মার্চ ২০২৬ সালের একাদশী কবে? পাপমোচনী একাদশী ২০২৬ সালে পালিত হবে ১৫ মার্চ ২০২৬, রবিবার। একাদশী তিথি শুরু হবে ১৪ মার্চ ২০২৬ সকাল ৮টা ১০ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ মার্চ ২০২৬ সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে। উদয়া তিথির নিয়ম অনুযায়ী ব্রত পালনের মূল দিন হলো ১৫ মার্চ ২০২৬। ব্রত ভাঙার (পারণা) সময়: ১৬ মার্চ ২০২৬, সকাল ৬:৩০ থেকে ৮:৫৪ মিনিটের মধ্যে।
হিন্দু ধর্মে একাদশী ব্রত অত্যন্ত পবিত্র একটি উপলক্ষ। প্রতি চন্দ্রমাসে দুটি করে একাদশী আসে — কৃষ্ণপক্ষে এবং শুক্লপক্ষে। এই একাদশীগুলো ভগবান বিষ্ণুর উপাসনার জন্য বিশেষভাবে নির্ধারিত। মার্চ ২০২৬ সালে আসছে হিন্দু পঞ্জিকার বছরের শেষ একাদশী — পাপমোচনী একাদশী। এই আর্টিকেলে আপনি পাবেন পাপমোচনী একাদশী ২০২৬-এর সঠিক তারিখ ও সময়, ব্রত পালনের নিয়ম, পূজা পদ্ধতি এবং এই তিথির আধ্যাত্মিক গুরুত্ব সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য।
পাপমোচনী একাদশী ২০২৬
| বিষয় | তথ্য |
| একাদশীর নাম | পাপমোচনী একাদশী |
| পাক্ষ | চৈত্র কৃষ্ণপক্ষ |
| ব্রত পালনের দিন | ১৫ মার্চ ২০২৬, রবিবার |
| তিথি শুরু | ১৪ মার্চ ২০২৬, সকাল ৮:১০ |
| তিথি শেষ | ১৫ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:১৬ |
| পারণার সময় | ১৬ মার্চ ২০২৬, সকাল ৬:৩০–৮:৫৪ |
| পূজ্য দেবতা | ভগবান বিষ্ণু |
| মূল মন্ত্র | ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায় |
| শাস্ত্রীয় উৎস | ভবিষ্য পুরাণ |
| বিশেষত্ব | বছরের শেষ একাদশী, পাপমোচনকারী |
পাপমোচনী একাদশী ২০২৬: সঠিক তারিখ ও সময়
অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়েন যে ১৪ মার্চ না ১৫ মার্চ কোন দিন একাদশী ব্রত পালন করবেন। এখানে স্পষ্ট উত্তর দেওয়া হলো।
| একাদশী তিথি শুরু | ১৪ মার্চ ২০২৬, রবিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিট |
| একাদশী তিথি শেষ | ১৫ মার্চ ২০২৬, রবিবার সকাল ৯টা ১৬ মিনিট |
| ব্রত পালনের দিন | ১৫ মার্চ ২০২৬, রবিবার (উদয়া তিথি অনুযায়ী) |
| ব্রহ্ম মুহূর্ত (সংকল্পের জন্য) | ভোর ৪:৫৫ থেকে ৫:৪৩ মিনিট |
| অভিজিৎ মুহূর্ত (পূজার জন্য) | দুপুর ১২:০৬ থেকে ১২:৫৪ মিনিট |
| পারণা (ব্রত ভাঙার) সময় | ১৬ মার্চ ২০২৬, সকাল ৬:৩০ থেকে ৮:৫৪ মিনিট |
| পাক্ষ | চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষ |
| বার | রবিবার |
কেন ১৫ মার্চ ২০২৬ ব্রত পালনের সঠিক দিন?
হিন্দু ধর্মে উপবাসের দিন নির্ধারণে ‘উদয়া তিথি’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। অর্থাৎ যে তিথি সূর্যোদয়ের সময় বর্তমান থাকে, সেই দিনটিকে ব্রতের দিন হিসেবে গণ্য করা হয়।
- ১৪ মার্চ সকাল ৮টা ১০ মিনিটে একাদশী তিথি শুরু হয়, তাই সূর্যোদয়ের সময় দশমী তিথি ছিল
- ১৫ মার্চ সূর্যোদয়ের সময় একাদশী তিথি চলমান থাকে, তাই এটিই ব্রতের সঠিক দিন
- এই নিয়মটি স্মার্ত পরিবারের গৃহস্থ ভক্তদের জন্য প্রযোজ্য
পাপমোচনী একাদশী কী? এর ধর্মীয় গুরুত্ব
‘পাপমোচনী’ শব্দটি এসেছে দুটি সংস্কৃত শব্দ থেকে ‘পাপ’ (পাপ/অপকর্ম) এবং ‘মোচনী’ (মুক্তিদাত্রী)। অর্থাৎ পাপমোচনী একাদশী হলো সেই পবিত্র তিথি যা ভক্তকে জ্ঞাত-অজ্ঞাত সকল পাপ থেকে মুক্তি দেয়।
এটি হিন্দু বৈদিক বর্ষের শেষ একাদশী। চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীতে এটি পালিত হয় হোলির পরে এবং চৈত্র নবরাত্রির আগে।
পাপমোচনী একাদশীর বিশেষত্ব কী?
- এটি হিন্দু বৈদিক পঞ্জিকার বছরের শেষ একাদশী
- ভবিষ্য পুরাণে ভগবান কৃষ্ণ স্বয়ং যুধিষ্ঠিরকে এই একাদশীর মহিমা বর্ণনা করেছেন
- এই ব্রত জ্ঞাত ও অজ্ঞাত উভয় পাপ মোচন করে
- আসন্ন নববর্ষ (চৈত্র নবরাত্রি) শুরুর আগে আত্মিক শুদ্ধির সুযোগ দেয়
- ভগবান বিষ্ণুর কৃপা লাভ ও মোক্ষের পথ সুগম হয়
পাপমোচনী একাদশীর ব্রত কথা
ভবিষ্য পুরাণের উত্তর অংশে এই একাদশীর কাহিনী বর্ণিত আছে। এটি ঋষি মেধাবী ও অপ্সরা মঞ্জুঘোষার কাহিনী।
ঋষি মেধাবী ও মঞ্জুঘোষার কাহিনী
ঋষি চ্যবনের পুত্র মেধাবী একবার গভীর বনে তপস্যা করছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র তাঁর তপস্যা ভাঙাতে স্বর্গের অপ্সরা মঞ্জুঘোষাকে পাঠালেন। মঞ্জুঘোষার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে মেধাবী কাম ও মোহের বশে পড়ে গেলেন। দীর্ঘ সময় এভাবে কাটার পর মেধাবীর জ্ঞান ফিরে এলে তিনি বুঝলেন তাঁর সাধনা নষ্ট হয়েছে। রাগান্বিত হয়ে তিনি মঞ্জুঘোষাকে অভিশাপ দিলেন।
উভয়েই তখন ঋষি চ্যবনের কাছে গেলেন প্রতিকারের জন্য। ঋষি চ্যবন তাঁদের পাপমোচনী একাদশী ব্রত পালনের পরামর্শ দিলেন। উভয়েই ভক্তিভরে এই ব্রত পালন করলেন। মঞ্জুঘোষা অভিশাপমুক্ত হয়ে স্বর্গে ফিরলেন এবং মেধাবী পুনরায় আধ্যাত্মিক শক্তি ফিরে পেলেন।
পাপমোচনী একাদশী ব্রত পালনের সম্পূর্ণ নিয়ম
ব্রতের আগের রাতে (দশমীতে) কী করবেন?
- সন্ধ্যার পর থেকে সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করুন
- তামসিক খাবার (মাংস, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন) পরিহার করুন
- মনকে ভগবান বিষ্ণুর ধ্যানে নিয়োজিত রাখুন
- রাত্রে সাধারণ ঘুম নয়, জাগরণ বা হালকা বিশ্রামের চেষ্টা করুন
একাদশীর দিন (১৫ মার্চ ২০২৬) পূজা পদ্ধতি
- ব্রহ্ম মুহূর্তে (ভোর ৪:৫৫-৫:৪৩) উঠুন এবং স্নান করুন
- পরিষ্কার বা হলুদ বস্ত্র পরিধান করুন
- সংকল্প (Sankalpa) নিন — মনে মনে বা উচ্চারণ করে ব্রতের অঙ্গীকার করুন
- ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি বা ছবির সামনে ঘি-এর প্রদীপ জ্বালান
- তুলসী পাতা, চন্দন, ফুল ও ফল নিবেদন করুন
- বিষ্ণু সহস্রনাম বা ‘ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়’ মন্ত্র ১০৮ বার জপ করুন
- দিনভর উপবাস পালন করুন — শুধু ফল, দুধ ও জল গ্রহণ অনুমোদিত
- সন্ধ্যায় পুনরায় বিষ্ণু আরতি করুন
- রাত্রে জাগরণ করুন ও বিষ্ণু স্তোত্র পাঠ করুন
- দরিদ্র ও ব্রাহ্মণদের দানধর্ম করুন — বিশেষত খাদ্য ও বস্ত্র
ব্রত ভাঙার সঠিক সময় ও পদ্ধতি
পারণা হলো একাদশী ব্রত শেষ করার আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি। সঠিক সময়ে ব্রত না ভাঙলে ব্রতের পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না।
| পারণার দিন | ১৬ মার্চ ২০২৬, সোমবার |
| পারণার সময় | সকাল ৬:৩০ থেকে ৮:৫৪ মিনিট |
| সর্বোত্তম সময় | প্রাতঃকাল (Pratahkal) |
| এড়িয়ে চলুন | মধ্যাহ্নে (দুপুরে) পারণা করা উচিত নয় |
পারণার নিয়ম
- সূর্যোদয়ের পর দ্বাদশী তিথি থাকা অবস্থায় পারণা করতে হবে
- হরি বাসর (দ্বাদশীর প্রথম এক-চতুর্থাংশ) শেষ হওয়ার পর পারণা করুন
- প্রথমে ভগবান বিষ্ণুর পূজা করুন, তারপর আহার গ্রহণ করুন
- দ্বাদশী তিথি শেষ হওয়ার আগেই পারণা সম্পন্ন করুন
একাদশী ব্রতে কী খাবেন, কী খাবেন না
যা খেতে পারবেন
- সব ধরনের ফল — আম, কলা, আঙুর, বেদানা, পেয়ারা
- দুধ, দই, ঘি এবং দুগ্ধজাত খাবার
- বাদাম, কাজু, কিশমিশ, পিস্তা
- আলু, মিষ্টি আলু (শাকরকন্দি)
- সাবুদানা (সাগু)
- সিঙাড়া/পানিফল
- জল ও ফলের রস
যা খাবেন না (সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)
- চাল, গম, ডাল — যেকোনো ধরনের শস্য
- মাংস, মাছ ও ডিম
- পেঁয়াজ ও রসুন
- মসুর, মুগ, ছোলা সহ সব ধরনের ডাল
- মশলাদার ও তেলযুক্ত খাবার
চার ধরনের একাদশী উপবাস পদ্ধতি
- জলাহার: শুধু জল পান করে উপবাস (সবচেয়ে কঠোর)
- ক্ষীরভোজী: শুধু দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
- ফলাহারী: শুধু ফল খেয়ে উপবাস (সবচেয়ে প্রচলিত)
- নক্তভোজী: সূর্যাস্তের আগে একবার ফলাহার (বয়স্ক বা অসুস্থদের জন্য)
পাপমোচনী একাদশীর মন্ত্র
প্রধান মন্ত্র
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায় — এই মন্ত্র ১০৮ বার জপ করুন।
বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করুন — এটি ১০০০টি বিষ্ণুনামের সমষ্টি।
বিষ্ণু গায়ত্রী মন্ত্র
ওঁ নারায়ণায় বিদ্মহে বাসুদেবায় ধীমহি তন্নো বিষ্ণুঃ প্রচোদয়াৎ।
রাশি অনুযায়ী কী করবেন
প্রতিটি রাশির জাতক-জাতিকার জন্য এই দিনে বিশেষ প্রতিকার কার্যকর বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।
- মেষ, বৃশ্চিক: লাল ফুল দিয়ে বিষ্ণু পূজা করুন
- বৃষ, তুলা: সাদা ফুল ও মিষ্টি দিয়ে পূজা করুন
- মিথুন, কন্যা: তুলসী ও হলুদ ফুল নিবেদন করুন
- কর্কট: শঙ্খে জল ভরে ভগবান বিষ্ণুকে অর্পণ করুন
- সিংহ: সোনালি বা হলুদ বস্ত্র পরে পূজা করুন
- ধনু, মীন: পীত (হলুদ) বস্ত্র পরে বিষ্ণু স্তোত্র পাঠ করুন
- মকর, কুম্ভ: নীল ফুল ও তিল দিয়ে পূজা করুন
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে একাদশী ব্রত অত্যন্ত জনপ্রিয়। এখানে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।
বাংলাদেশে পাপমোচনী একাদশীর সময় কি ভারতের মতোই?
মূলত হ্যাঁ, কারণ বাংলাদেশ ও ভারতের সময়ের পার্থক্য মাত্র ৩০ মিনিট। তিথির সময় প্রায় একই থাকে। তবে সঠিক স্থানীয় সময়ের জন্য আপনার স্থানীয় পঞ্জিকা বা মন্দিরের পুরোহিতের সাথে পরামর্শ করুন।
অফিস বা কাজের কারণে পুরো দিন উপবাস রাখা সম্ভব না হলে কী করবেন?
আপনার শারীরিক ও কর্মজীবনের সুবিধা অনুযায়ী ব্রত পালন করুন। ফলাহার বা একবার নক্তভোজী পদ্ধতিতে ব্রত রাখতে পারেন। ভগবান ভক্তির মনোভাব বিচার করেন, শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়।
শিশু, বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তিরা কি একাদশী ব্রত রাখতে পারবেন?
অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ উপবাস বাধ্যতামূলক নয়। তারা নক্তভোজী পদ্ধতিতে বা হালকা ফলাহার করে ব্রত পালন করতে পারেন। ভগবানের প্রতি ভক্তি ও মনোযোগই মূল বিষয়।
কি একাদশীর দিন মন্দিরে যাওয়া বাধ্যতামূলক?
না, বাধ্যতামূলক নয়। ঘরে বিষ্ণুর পূজা করেও পূর্ণ ব্রতের ফল পাওয়া যায়। তবে মন্দিরে গেলে সংঘবদ্ধ ভক্তির মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অনুভূতি আরও তীব্র হয়।
একাদশীতে জল পান করা কি নিষেধ?
না। জল পান করা সম্পূর্ণ অনুমোদিত। শুধুমাত্র ‘নির্জলা একাদশী’-তে জলও পান করা যায় না। সাধারণ একাদশীতে জল, দুধ, ফলের রস পান করা যায়।
একাদশী সম্পর্কিত আরও প্রশ্ন ও উত্তর
Ekadashi March 2026 তারিখ কত?
মার্চ ২০২৬ সালে পাপমোচনী একাদশী পালিত হবে ১৫ মার্চ ২০২৬, রবিবার।
Ekadashi March 2026 date and time কখন?
একাদশী তিথি শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৬ সকাল ৮:১০ মিনিট। তিথি শেষ: ১৫ মার্চ ২০২৬ সকাল ৯:১৬ মিনিট। ব্রত পালনের দিন: ১৫ মার্চ ২০২৬।
Papmochani Ekadashi 2026 time কখন শুরু ও শেষ?
তিথি শুরু: ১৪ মার্চ সকাল ৮:১০। তিথি শেষ: ১৫ মার্চ সকাল ৯:১৬। পারণা সময়: ১৬ মার্চ সকাল ৬:৩০ থেকে ৮:৫৪।
15 march 2026 ekadashi date and time — কী সত্যি?
হ্যাঁ, ১৫ মার্চ ২০২৬ই পাপমোচনী একাদশী ব্রতের মূল দিন। সূর্যোদয়ের সময় একাদশী তিথি বিদ্যমান থাকায় এই দিনই ব্রত পালন করতে হবে।
Papamochani Ekadashi 2026 Date কোন পঞ্জিকা অনুযায়ী?
হিন্দু পঞ্জিকা (পঞ্চাঙ্গ) অনুযায়ী চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীতে এটি পালিত হয়। ২০২৬ সালে এই তিথি পড়েছে ১৫ মার্চ।
হোলির পর একাদশী কবে?
হোলির পরের একাদশীই হলো পাপমোচনী একাদশী। ২০২৬ সালে এটি ১৫ মার্চ পালিত হবে।
একাদশী কতদিন পালন করতে হয়?
একাদশী ব্রত মূলত একদিন (একাদশীর দিন) পালন করা হয়। তবে পরদিন দ্বাদশীতে পারণার মাধ্যমে ব্রত সম্পন্ন হয়। কিছু ক্ষেত্রে টানা দুই দিন ব্রত রাখারও বিধান রয়েছে।
পাপমোচনী একাদশীর আধ্যাত্মিক উপকারিতা
- জ্ঞাত ও অজ্ঞাত পাপ থেকে মুক্তি লাভ
- মন ও আত্মার পরিশুদ্ধি
- ভগবান বিষ্ণুর কৃপা ও আশীর্বাদ প্রাপ্তি
- হিন্দু নববর্ষের (চৈত্র নবরাত্রি) আগে নতুনভাবে জীবন শুরু করার সুযোগ
- মোক্ষের পথে অগ্রসর হওয়া
- পরিবারে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আসা
- নেতিবাচক কর্ম ও কর্মফল থেকে মুক্তি
শেষকথা
পাপমোচনী একাদশী ২০২৬ সালে পালিত হবে ১৫ মার্চ, রবিবার। এটি হিন্দু বৈদিক বর্ষের শেষ একাদশী এবং আধ্যাত্মিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভক্তিভরে এই ব্রত পালন করলে জ্ঞাত-অজ্ঞাত পাপ থেকে মুক্তি, মন-আত্মার পরিশুদ্ধি এবং ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ লাভ হয় বলে শাস্ত্রে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের হিন্দু ভক্তরা স্থানীয় পঞ্জিকা বা মন্দিরের পুরোহিতের সাথে পরামর্শ করে সঠিক সময়ে ব্রত পালন করুন। নববর্ষের (চৈত্র নবরাত্রি) আগে এই পবিত্র একাদশী পালনের মাধ্যমে একটি নতুন, সুন্দর অধ্যায়ের সূচনা করুন।
হরে কৃষ্ণ! ভগবান বিষ্ণুর কৃপা সকলের উপর বর্ষিত হোক।
তথ্যসূত্র: হিন্দু পঞ্চাঙ্গ ২০২৬, ভবিষ্য পুরাণ, Drik Panchang। সকল তথ্য IST (ভারতীয় মানক সময়) অনুযায়ী প্রদত্ত। বাংলাদেশের সময়ের সাথে ৩০ মিনিটের পার্থক্য থাকতে পারে।
ডিসক্লেইমার: এই আর্টিকেলে উল্লেখিত তথ্য ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যগত পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে রচিত। সঠিক স্থানীয় সময়ের জন্য নিজ এলাকার পঞ্জিকা দেখুন।
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”
