পরিচিত হলো বাসন্তী পূজা নামে।
রাজা সুরথের কাহিনী
মার্কণ্ডেয় পুরাণে উল্লিখিত শ্রী শ্রী চণ্ডীতে বর্ণিত আছে — রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি মিলে ঋষি মেধসের আশ্রমে বসন্তকালে প্রথমবার দেবী দুর্গার পূজা করেছিলেন। সেই থেকেই বাসন্তী পূজার সূচনা। রাজা সুরথকে বাসন্তী পূজার প্রথম উদ্যোক্তা বলে ধরা হয়।
শারদীয়া বনাম বাসন্তী পূজা
বর্তমানে শারদীয়া দুর্গাপূজা অনেক বেশি জনপ্রিয়। তবে শাস্ত্রে বাসন্তী পূজাকেই “আদি” বা মূল পূজা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বাংলার বনেদি বাড়িগুলোতে আজও এই পূজা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালিত হয়।
বাসন্তী পূজার পদ্ধতি ও আচারবিধি (Puja Paddhati 2026)
বাসন্তী পূজা মূলত পাঁচদিনব্যাপী অনুষ্ঠান। প্রতিদিনের বিশেষ আচার আলাদাভাবে পালন করতে হয়।
প্রথম দিন — মহাষষ্ঠী (২৪ মার্চ)
- সূর্যাস্তের পরে দেবীর বোধন (অর্থাৎ ঘুম থেকে জাগানো) করা হয়
- বেল গাছে বা বেলপাতায় দেবীর আবাহন করা হয়
- আমন্ত্রণ ও অধিবাস পূজা সম্পন্ন হয়
- দীপ প্রজ্বলন ও সন্ধ্যা আরতি করা হয়
দ্বিতীয় দিন — মহাসপ্তমী (২৫ মার্চ)
- ভোরবেলা নবপত্রিকা স্নান — কলা, কচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, দাড়িম্ব, অশোক, মান ও ধান — এই নয়টি উদ্ভিদ একসাথে নদীতে স্নান করানো হয়
- নবপত্রিকাকে শ্বেত শাড়ি পরিয়ে মণ্ডপে আনা হয়
- সপ্তমী পূজা ও পুষ্পাঞ্জলি
- সন্ধ্যায় আরতি ও ধূনো পোড়ানো
তৃতীয় দিন — মহাষ্টমী ও সন্ধিপূজা (২৬ মার্চ)
- মহাষ্টমী পূজা ও কুমারী পূজা
- পুষ্পাঞ্জলি — “ওঁ জয়ন্তী মঙ্গলা কালী…” মন্ত্র পাঠ করে অঞ্জলি দেওয়া
- সন্ধিপূজা (২:০৬ – ২:৫৪ মিনিট): অষ্টমী শেষ হওয়ার ৪৮ মিনিট আগে থেকে পূজা শুরু হয়; ১০৮টি নীল পদ্ম বা নীলকমল দিয়ে দেবীর পূজা করা হয়; ১০৮টি প্রদীপ জ্বালানো হয়
- সন্ধ্যায় আরতি
চতুর্থ দিন — মহানবমী (২৭ মার্চ)
- মহানবমী পূজা ও হোম যজ্ঞ
- নবমী বলিদান (অনেক স্থানে প্রতীকী পাঁঠাবলি বা ফলবলি)
- পুষ্পাঞ্জলি ও প্রসাদ বিতরণ
পঞ্চম দিন — বিজয়াদশমী (২৮ মার্চ)
- দর্পণ বিসর্জন — আয়নায় দেবীর প্রতিচ্ছবি দেখে বিসর্জনের প্রতীকী ক্রিয়া
- দেবীকে মিষ্টি ও খাবার নিবেদন
- নদী বা জলাশয়ে প্রতিমা বিসর্জন
- সিঁদুর খেলা ও বিজয়া সম্মিলন
পূজার প্রয়োজনীয় উপকরণ
- নবপত্রিকা (নয়টি উদ্ভিদ), লাল পাড়ের শ্বেত শাড়ি
- ষোলো উপচার — ফুল, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য, বেলপাতা, তুলসী, চন্দন
- ১০৮টি নীল পদ্ম ও ১০৮টি প্রদীপ (সন্ধিপূজার জন্য)
- পাঁচ রকমের ফল ও মিষ্টি
- ঘট, নারকেল, আমের পল্লব
- লাল গেরুয়া বা হলুদ কাপড়
বাসন্তী পূজার ধর্মীয় তাৎপর্য ও গুরুত্ব
বাসন্তী পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয় — এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চৈত্রের রুক্ষ প্রকৃতিতে মায়ের আবাহন এক আলাদা তাৎপর্য বহন করে।
- আদি পূজা: শাস্ত্রমতে এটিই দেবী দুর্গার মূল আরাধনার সময়। শরৎকালের পূজা হলো “অকাল বোধন”।
- প্রকৃতি ও ঈশ্বরের মিলন: বসন্তের নতুন প্রাণে দেবীর আগমন জীবনের পুনর্জন্মের প্রতীক।
- শক্তির আরাধনা: মা দুর্গা শক্তির দেবী। মহিলাদের সম্মান ও সমাজে নারীর ভূমিকার প্রতীকী স্বীকৃতি।
- পারিবারিক বন্ধন: বনেদি পরিবারে বংশানুক্রমিক এই পূজা পরিবারের সদস্যদের একত্রিত করে।
- সামাজিক ঐক্য: বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির উৎসব।
বাংলাদেশে বাসন্তী পূজা ২০২৬
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে বাসন্তী পূজা একটি গভীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনাসহ সারাদেশে বিভিন্ন মন্দির ও পারিবারিক উঠানে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশে পূজার বিশেষ বৈশিষ্ট্য
- ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন, ধামরাই, পুরান ঢাকার বিভিন্ন মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হয়
- গ্রামাঞ্চলে বংশপরম্পরায় পারিবারিক বাসন্তী পূজার প্রচলন আজও জীবন্ত
- বাংলাদেশ পঞ্জিকা অনুযায়ী তিথির সামান্য পার্থক্য হতে পারে, তাই স্থানীয় পুরোহিত বা পঞ্জিকা অনুসরণ করুন
- বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ প্রতি বছর এই উৎসব উদযাপনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশে বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত পঞ্জিকা ও স্থানীয় পুরোহিতের নির্ধারিত সময় অনুসরণ করুন। ভারত ও বাংলাদেশের পঞ্জিকায় কিছু ক্ষেত্রে সময়ের পার্থক্য হতে পারে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন: বাসন্তী পূজা কবে ২০২৬? (Basanti Puja 2026 date kobe?)
২০২৬ সালের বাসন্তী পূজার মূল চার দিন হলো: মহাষষ্ঠী ২৪ মার্চ, মহাসপ্তমী ২৫ মার্চ, মহাষ্টমী ২৬ মার্চ এবং মহানবমী ২৭ মার্চ। বিজয়াদশমী (বিসর্জন) হবে ২৮ মার্চ ২০২৬, শনিবার।
প্রশ্ন: বাসন্তী পূজা ২০২৬ অষ্টমী কবে? (Basanti Puja 2026 Ashtami date?)
২০২৬ সালের বাসন্তী পূজার মহাষ্টমী পড়েছে ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার (১১ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ)। এই দিনেই সন্ধিপূজার বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে দুপুর ২টা ০৬ মিনিট থেকে ২টা ৫৪ মিনিট পর্যন্ত।
প্রশ্ন: বাসন্তী পূজা ও দুর্গাপূজার পার্থক্য কী?
বাসন্তী পূজা হয় চৈত্র মাসে (মার্চ–এপ্রিল) এবং শারদীয়া দুর্গাপূজা হয় আশ্বিন মাসে (সেপ্টেম্বর–অক্টোবর)। শাস্ত্রমতে বাসন্তী পূজাই হলো দেবী দুর্গার মূল বা আদি আরাধনার সময়। শারদীয়া পূজা হলো রামচন্দ্রের অকাল বোধন, যা পরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন: বাসন্তী পূজায় কোন দেবীর আরাধনা করা হয়?
বাসন্তী পূজায় দেবী দুর্গার আরাধনা করা হয়। দেবী দুর্গাকেই “বাসন্তী” নামে আহ্বান করা হয় চৈত্র মাসের পূজায়। তিনি শক্তি, সমৃদ্ধি ও মহাবিশ্বের জননী রূপে পূজিত হন।
প্রশ্ন: সন্ধিপূজা কী এবং এটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
সন্ধিপূজা হলো অষ্টমী ও নবমীর মিলনক্ষণে অনুষ্ঠিত বিশেষ পূজা। এই ৪৮ মিনিটে দেবী সবচেয়ে জাগ্রত ও শক্তিময়ী বলে বিশ্বাস করা হয়। ১০৮টি নীল পদ্ম ও ১০৮টি প্রদীপ দিয়ে এই পূজা সম্পন্ন হয়। ২০২৬ সালে সন্ধিপূজার সময় ২৬ মার্চ দুপুর ২:০৬ – ২:৫৪।
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে দেবীর আগমন কিসে?
পঞ্জিকাভেদে দুটি মত আছে। একটি মতে বুধবার সপ্তমী হওয়ায় দেবীর আগমন নৌকায় (শস্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত)। আরেকটি মতে পালকিতে। গমনের ক্ষেত্রে একটি মতে হাতিতে, অন্য মতে ঘোড়ায়। স্থানীয় পঞ্জিকা ও পুরোহিতের মত অনুসরণ করুন।
প্রশ্ন: বাংলা তারিখে ২০২৬ বাসন্তী পূজা কত তারিখ? (Basanti puja 2026 Bengali date?)
২০২৬ সালের বাসন্তী পূজা বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৯ চৈত্র থেকে ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। মহাষষ্ঠী ৯ চৈত্র, সপ্তমী ১০ চৈত্র, অষ্টমী ১১ চৈত্র, নবমী ১২ চৈত্র, দশমী ১৩ চৈত্র।
প্রশ্ন: চৈত্র নবরাত্রি ও বাসন্তী পূজা কি একই?
হ্যাঁ, চৈত্র নবরাত্রি ও বাসন্তী পূজা মূলত একই উৎসবের দুটি নাম। ২০২৬ সালে চৈত্র নবরাত্রি শুরু হয়েছে ১৯ মার্চ থেকে এবং শেষ হচ্ছে ২৮ মার্চ। বাঙালি হিন্দুরা এই নবরাত্রিকে বাসন্তী পূজা নামে পালন করেন।
- Asianet News Bangla — বাসন্তী পূজা ২০২৬: চৈত্র নবরাত্রির নির্ঘণ্ট (ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬)
- Aaj Tak Bangla — বাসন্তী পুজো ২০২৬ তারিখ ও সময় (মার্চ ৭, ২০২৬)
- India Hood — বাসন্তী পূজা ২০২৬ দিনক্ষণ ও সময়সূচি (ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬)
- বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
- মার্কণ্ডেয় পুরাণ — শ্রী শ্রী চণ্ডী (পৌরাণিক রেফারেন্স)
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”
