২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠান। ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকা ঘোষণা করে। তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম হলো প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যিনি মরণোত্তর এই পুরস্কার পাচ্ছেন। পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হবে ২৬ মার্চ ২০২৬, স্বাধীনতা দিবসে।
স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এটি বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে গৌরব ও স্বীকৃতির সর্বোচ্চ প্রতীক।
এ বছর অন্তর্বর্তী সরকার মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তালিকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, সমাজসেবা, জনপ্রশাসন, গবেষণা ও পরিবেশ মোট ১২টি ক্ষেত্রে এবার পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
স্বাধীনতা পুরস্কার কী এবং কেন দেওয়া হয়?
স্বাধীনতা পুরস্কার বা স্বাধীনতা পদক হলো বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ এই পদক দেওয়া শুরু হয়।
দেশের নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান যারা সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, তাদের এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। জীবিত ব্যক্তিদের পাশাপাশি মরণোত্তর পুরস্কারের রীতিও দীর্ঘদিন ধরে চালু আছে।
পুরস্কার প্রবর্তনের ইতিহাস
তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পদকের প্রবর্তন করেন। শুরুতে সমাজসেবা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পল্লী উন্নয়ন, চিকিৎসাবিদ্যা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও ক্রীড়া — এই আটটি ক্ষেত্রে পুরস্কার দেওয়া হতো। পরবর্তীকালে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, জনপ্রশাসন এবং গবেষণা — আরও চারটি ক্ষেত্র যুক্ত হয়।
পুরস্কারে কী পাওয়া যায়?
পুরস্কারের সুবিধাসমূহ:
প্রতিটি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পান —
- ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক
- ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকার সম্মানী চেক (২০১৯ সাল থেকে নির্ধারিত)
- একটি সম্মাননাপত্র (সনদ)
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬
৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বছরের পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে তালিকাটি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
| নাম / প্রতিষ্ঠান | ক্ষেত্র | অবস্থা |
|---|---|---|
| বেগম খালেদা জিয়া | স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠন | মরণোত্তর |
| ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ | মুক্তিযুদ্ধ | প্রতিষ্ঠান |
| মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল | মুক্তিযুদ্ধ | মরণোত্তর |
| অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম | বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | জীবিত |
| ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল | চিকিৎসাবিদ্যা | প্রতিষ্ঠান |
| ড. আশরাফ সিদ্দিকী | সাহিত্য | মরণোত্তর |
| এ. কে. এম. হানিফ (হানিফ সংকেত) | সংস্কৃতি | জীবিত |
| বশির আহমেদ | সংস্কৃতি | মরণোত্তর |
| জোবেরা রহমান লিনু | ক্রীড়া | জীবিত |
| পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) | পল্লী উন্নয়ন | প্রতিষ্ঠান |
| ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী | সমাজসেবা / জনসেবা | মরণোত্তর |
| এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ | সমাজসেবা / জনসেবা | প্রতিষ্ঠান |
| মো. সাইদুল হক | সমাজসেবা / জনসেবা | জীবিত |
| গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র | সমাজসেবা / জনসেবা | প্রতিষ্ঠান |
| মাহেরীন চৌধুরী | সমাজসেবা / জনসেবা | মরণোত্তর |
| কাজী ফজলুর রহমান | জনপ্রশাসন | মরণোত্তর |
| মোহাম্মদ আবদুল বাকী, পিএইচডি | গবেষণা ও প্রশিক্ষণ | জীবিত |
| অধ্যাপক ড. এম এ রহিম | গবেষণা ও প্রশিক্ষণ | জীবিত |
| অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া | গবেষণা ও প্রশিক্ষণ | জীবিত |
| আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) | পরিবেশ সংরক্ষণ | জীবিত |
📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: এ বছর মোট ১৫ জন ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। মোট ২০টি পুরস্কার ঘোষিত হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের পরিচয়
বেগম খালেদা জিয়া
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে এবার মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হচ্ছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং দুইবার দেশ পরিচালনা করেছেন।
হানিফ সংকেত
জনপ্রিয় উপস্থাপক, নির্মাতা ও অভিনেতা হানিফ সংকেত সংস্কৃতি ক্ষেত্রে দেশব্যাপী বিশাল অবদানের স্বীকৃতিতে এই পুরস্কার পাচ্ছেন। দশকের পর দশক ধরে বাংলাদেশের বিনোদন ও সংস্কৃতি জগতে তার অবদান অতুলনীয়।
জোবেরা রহমান লিনু
বাংলাদেশের ব্যাডমিন্টনের কিংবদন্তি খেলোয়াড় ও কোচ জোবেরা রহমান লিনু ক্রীড়া ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি পাচ্ছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করেছেন।
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ভূমিকার জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগ ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন ও বাছাই কীভাবে হয়?
এই পুরস্কার প্রদানের প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করে একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়, যা চূড়ান্তভাবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়।
- সরকারের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও জেলা প্রশাসক পুরস্কারের জন্য যোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম প্রস্তাব করেন।
- সকল ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় মনোনয়ন আহ্বান করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
- প্রাপ্ত প্রস্তাব থেকে প্রাথমিক বাছাই করা হয় এবং একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি হয়।
- পদক কমিটির বৈঠকে তালিকাটি চূড়ান্ত করা হয়।
- মন্ত্রিসভার বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- স্বাধীনতা দিবসের (২৬ মার্চ) অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
কারা স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য?
- বাংলাদেশের নাগরিক যারা জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- দেশের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে (সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান, ক্রীড়া, সমাজসেবা ইত্যাদি) অনন্য অর্জন থাকা ব্যক্তি বা দল।
- মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি ও ঐতিহাসিক অবদান রাখা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।
- মরণোত্তর পুরস্কারের ক্ষেত্রে প্রয়াত ব্যক্তিরাও বিবেচিত হন।
- যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইতোপূর্বে এই পুরস্কার পাননি, তারাই সাধারণত বিবেচিত হন। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে।
কোন কোন ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়?
বর্তমানে মোট ১২টি ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। এগুলো হলো: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, সমাজসেবা ও জনসেবা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পল্লী উন্নয়ন, চিকিৎসাবিদ্যা, ক্রীড়া, শিক্ষা, জনপ্রশাসন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ। সরকার প্রয়োজনে নতুন ক্ষেত্র যুক্ত করতে পারে।
স্বাধীনতা পুরস্কারের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
স্বাধীনতা পুরস্কার শুধু একটি সম্মাননা নয় এটি জাতির পক্ষ থেকে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জীবনব্যাপী অবদানকে সরকারিভাবে স্বীকার করার সর্বোচ্চ প্রতীক। এই পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তিরা ইতিহাসে স্থায়ী আসন পান।
দেশের তরুণ প্রজন্মের সামনে এই পুরস্কার একটি অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করে। প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রের কীর্তিমান মানুষদের দেখে নতুন প্রজন্ম জানতে পারে কারা দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন এবং তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজেকে গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা পায়।
এ বছরের পুরস্কারে নতুন কী আছে?
২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারে কয়েকটি দিক আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। প্রথমত, এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয়ত, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১৯৭৭ সালে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন এবং এবারও তাঁকে মরণোত্তর দেওয়া হচ্ছে, যা এই পুরস্কারের ইতিহাসে বিরল।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
২০২৬ সালে মোট ১৫ জন ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ২০টি স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
২০২৬ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন: বেগম খালেদা জিয়া, মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, ড. আশরাফ সিদ্দিকী, বশির আহমেদ, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মাহেরীন চৌধুরী এবং কাজী ফজলুর রহমান।
১৯৭৭ সাল থেকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান শুরু হয়। প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এটি প্রদান করা হয়।
স্বাধীনতা পুরস্কারে কত টাকা দেওয়া হয়?
বর্তমানে প্রতিটি স্বাধীনতা পুরস্কারের সাথে ৫ লাখ (৫,০০,০০০) টাকার সম্মানী চেক, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।
২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার কোথায় ও কখন দেওয়া হবে?
প্রতিবছরের মতো ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।
হানিফ সংকেত কী কারণে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন?
দেশের সংস্কৃতি ও বিনোদন অঙ্গনে দীর্ঘদিনের গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জনপ্রিয় উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেতকে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকের মধ্যে পার্থক্য কী?
স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে দেওয়া হয়। একুশে পদক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার, যা ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেওয়া হয়। মর্যাদায় স্বাধীনতা পুরস্কার একুশে পদকের চেয়ে উচ্চতর।
স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য কীভাবে মনোনয়ন দেওয়া যায়?
যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মনোনয়নের জন্য আবেদন করতে পারেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক এবং বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে মনোনয়ন পাঠানো যায়। প্রতিবছর পুরস্কার মৌসুমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে (cabinet.gov.bd) বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশিত হয়।
তথ্যসূত্র ও যাচাইযোগ্য উৎস:
১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার — cabinet.gov.bd
২. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন — bangladesh.gov.bd
৩. মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সংবাদ সম্মেলন, ৫ মার্চ ২০২৬
৪. উইকিপিডিয়া বাংলা — স্বাধীনতা পুরস্কার
৫. দৈনিক ইত্তেফাক, প্রথম আলো, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন — ৫ মার্চ ২০২৬ রিপোর্ট
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind Banglakathan.com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.”

